By: Daily Janakantha

পদ্মা সেতু উদ্বোধনে দেশবাসীর উচ্ছ্বাস

দেশের খবর

25 Jun 2022
25 Jun 2022

Daily Janakantha

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ স্বপ্নের ‘পদ্মা সেতু’র উদ্বোধন আজ। সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশবাসীর প্রত্যাশার বহুলাংশ পূরণ হবে বলে আশা আপামর মেহনতি মানুষের। দেশের সব জেলার লোকজনের যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নতি, সহজ এবং কম খরচে ভ্রমণ ও মালামাল পরিবহন করা যাবে। সব থেকে কৃষিপণ্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে লাভের মুখ দেখবে।

মুন্সীগঞ্জে দ্যুতি ছড়াচ্ছে পুনর্বাসন কেন্দ্র
মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল, মুন্সীগঞ্জ ॥ আজ ২৫ জুন স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকা থেকে সরাসরি সড়ক পথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের দ্বার উন্মোচিত হবে। এই সেতু ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। সেতুকে ঘিরে সুফল পাবে দেশের ২১ জেলার মানুষ। এ অঞ্চলে বাড়বে কৃষি উৎপাদন। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে দেশের অন্য অঞ্চলে কৃষিবিপ্লব অনেকটাই সফল হয়েছে। পিছিয়ে আছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল। এর প্রধান কারণ হলো যোগাযোগের অসুবিধা। পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে এ অঞ্চলে কৃষিবিপ্লবের অভিপ্রায় সফল হবে। নতুন প্রযুক্তি ধারণ ত্বরান্বিত হবে। সেতুর কারণে সব ধরনের কৃষিপণ্য তাদের সবচেয়ে কাক্সিক্ষত বাজারে দ্রুত যেতে পারবে। শুধু ঢাকা নয়, বরং বড় বড় জেলা শহরগুলোতেও তাদের পণ্য যাওয়ার সুযোগ হবে। এতে দ্রুত বেড়ে যাবে শস্যের উৎপাদন। গড়ে উঠবে কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা। তাতে মানুষের কর্মসংস্থান হবে, বাড়বে আয়।
দ্যুতি ছড়াচ্ছে পদ্মা সেতুর পুনর্বাসন কেন্দ্র ॥ লৌহজং উপজেলার কুমারভোগ ইউনিয়ন মাওয়া চৌরাস্তা মোড়ের কাছেই পদ্মা বহুমুখী সেতু পুনর্বাসন কেন্দ্র। যা কুমারভোগ পদ্মা বহুমুখী সেতু পুনর্বাসন কেন্দ্র নামে পরিচিত। যেন পদ্মা পাড়ের এক খন্ড সবুজ বেষ্টনী। প্রবেশ দ্বারেই চোখ জুড়ানো রকমারি ফলদ, ঔষধি ও ফুল গাছের সারি। মাঝে নান্দনিক মসজিদ। মসৃণ পিচঢালা পথ। পুকুরপাড়ে কংক্রিটের ঢালাই। প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও সেজেছে নান্দনিক সাজে। পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনেরও দারুণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সেতু পাড়ের এ পুনর্বাসন এলাকায়। পুনর্বাসন কেন্দ্রের গেট থেকে কয়েক পা হাঁটতেই দেখা যায় পরিকল্পিত একটি মসজিদ। সবাই পুনর্বাসন কেন্দ্রের পরিবেশে খুশি। এই পরিবেশকে সবাই গুলশান-বনানীর সঙ্গে তুলনা করেন! জায়গা-জমি অধিগ্রহণের পর মূল পদ্মা সেতু নির্মাণের বাইরে নদীশাসন, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণ অত্যন্ত জরুরী স্থাপনা। আর পুনর্বাসন কেন্দ্রের বাসিন্দাদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে হাটবাজার, মসজিদ, পুকুর, খেলার মাঠ, প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিকিৎসা কেন্দ্র। পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলো যেন সবুজের সমারোহ ও ইট পাথরের মেলবন্ধন। গ্রাম-শহরের পরিবেশে এখানকার বাসিন্দারা আছেন বেশ আনন্দে। চিকিৎসা কেন্দ্রগুলো দিচ্ছে কাক্সিক্ষত সেবা। ছোটখাটো অসুখে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি মিলছে ওষুধপত্রও। পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, বাপ-দাদার ভিটামাটি কেউ ছাড়তে চান না, এটা স্বাভাবিক। এজন্য আমরা পুনর্বাসন এলাকাগুলো এমনভাবে নির্মাণ করেছি, যাতে মৌলিক সব সুযোগ-সুবিধা থাকে। এছাড়া মসজিদ, স্কুল, পানি, সড়ক, ড্রেনেজ ব্যবস্থা সামনে রেখে পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণ করেছি।

