গত ১৫-১৬টি বছর দেশে একটি মাফিয়া জুলুমবাজ ফ্যাসিবাদ সরকার ক্ষমতায় ছিলো বলে মন্তব্য করেছেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকএম মঞ্জুরুল করিম রনি।বুধবার (১৯মার্চ) ১৮রমজান সন্ধ্যায় নগরীর টংঙ্গী ৪৭নং ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত শিলমুন আব্দুল হাকিম মাস্টার উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক ইফতার মাহফিলে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথীর বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণ-ইফতার আয়োজন করেছি। আপনারা মনে করে দেখবেন গত বছর আমরা কিভাবে ইফতার করেছিলাম। আমরা বিএনপির নেতাকর্মীরা যারা ছিলাম আপনাদের সাথে আমাদের ইফতার, ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান করার সুযোগ হয়নি। গত বছরের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় আমরা আপনারা সকলে মানুষের কাছে যেতে পারিনি।প্রধান অতিথী আরও বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের নির্দেশনা রয়েছে আমরা যেন সাধারণকে সাথে নিয়ে ইফতার গ্রহণ করি। সেই ধারাবাহিকতায় নগরীর প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডে যে ইফতার আয়োজন হচ্ছে তাতে অসহায় সুবিধাবঞ্চিতদের নিয়ে আমরা ইফতার আয়োজন করছি। আগামীতেও জনকল্যাণমূলক কাজে বিএনপি ও আমাকে পাশে পাবেন।বক্তব্যের একপর্যায়ে রনি এমএ মান্নান স্বরণে তার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অবগত করেন উপস্তিত সকলকে। তাছাড়া সাবেক মন্ত্রী বিএনপি নেতা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র এমএ মান্নানকে ৩৪টি মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি এমএ মান্নানের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে সকলকে পাশে থাকার আহ্বান জানান। শেষে তিনি বিএনপি পরিবারের সকলের জন্যে দোয়া চান।এতে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন ও গাজী সালাউদ্দিনসহ বিএনপি ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।একইদিন বাসন মেট্রো থানা বিএনপির তত্বাবধানে এম মঞ্জুরুল করিম রনির আয়োজনে তিনদিনব্যাপী গণ ইফতারের প্রথম দিনের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। এতে প্রধান অতিথী হিসেবে যোগ দেয়ার কথা ছিলো এম মঞ্জুরুল করিম রনির। যানজটের কবলে অংশ নিতে না পেরে এক বার্তায় দুঃখ্য প্রকাশ করেন রনি।নগরীর বাসন থানা চান্দনা উচ্চবিদ্যালয় কলেজ মাঠে আয়োজিত গণ-ইফতার অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথীর বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলাউদ্দিন চৌধুরী। বক্তব্যে আলাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিগত ১৬বছর আমরা বিএনপির নেতাকর্মীরা কোন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারতাম না। আজ ৫ আগস্টের পরে আমরা সামাজিক ধর্মীয়সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারতাছি।তিনি বলেন, সেসময় আমরা আপনাদের সাথে মিলিত হতে পারতাম না। আমাদের বিভিন্ন মামলা, হামলা, জেল, জুলুম, লুটপাট দিয়ে আমাদের থামিয়ে রাখা হয়েছিলো। ৫ আগস্টের পর আমাদের দেশ আবার নতুন করে স্বাধীন হয়েছে। এখন আমরা সকল অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারতাছি। বক্তব্যের শেষাংশে তিনি এমএ মান্নান ও বিএনপি পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করেন।এতে বক্তব্য দেন, সাবেক বাসন ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সরকার, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য এএইচ সিরাজুল হক, বাসন থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনির, মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমানসহ আরো অনেকেই।বাসন থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত হোসেন বাবুর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন- মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ফরিদ মণ্ডলসহ থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর