By: Daily Janakantha

বানভাসিদের আর্তনাদ দীর্ঘ হচ্ছে

প্রথম পাতা

22 Jun 2022
22 Jun 2022

Daily Janakantha

সালাম মশরুর, সিলেট অফিস ॥ বন্যার পানি একদিকে কমছে, অন্যদিকে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। খুব সহসা বন্যার কবল থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বানভাসিদের আর্তনাদ দীর্ঘ হচ্ছে। নৌকা ট্রলারসহ জলযানের তীব্র সঙ্কট বন্যাকবলিতদের উদ্ধার তৎপরতাকে বাধাগ্রস্ত করছে। স্থানীয় নৌকা মালিকরা সিন্ডিকেট করে মানুষকে জিম্মি করে টাকা আদায় করছে। স্থানীয় পর্যায়ে নৌকা মালিকদের অমানবিক আচরণ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রশাসনিকভাবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে এখনই তাদের লাগাম টেনে ধরা প্রয়োজন। স্থানীয় নৌকা মালিকদের অধিকহারে ভাড়া আদায়ের কারণে বিভিন্ন স্থান থেকে বেসরকারী পর্যায়ে ত্রাণ বিতরণকারীরা যথাযথভাবে দুর্গতদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। ত্রাণ বিতরণকারীরা নগরী থেকে বন্যাকবলিত এলাকা যেখানে সহজ যাতায়াত রয়েছে সেখানে গিয়ে ত্রাণ বিতরণ করে আসছেন। নিজেদের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দুর্গম এলাকায় যেতে পারছেন না। জেলার অসংখ্য মানুষ পানিবন্দী রয়েছেন। সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও বিজিবির উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এখনও জেলার দুর্গম অনেক এলাকায় ত্রাণ পৌঁছেনি। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় দুর্গম এলাকার দুর্গত মানুষদের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মঙ্গলবার দিনভর বৃষ্টি না হলেও রাতে বৃষ্টি হয়েছে। বুধবার সকাল ভাগে বৃষ্টি হয়েছে। দিনের আকাশে মেঘ থাকলেও রোদ্র ছিল পুরো বেলা জুড়ে। পানি কমছে সিলেট সদর উত্তর কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর উপজেলা থেকে। কিন্তু নদী নালা হাওড়ের উপচেপড়া পানি থেকে যেটুকু নামছে তাতে অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। কিছু কিছু এলাকায় জেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষকারী সড়ক থেকে পানি নেমে গেছে তবে অধিকাংশ এলাকা এখনও নিমজ্জিত রয়েছে। সিলেটের কয়েকটি উপজেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল নতুন করে প্লাবিত হয়েছে।
নগরীর তালতলা, মির্জাজাঙ্গাল, লামাবাজার, কুয়ারপাড়, লালাদীঘির পাড়, শিবগঞ্জ, তেররতন, শাহজালাল উপশহর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে- এসব এলাকায় পানি আগের অবস্থানে রয়েছে। বন্যাকবলিত নগরীর বাসিন্দারা বিশুদ্ধ পানির সঙ্কটে রয়েছেন। তবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা ট্যাঙ্ক বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার সামনে এবং আশ্রয়কেন্দ্রের সামনে অবস্থান করতে দেখা গেছে। নগরীর শাহজালাল উপশহর এলাকায় পানি কিছুটা নামলেও সেখানে নৌকা চলাচল করছে।
৩ দিনের মাথায় ভেসে উঠল লাশ ॥ জৈন্তাপুরে নিখোঁজের ৩ দিনের মাথায় সারী নদীতে ভেঁসে উঠল নিখোঁজ বিলালের লাশ। বুধবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় স্থানীয় নৌকা শ্রমিকরা সারী নদীর কামরাঙ্গী স্কুল ঘাট এলাকায় একটি লাশ বস্ত্রহীন ভেঁসে থাকতে দেখে বিষয়টি স্থানীয়দের জানান। পানিতে ভাসমান লাশটি চারিকাট ইউনিয়নের দক্ষিণ কামরাঙ্গীখেল গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহিব মিয়ার ছেলে ৪ সন্তানের জনক বিলাল আহমদের (৪০)। খবর পেয়ে নিখোঁজের পরিবারসহ এলাকাবাসী নদীর পাড়ে ছুটে আসেন এবং লাশটি বিলালের বলে শনাক্ত করেন। এলাকাবাসী জানান, গত ১৯ জুন রবিবার রাত হতে দক্ষিণ কামরাঙ্গীখেল গ্রামের বিলাল আহমদ (৪০) নিখোঁজ হন। জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম দস্তগীর আহমদ বলেন, সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল তৈরি করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে।
চিড়া ও মুড়ির দাম দ্বিগুণ ॥ বন্যায় সিলেটে চিড়া ও মুড়ির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। বেড়েছে গুড়, বোতলজাত পানির দামও। অনেক ক্ষেত্রে বেশি দামেও মিলছে না এসব পণ্য। বন্যায় আক্রান্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের জন্য চিড়া, মুড়ি ও গুড়ের চাহিদা বেড়েছে। সরকারী-বেসরকারী ও ব্যক্তি উদ্যোগে সিলেটে এসব শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। চাহিদা বাড়ার ফলে এসব পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এই সুযোগে দাম প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ব্যবসায়ীরা সহযোগিতার বদলে আরও দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। প্রতি কেজি চিড়া ৭২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহেও ছিল ৪০ টাকা। আর গত সপ্তাহে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মুড়ির দাম এখন হয়ে গেছে ১২০ টাকা। এছাড়া গুড় প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। আগের সপ্তাহে যা বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বেশি দামে কিনে আনা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ সঙ্কট এবং বন্যায় পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় পণ্যমূল্যও বেড়েছে।