দক্ষিণাঞ্চলের লক্ষাধিক জনতা কাঁঠালবাড়ী
স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ দক্ষিণাঞ্চলবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসীকতায় নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে আজ শনিবার পূরণ হচ্ছে। পদ্মা সেতু আজ শুধু সেতু নয়; এ সেতু নিয়ে বিশ্ব দরবারে এখন গর্ব করছেন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক।
সারাদেশের চেয়ে সবচেয়ে বেশি পদ্মা সেতুর সুফল ভোগ করবেন বরিশালসহ গোটা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলবাসী। তাই এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী জনসভাকে ঘিরে উৎসবের আমেজ অনেক বেশি। তাই স্বপ্ন পূরণের সাক্ষী হতে বরিশাল বিভাগের লক্ষাধিক মানুষ নিজ নিজ এলাকার আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে ৬০টি বিলাসবহুল লঞ্চযোগে শুক্রবার সন্ধ্যায় মাওয়ার কাঁঠালবাড়ি লঞ্চঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।
সূত্রমতে, আজ শনিবার সকালে কাঁঠালবাড়ি লঞ্চঘাট থেকে স্বাধীনতার প্রতীক লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে বরিশাল বিভাগের লক্ষাধিক মানুষ আওয়ামী লীগের দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক মন্ত্রী আলহাজ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপির নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় অংশগ্রহণ করবেন। প্রতিটি লঞ্চে আগত মানুষদের প্রত্যেক বেলার খাবারের ব্যবস্থা করেছেন স্ব স্ব এলাকার আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দরা।
বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট তালুকদার ইউনুস বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী জনসভায় বরিশাল বিভাগ থেকে আমাদের এক লাখ মানুষের অংশগ্রহণ করার টার্গেট ছিল। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে বরিশাল বিভাগের এক লাখের অধিক উৎসুক মানুষ যেন যার যার ঘরে ফিরতে পারেন এজন্য আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

চালু হচ্ছে মাইক্রোবাস সার্ভিস
পদ্মা সেতুকে ঘিরে দক্ষিণ জনপদের মানুষের উচ্ছ্বাসের শেষ নেই। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে বরিশালবাসী একের পর এক ততই সুখবর পেতে যাচ্ছেন। এবার রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বরিশালের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ করতে অর্ধশত আধুনিক মাইক্রোবাস নামানো হচ্ছে।

পটুয়াখালী থেকে যাবেন ২০ হাজার নেতাকর্মী
নিজস্ব সংবাদদাতা, পটুয়াখালী ॥ উপকূলের মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পটুয়াখালী থেকে প্রায় ২০ হাজার মানুষ যাচ্ছেন সেখানে। এ জন্য জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৯টি ডবল ডেকার যাত্রীবাহী লঞ্চ। এছাড়া সড়কপথেও অনেক মানুষ পটুয়াখালী থেকে যাবেন পদ্মার পাড়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপভোগ করতে। পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর বলেন, এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সোহেল বলেন, জেলা যুবলীগ থেকে প্রায় চার হাজার নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের বহরে যোগ দেবেন।

বাউফল পৌরসভা মেয়রের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ!
নিজস্ব সংবাদদাতা, বাউফল, পটুয়াখালী ॥ স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাউফলের মেয়র ও পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জুয়েলের নেতৃত্বে কয়েক হাজার দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থক শুক্রবার রাতে বাউফল থেকে রওনা হন। আর এজন্য ভাড়া করা হয়েছে ঈগল-৫ নামের একটি বিলাসবহুল দোতলা লঞ্চ। লঞ্চটি রাত ৮টায় বাউফলের নুরাইনপুর লঞ্চ ঘাট থেকে পদ্মা সেতু অভিমুখে আসে। নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের আসা-যাওয়ার সমস্ত খরচ মেয়র জুয়েল ব্যক্তিগতভাবে বহন করছেন।

খুলনায় বর্ণাঢ্য আয়োজন
স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন, স্বপ্নের উন্মোচন, এমন প্রত্যয়ে শনিবার উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বাঙালীর স্বপ্নের সেতু। আড়ম্বরপূর্ণ উদ্বোধন উপলক্ষে শুক্রবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেসব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফ করেন খুলনার জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার। প্রেসব্রিফিং-এ জেলা প্রশাসক জানান, পদ্মা সেতু নির্মাণের অনন্য ইতিহাস ও উদ্বোধন অনুষ্ঠানের মাহেন্দ্রক্ষণের সঙ্গে সকলকে সম্পৃক্ত করতে খুলনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি বড় পর্দায় খুলনা জেলা স্টেডিয়াম, দৌলতপুর ও শিববাড়ি এলাকায় প্রদর্শন করা হবে। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আনন্দবার্তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে দুইটি সুসজ্জিত প্রচার ভ্যানে পদ্মা সেতুর ওপর নির্মিত থিম সং এবং পদ্মা সেতু প্রমোশনাল অডিও সম্প্রচার করা হচ্ছে। এই উপলক্ষে খুলনা মহানগরী ও সারা জেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের পোস্টার বিতরণ ও টানানো হয়েছে। খুলনাকে আলোয় উদ্ভাসিত করতে বিভিন্ন সরকারী দফতর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় থাকছে বর্ণিল আলোকসজ্জা। প্রেসব্রিফিং-এ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাদিকুর রহমান খান, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার জিনাত আরা আহমেদ, প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদ, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেনসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার পাঠক ভোরে পত্রিকা পাবেন
স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার পত্রিকা পাঠক ও সংবাদকর্মীদের জন্য সুখবর নিয়ে আসছে পদ্মা সেতু। ঘুম থেকে উঠে পাঠকদের আর অপেক্ষায় থাকতে হবে না পত্রিকার। ২৫ জুনের পরে পাঠকদের সকাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়িতে পৌঁছে যাবে জাতীয় সব পত্রিকা। দীর্ঘদিনের বিড়ম্বনা থেকে রক্ষা পাবেন পাঠকরা। সন্ধ্যার পরে ঘটে যাওয়া কোন সংবাদের আপডেট পাঠাতেও কোন বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না গণমাধ্যমকর্মীদের। পাঠকরাও ঘুম ভাঙ্গার আগে হাতে পাবেন প্রিয় পত্রিকা। চায়ের কাপে চুমুকের সঙ্গে পত্রিকা পড়ে খবরের তৃষ্ণা মেটাতে পারবেন পাঠক- এমনই মনে করছেন বাগেরহাটবাসী। সোহেল রানা নামের একজন পাঠক জানান, অনেক সময় সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও আমরা পত্রিকা পেতাম না। কিন্তু পদ্মা সেতু হয়ে গেলে চিরতরে সেদিন হারিয়ে যাবে। খুব দ্রুতই আমরা সব খবর জানতে পারব। হকার মামুন বলেন, ঝড়-বৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস, কুয়াশা, স্রোত বিভিন্ন কারণে পত্রিকা আসতে অনেক দেরি হতো। আমরা এজেন্টদের কাছে তীর্থের কাকের মতো বসে থাকতাম কখন পত্রিকা আসে। পাঠকরা ফোনের পরে ফোন দিত। অবশেষে সেই চিরায়ত দিনের অবসান হচ্ছে। এখন আর অপেক্ষা করতে হবে না কোন পাঠককে। ঘুম দিয়ে উঠেই তারা পড়তে পারবেন পত্রিকা। সংবাদকর্মী আলী আকবর টুটুল বলেন, ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে যেসব পত্রিকা আসে এসব পত্রিকার জন্য আমাদের সন্ধ্যা সাতটার আগেই নিউজ পাঠাতে হতো। কারণ ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে পত্রিকা ছাপিয়ে পাঠানো হতো। যার ফলে সবশেষ আপডেট সংবাদ সংবলিত পত্রিকা আমরা পেতাম না। এখন যখনই পত্রিকা ছাপানো হোক না কেন, আমরা সকালেই পত্রিকা পাব। এটা ভেবে ভাল লাগছে আমাদের।