৩ হাজার ১৮৯টি গবাদিপশু মারা গেছে ॥ গ্রাম এলাকায় অনেকের কাছে গরু ছাগলই বড় সম্বল। কিন্তু ইতোমধ্যে অনেকেই এই সম্বলটুকু হারিয়ে ফেলেছেন। সিলেটে চলমান বন্যায় প্রাণিসম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যায় আক্রান্ত হয়ে অনেক এলাকায় গরু ছাগল মহিষ হাঁস-মুরগির প্রাণহানি হয়েছে। পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত বন্যার পানিতে সিলেট জেলায় হাঁস-মুরগিসহ তিন হাজারের বেশি গবাদিপশু মারা গেছে। আর ডুবে গেছে গবাদিপশুর ৭১০টি খামার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পানি কমলে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে। বন্যায় হালের গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি ভেসে চোখের সামনে। যেখানে ঘরের আসবাবপত্র ভেসে গেছে। কিছুই রক্ষা করা যায়নি। সেখানে গবাদি পশুর মায়া ত্যাগ করতে হয়েছে বাধ্য হয়ে। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের হিসেব অনুযায়ী, পানির তোড়ে ভেসে গিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ১৮৯টি গবাদিপশু মারা গেছে। আর জেলা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় সিলেট জেলায় ৭১০টি খামার ডুবে গেছে। পানিতে ভেসে গেছে ১ হাজার ৯৯১ টন খড় ও ২ হাজার ৯৫৯ টন ঘাস। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত জেলায় প্রাণিসম্পদের ক্ষতির পরিমাণ ১১ কোটি ৬৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। চলমান বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা। তবে এ উপজেলার ক্ষয়ক্ষতির কোন তথ্য নেই প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কাছে। অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, পানিতে উপজেলা পরিষদ ভবন তলিয়ে যাওয়া, বিদ্যুত ও মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় এই উপজেলার তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সিলেটের পরিচালক ড. মোঃ জাকির হোসেন বলেন, ‘এই ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও পুরো জেলায় গো-খাদ্যের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। গোচারণ ভূমি পানিতে তলিয়ে গেছে। সহজেই এ সঙ্কট কাটবে না। ‘গত শুক্রবার বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে বন্যা নিয়ে জরুরী সভায়ও গো-খাদ্যের ব্যবস্থা করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। আমরাও মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনও পাওয়া যায়নি। মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় সুনামগঞ্জের সঙ্গে আমরা কোন যোগাযোগই করতে পারছি না। একই অবস্থা সিলেটের কোম্পানীগঞ্জেরও। পানি সম্পূর্ণ নেমে গেলে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যাবে।’ এই অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় সোমবার পর্যন্ত ২২টি গরু মারা গেছে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ১১টি, জৈন্তাপুরে ৪টি ও গোয়াইনঘাটে ৭টি। মহিষ মারা গেছে ৭টি। সবগুলোই গোয়াইনঘাটে। ছাগল মারা গেছে ২১টি। এরমধ্যে ২টি জৈন্তাপুরে ও ১৯টি গোয়াইনঘাটে। বন্যায় এ পর্যন্ত ভেড়া মারা গেছে ১৩টি। এরমধ্যে কানাইঘাটে ৩টি, গোয়াইনঘাট ৮টি ও জৈন্তাপুরে ২টি। বন্যায় সবচেয়ে বেশি মারা গেছে মুরগি। এ পর্যন্ত এর সংখ্যা ২ হাজার ৭১৫। হাঁস মারা গেছে মোট ৩৯১টি। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আপাতত বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া গবাদিপশুকে চিকিৎসা দিচ্ছি। পানি নেমে গেলে যাতে সংক্রামক রোগ দেখা না দেয়, এজন্য ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্লাবিত এলাকায় গো-খাদ্য সরবরাহেরও চেষ্টা করছি আমরা।’
সুনামগঞ্জে বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট ॥ অতি বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে সুরমা নদীসহ সকল শাখা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিতীয় দফা বন্যায় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভাটি অঞ্চল সুনামগঞ্জ। শহরের ৯০ ভাগ এলাকা থেকে পানি নেমে গেছে। তবে জেলার বিভিন্ন উপজেলার অধিকাংশ এলাকা এখনও বানের পানিতে তলিয়ে আছে। স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় পৌর সদরসহ জেলার ৬টি উপজেলাই পানিবন্দী হয়ে পড়ে। ৬ দিনের একটানা বন্যায় মানুষ, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, খাদ্যশস্য, গোখাদ্যসহ কাঁচা আধাপাকা বসতবাড়ি সব কিছুই বানের জলে তলিয়ে যায়। পাহাড়ী ঢল ও টানা বর্ষণে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা, দোয়ারাবাজার, ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ সদর, দিরাই ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বন্যাপ্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ী ঢলের কারণে জেলার দোয়ারাবাজার, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, ধর্মপাশা ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। জেলায় আড়াইশ’রও বেশি হাওড়ের ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে পানি ঢোকায় তড়িঘড়ি করে ধান কেটে নিয়েছিলেন যেসব কৃষক, তারাও হয়েছিলেন নতুন বিপদের সম্মুখীন। অনেকের গোলার ধান পানিতে ভেসে গেছে।
লাশ দাফনের শুকনো জায়গা নেই ॥ চারদিকে অথৈ পানি। কোথাও লাশ দাফন করার শুকনো জায়গাটুকুও নেই। বাধ্য হয়ে মায়ের লাশ কলার ভেলায় ভাসিয়ে দিয়েছেন ছেলে। কিন্তু দাফন তো হতে হবে মায়ের। তাই লাশের সঙ্গে তিনি চিরকুট লিখে দেন। তাতে লেখা– ‘শুকনো জায়গায় মাকে কবর দিও’। ভেলায় লাশ ভাসিয়ে মৃতের পরিবারের সদস্যরা নীরবে চোখের জল ফেলেন। তাদের আশা, কোন সহৃদয় ব্যক্তি লাশ পাওয়ার পর দাফনের ব্যবস্থা করবেন।
শান্তিগঞ্জে পুলিশের খাবার বিতরণ ॥ সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগ ও বিভিন্ন সংস্থার সহায়তায় ৬ শত বন্যার্ত মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে শান্তিগঞ্জ উপজেলার টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে বন্যাকবলিত আশ্রয় কেন্দ্রে ৬ শত বন্যার্ত মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার ও শুকনো ত্রাণ খাবার বিতরণ করেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ মফিজ উদ্দিন আহমেদ পিপিএম, বিপিএম।