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি কমানোর সম্ভাবনা নেই
নিজস্ব সংবাদদাতা, রাজবাড়ী ॥ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার স্বপ্নের ‘পদ্মা সেতু’র আজ শুভ উদ্বোধন। পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় এই নৌরুটের গুরুত্ব কমে যাবে এমনি আশঙ্কা করছেন দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া উভয়পারের সাধারণ মানুষ। তবে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ বলছেন, এই নৌরুটের ফেরি কমানো হবে না বরং বৃদ্ধি করা হবে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সাধারণ মানুষের রাজধানী সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান নৌপথ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের কাছে এই নৌরুট গুরুত্ব বহন করে এসেছে এযাবত। কিন্ত পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে এই নৌরুটের গুরুত্ব কমে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন ঘাট সংশ্লিষ্টরা। দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য উজ্জল হোসেন বাবু বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া দুর্ভোগ কমবে। তবে ঘাট সংশ্লিষ্টদের রক্ষা এবং উন্নয়ন করতে হলে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট আধুনিকায়ন করতে হবে।
নজরুল ইসলাম বাবু নামের এক ব্যক্তি বলেন, পদ্মা সেতু শুরু হলেও দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে কোন প্রভাব পড়বে না। তবে ফেরিগুলো সচল রাখতে হবে। ফেরি সংখ্যা কমে গেলে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের গুরুত্ব কমে যাবে। পণ্যবাহী ট্রাক চালক হাসমত সরদার জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের উভয়পারে যানজট না থাকলে অনেকে এই নৌরুট ব্যবহার করবে। তবে যানজট থাকলে সহজে যাওয়ার জন্য পদ্মা সেতু ব্যবহার করবে। এই নৌরুট সচল রাখতে হবে ফেরি কমানো যাবে না। বরং বৃদ্ধি করতে হবে। দৌলতদিয়া শ্রমিক নেতা নুরুল ইসলাম নুরাল জানান, দৌলতদিয়া ঘাট আধুনিকায়ন করার কোন বিকল্প নেই। দৌলতদিয়া ঘাট আধুনিকায়ন হলে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের গুরুত্ব কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। এই শ্রমিক নেতা আরও বলেন, স্বল্প ব্যয় এবং নিরাপদে মালামাল পরিবহন করতে নৌ ও রেলপথের বিকল্প নেই। সেই হিসেবে রাজধানী-চট্টগ্রাম-চাঁদপুরসহ বিভিন্ন জেলার মালামাল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে স্বল্প ব্যয়ে নেয়ার জন্য নৌপথ ব্যবহার করবে। বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা বন্দরের উপপরিচালক শাহ্ খালেদ নেওয়াজ জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি কমানোর কোন সম্ভবনা নেই। বরং এই নৌরুটের ফেরি আরও বৃদ্ধি করা হবে। ঈদে এই নৌরুটে ১২টি রোরো (বড়), ৬টি ইউটিলিটি (ছোট), ২টি ড্রাম ও ১টি কে-টাইপসহ মোট ২২টি ফেরি চলাচল করবে।