The Daily Janakantha website developed by BIKIRAN.COM

Source: জনকন্ঠ

সম্পর্কিত সংবাদ
‘১৭ কর্নার থেকে গোল না পাওয়া দুঃখজনক’

‘১৭ কর্নার থেকে গোল না পাওয়া দুঃখজনক’ খেলার খবর 28 Jun 2022 28 Jun 2022 Daily Janakantha স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ Read more

মোহামেডানের কাছে হার শেখ জামালের

মোহামেডানের কাছে হার শেখ জামালের খেলার খবর 28 Jun 2022 28 Jun 2022 Daily Janakantha স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার Read more

অনিয়ম চলবে না ॥ পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় কঠোর অবস্থান

অনিয়ম চলবে না ॥ পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় কঠোর অবস্থান প্রথম পাতা 27 Jun 2022 27 Jun 2022 Daily Janakantha জনকণ্ঠ Read more

’৫৭ সালের মধ্যেই পদ্মা সেতুর অর্থ উঠে আসবে

’৫৭ সালের মধ্যেই পদ্মা সেতুর অর্থ উঠে আসবে প্রথম পাতা 27 Jun 2022 27 Jun 2022 Daily Janakantha সংসদ রিপোর্টার Read more

তিন জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে টহল জোরদারের নির্দেশ

তিন জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে টহল জোরদারের নির্দেশ প্রথম পাতা 27 Jun 2022 27 Jun 2022 Daily Janakantha শংকর কুমার Read more

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষা সাগর 28 Jun 2022 28 Jun 2022 Daily Janakantha প্রাক্তন শিক্ষক ম্যাপেললিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ঢাকা Read more

আমরা নিরপেক্ষ নই ,    জনতার পক্ষে - অন্যায়ের বিপক্ষে ।    গণমাধ্যমের এ সংগ্রামে -    প্রকাশ্যে বলি ও লিখি ।   

NewsClub.in আমাদের ভারতীয় সহযোগী মাধ্যমটি দেখুন