বর্ণিল সাজে কুয়াকাটা
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, পটুয়াখালী ॥ আজ ২৫ জুন। বাংলাদেশের জন্য ঐতিহাসিক দিন। আর দক্ষিণ জনপদের মানুষের অর্থনীতির নতুন যাত্রা শুরু হবে। একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের মতো বিরল মনোলোভা দৃশ্য অবলোকনের স্পট কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ঢাকা থেকে ফেরিবিহীন যাত্রার শুভ সূচনা ঘটবে। বাংলাদেশ নামের স্বাধীন দেশ উপহার দেয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক পদ্মা সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ঢাকা থেকে ফেরিবিহীন পথে মানুষ কুয়াকাটায় যাত্রার সূচনা করবেন। দক্ষিণের জনপদে, ঘরে ঘরে বইছে আনন্দের জোয়ার। হাটে-বাজারে, পথে-প্রান্তরে আলোচনা একটাই- পদ্মা সেতুর উদ্বোধন। এই খুশিতে কুয়াকাটায় করা হয়েছে বর্ণিল আলোকসজ্জা। মানুষ করেছে আনন্দ মিছিল। শতাধিক হোটেল-মোটেলে নতুনভাবে যেন সাজসজ্জা করা হয়েছে। পর্যটকদের বরণ করতে কুয়াকাটা এখন প্রস্তুত রয়েছে। যে পথে দিন-রাত পেরিয়ে চরম ভোগান্তির পরে কুয়াকাটায় আসত পর্যটক একটু নৈসর্গিক দৃশ্য অবলোকনের জন্য, সেই পথে মাত্র ৫-৬ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা থেকে ছুটে আসবে পর্যটক; এটি ভাবতেই ভিন্ন এক অনুভূতির সঞ্চার ঘটে মনে-প্রাণে। হোটেল-মোটেল মালিকরা মনে করছেন, পর্যটকের ঢল নামবে।

সাইফুলের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
স্টাফ রিপোর্টার, পঞ্চগড় ॥ পদ্মা সেতু উদ্বোধনকে ঘিরে দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন পদ্মা সেতুর গুজব রোধে তেঁতুলিয়া-টেকনাফ হেটে পদযাত্রাকারী সাইফুল ইসলাম শান্তি। শুক্রবার পঞ্চগড় জেলাশহরসহ বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক ও হাটবাজারে একক র‌্যালি নিয়ে বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে নেচে-গেয়ে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আনন্দের কথা প্রচার করেছেন। মাথায় ও বুকে জাতীয় পতাকা পেঁচিয়ে, হাতে প্ল্যাকার্ড ও হ্যান্ডমাইক নিয়ে আমাদের টাকায় আমাদের পদ্মা সেতুর কথা বলছেন। সঙ্গে বিতরণ করছেন চকোলেট। এর আগে শান্তি ২০১৯ সালের ২১ জুলাই পদ্মা সেতুর গুজবের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে হেঁটে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পদযাত্রা করেন। সাইফুল ইসলাম শান্তির এই গুজববিরোধী পদযাত্রা তখনও জনমনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। বহুল প্রতীক্ষার পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধনকে ঘিরে গোটা বাংলাদেশের মানুষের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার। তবে পদ্মা সেতু উদ্বোধন ঘিরে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক ও হাটবাজারে একক র‌্যালি নিয়ে বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে নেচে-গেয়ে, মাথায় ও বুকে জাতীয় পতাকা পেঁচিয়ে, হাতে প্ল্যাকার্ড ও হ্যান্ডমাইক নিয়ে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আনন্দের কথা প্রচার করেন। পদ্মা সেতুর ইতিহাসের কথা মানুষকে শুনিয়ে বেড়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম শান্তি। তার এমন ব্যতিক্রমী প্রচারে স্থানীয় মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সাইফুল ইসলাম শান্তি দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে অধ্যয়ন করছেন। তিনি পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার আমলাহার গ্রামের আবদুল মজিদের বড় সন্তান।

খুলে যাবে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের দুয়ার
স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম ॥ স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সঙ্গে বদলে যাবে উত্তরাঞ্চলের প্রতিটি জেলার জীবনযাত্রার মান। বাড়বে ব্যবসা বাণিজ্য, পর্যটন আর শিক্ষা। এ অঞ্চলের প্রতিটি এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া লাগবে। এ অঞ্চলের মানুষ কাজের সন্ধানে চলে যাবে দক্ষিণাঞ্চলের জেলা গুলিতে। আর দক্ষিণাঞ্চলের মানুষরাও আসবে ব্যবসা বাণিজ্য আর শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদাালয় গুলিতে ভর্তি হবে শিক্ষার জন্য। বাড়বে মানুষের কর্মসংস্থান। বদলে যাবে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলা। বর্তমানে এ অঞ্চল থেকে বহুপথ ঘুরে খুলনা সাতক্ষীরা আর বরিশাল যেতে হয়। সময় লাগে ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা। কিন্তু পদ্মা সেতু দিয়ে মাত্র ৮ থেকে ৯ ঘণ্টায় পৌঁছে যাবে। প্রতিদিন শত শত ট্রাক বিভিন্ন পণ্য নিয়ে চলে আসবে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায়।
উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি আবাদ হয় আলু আর সবজি। বিক্রির অভাবে প্রতি বছর শত শত মেট্রিক টন আলু এমনিতেই নষ্ট হয় কোল্ডস্টোরেজে। পদ্মা সেতু হলে এসব আলু আর সবজি আটকা থাকবে না। সবজিও আর পানির দামে বিক্রি হবে না। এসব আলু আর সবজি অনায়াসে খুব দ্রত সময়ে চলে যাবে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে। কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলার প্রধান অর্থকরী ফসলের মধ্যে সুপারি অন্যতম। বরিশাল ও খুলনায় সুপারির চাহিদা থাকলেও শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এতদিন ঠিকমতো যেতে পারেনি। এ অঞ্চলের সুপারি চাষী এক বছর লাভ করলেও অন্য বছর লোকসান গুনতে হয়। কিন্তু পদ্মা সেতু হলে সিজেনে প্রতিদিন গড়ে এ অঞ্চলের জেলাগুলো থেকে গড়ে ৫০ ট্রাক সুপারি চলে যাবে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে। কাঁঠালবাড়ী রফিকুল মিয়া, (৪৫), মিজান (৩৫), সাহরউদ্দিন (৫৭) জানান দীর্ঘদিন থেকে সুপারি আর পাটের ব্যবসা করছি। আমরা ট্রাকে সুপারি খুলনা ও বরিশালে পাঠাই। প্রচুর ট্রাক ভাড়া দিতে হয়েছে। সময়ও লেগেছে প্রচুর। কিন্তু পদ্মা সেতু হওয়াতে আমাদের খুব উপকার হলো। এখন দ্রুত সময়ে আমরা মালামাল পাঠাতে পারব। খরচও কম পড়বে। আর লোকসান গুনতে হবে না। এ জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় দিনাজপুর, নওগাঁ, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায়। এই ধানগুলো খুলনা, বাগেরহাট অঞ্চলে বেশি চলে যায়। এ অঞ্চলের ধান ব্যবসায়ী মজিবর রহমান (৬৭) ও মাইদুল ইসলাম জানান দীর্ঘ ৪০ বছর থেকে ধানের ব্যবসা করছি খুলনা ও বাগেরহাট জেলার ধান ব্যবসায়ীদের সঙ্গে। নানা কষ্টের স্মৃৃতি আছে। বহুবার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। কিন্তু পদ্মা সেতু হওয়ায় আমরা মহাখুশি। কারণ এখন ধানের ট্রাকের এত সময় লাগবে না। মাত্র ৮ ঘণ্টায় পৌঁছে যাবে। আমরা আরও বেশি ধানের ট্রাক পাঠাতে পারব। কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজের প্রিন্সিপাল মীর্জা নাসির উদ্দিন জানান, স্বপ্নের পদ্মা সেতু আমাদের উত্তরাঞ্চলে শিক্ষার্থীদের মাঝে দারুণ এক খুশির বন্যা বইছে।

উত্তরের কাঁঠোল ট্রাকত করি দক্ষিণে বেচপার ধরি জাইম
নিজস্ব সংবাদদাতা, লালমনিরহাট ॥ পদ্মা সেতু দিয়া এবার দক্ষিণের জেলাগুলাত মুই ট্রাক বোঝাই করি কাঁঠোল বেচপার ধরি জাইম। শেখের বেটি পদ্মা করিয়া অহঙ্কার ও গৌরবের কাম করছে। এভাবে পদ্মা সেতু নির্মাণে মনের বহির্প্রকাশ করছেন, একজন অতি সাধারণ ফল ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম মুন্সী (৬৫)। আজ ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতুর দ্বার উন্মোচন করবেন। তার দৃঢ়চেতা নেতৃত্বের সর্ববৃহৎ দেশের উন্নয়ন অর্জন পদ্মা সেতু। এতে করে সফলভাবে প্রধানমন্ত্রী ও দেশের মানুষ পদ্মা সেতু নির্মাণের বিশ্বব্যাংকসহ দেশী-বিদেশী সকল ষড়যন্ত্রের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিতে পেরেছে। পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে শুনে রংপুর বিভাগের জনসাধারণ, কৃষক, ফলচাষী ও পাইকারগণ সারাদেশের মানুষের চেয়ে একটু বেশি খুশি হয়েছে। পদ্মা সেতুর দ্বার উন্মোচন হওয়ার খবরে মৌসুমি ফল ব্যবসায়ী আবদুল আজিজ জানান, প্রতি গ্রীষ্মের আম-কাঁঠাল মৌসুমে ঢাকা, চট্টগ্রামে ট্রাকে ট্রাকে আম-কাঁঠাল বিক্রির জন্য পাঠাতাম। এবার পদ্মা সেতু দিয়ে দক্ষিণের শরীয়তপুর, মাদারীপুর, বরিশাল- এসব জেলায় কাঁঠাল পাঠাব। সেখানকার কয়েক ফলের আড়তদার যোগাযোগ করছেন। লালমনিরহাট জেলার কৃষি কর্মকর্তা হামিদুর রহমান জানান, জেলায় এখন সকল ধরনের ফল চাষ হয়। দেশী ফলের পাশাপাশি এখন বিদেশী প্রায় সকল ধরনের ফল চাষ হয়। কমলা, মালটা, আপেল, স্ট্রবেরি, ড্রাগন প্রভৃতি। এই জেলায় বড়ই, লিচু, পেয়ারা, পেঁপে, আম, কাঁঠাল, লটকন, জাম, কলা প্রভৃতি ফল বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলে নিñিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী
নিজস্ব সংবাদদাতা, মাদারীপুর ॥ আজ ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সফল করতে মাদারীপুরের শিবচরের ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী বাংলাবাজার ঘাটে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিñিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে। পুলিশ, র‌্যাবসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। শুক্রবার সকালে জনসভাস্থল প

The Daily Janakantha website developed by BIKIRAN.COM

Source: জনকন্ঠ

সম্পর্কিত সংবাদ
ওয়ালটন ডেভেলপমেন্ট কাপ নারী হকি প্রতিযোগিতা চলতি মাসে

ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের আয়োজনে চলতি মাসে (আগস্ট) শুরু হতে যাচ্ছে ‘ওয়ালটন ডেভেলপমেন্ট কাপ নারী Read more

পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

নাটোরের লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার কৃষ্ণ রামপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

হচ্ছে না ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচ

গত বছর আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের মধ্যে স্থগিত হওয়া বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ নতুন করে হবে না। মঙ্গলবার আর্জেন্টাইন ফুটবল ফেডারেশন (এএফএ) Read more

কুমিল্লায় গাড়ির ধাক্কায় তিন এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গাড়ির ধাক্কায় তিন মাদ্রাসাছাত্র নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ছুপুয়া ইউটার্ন Read more

অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার শক্তি বাংলাদেশের আছে: আইএমএফ

অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার শক্তি বাংলাদেশের আছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। 

প্রাক্তন স্বামীকে বিয়েতে নিমন্ত্রণ করবেন তিয়াসা

ভারতীয় টিভি সিরিয়ালের জনপ্রিয় মুখ তিয়াসা লেপচা। ‘কৃষ্ণকৃলি’ ধারাবাহিকে শ্যামা চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ পরিচিতি লাভ করেন।

আমরা নিরপেক্ষ নই ,    জনতার পক্ষে - অন্যায়ের বিপক্ষে ।    গণমাধ্যমের এ সংগ্রামে -    প্রকাশ্যে বলি ও লিখি ।   

NewsClub.in আমাদের ভারতীয় সহযোগী মাধ্যমটি দেখুন