By: Daily Janakantha

যোগাযোগে জাতির জন্য আশীর্বাদ হবে পদ্মা সেতু

প্রথম পাতা

19 Jun 2022
19 Jun 2022

Daily Janakantha

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে উদ্ধার, চিকিৎসা, ত্রাণ সহায়তা প্রদানে সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়ে বলেছেন, মানুষের যাতে কষ্ট না হয় তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির প্রতিনিয়ত খবর রাখছি এবং এই পরিস্থিতি মোকাবেলার সব ধরনের প্রস্তুতি তাঁর সরকারের রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, পদ্মা সেতুটি বন্যার এই প্রেক্ষাপটে সহজ যোগাযোগের ক্ষেত্রে জাতির জন্য একটি আশীর্বাদ হবে, কারণ সরকার এটি ২৫ জুন উদ্বোধন করতে যাচ্ছে। ২৫ তারিখে পদ্মা সেতু আমরা উদ্বোধন করব ইনশাআল্লাহ এবং এই উদ্বোধনের পরে এটাও আল্লাহর একটা আশীর্বাদ হবে। কেননা দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগটা আমরা অব্যাহত রাখতে পারব।
রবিবার তাঁর কার্যালয়ে (পিএমও) শাপলা হলে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনা ক্রীড়াবিদদের মাঝে সম্মাননার চেক বিতরণকালে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর উদ্বোধন প্রসঙ্গে আরও বলেন, আমি মনে করি পদ্মা সেতু এমন একটা সময় উদ্বোধন করতে যাচ্ছি যখন বন্যা শুরু হয়ে গেছে এবং এই বন্যা কিন্তু দক্ষিণাঞ্চলেও যাবে।
তিনি বলেন, সে সময় পণ্য পরিবহন, বন্যা মোকাবেলা, বন্যার সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সহযোগিতা করার একটা বিরাট সুযোগ আমাদের আসবে। বন্যার্তদের রিলিফ দেয়া থেকে ওষুধ সরবরাহ এবং খাদ্য সরবরাহের বিষয়টি আরও সহজ হবে। ’৮৮ সালের বন্যায় গোপালগঞ্জে আটকা পড়ার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তখন এরকম পদ্মা সেতু থাকলে সহজেই চলে আসা সম্ভব ছিল। তিনি ’৯৮ সালে বাংলাদেশের সব থেকে ভয়াবহ এবং দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ঠিক সেই বন্যার আগেই আমরা যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু উদ্বোধন করেছিলাম। আর সেটা করেছিলাম বলেই উত্তরবঙ্গ থেকে পণ্য পরিবহনসহ সকল কাজের সুবিধা হয়।
সিলেট, সুনামগঞ্জসহ কয়েকটি এলাকায় বন্যার কারণে সারাদেশের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করার কথাও অনুষ্ঠানে জানান সরকার প্রধান। ১০/১২ বছর পরপর দেশে বড় আকারের একটা বন্যা দেখা দেয় বলে তাঁর অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাইকে অনেক আগে থেকেই সতর্ক করেছিলাম, আমাদের সরকারের যারা তাদের সবাইকে বলেছিলাম, এবারে বন্যাটা একটু বৃহৎ আকারে আসবে। কাজেই সবাইকে আগে থেকেই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। কাজেই আমাদের প্রস্তুতি কিন্তু আছে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাফ-২০২১ চ্যাম্পিয়ন মহিলা অনুর্ধ-১৯ জাতীয় ফুটবল দলের ৩৩ সদস্যসহ মোট ৮৮ জন ক্রীড়াবিদকে আর্থিক সম্মাননা প্রদান করা হয়। অন্যান্য ৫৫ খেলোয়াড়ের মধ্যে মুজিববর্ষ ফিফা আন্তর্জাতিক ফুটবল সিরিজ ২০২০-এর ৩৩ জন এবং বঙ্গবন্ধু চার জাতি ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২২-এর বিজয়ী ২২ খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সাফ-২০২১ চ্যাম্পিয়ন মহিলা অনুর্ধ-১৯ জাতীয় ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন মারিয়া মান্দা, খেলোয়াড় মনিকা চাকমা এবং প্রধান প্রশিক্ষক গোলাম রব্বানী ছোটন, বাংলাদেশ শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন ফয়সাল খান এবং বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন জামাল ভূঁইয়ার হাতে আর্থিক সম্মানীর চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানের শুরুতে তিন শ্রেণীর ক্রীড়া দলের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি (বাফুফে) কাজী মোঃ সালাহউদ্দিন, মহিলা অনুর্ধ-১৯ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক মারিয়া মান্দা এবং বাংলাদেশ শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ফয়সাল খান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা রাখেন। স্বাগত বক্তৃতা রাখেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম।
দেশের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির প্রতিনিয়ত খবর রাখছেন এবং এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাঁর সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। একদিকে যেমন করোনার প্রাদুর্ভাব ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে অপরদিকে সিলেট এবং সুনামগঞ্জে ব্যাপক বন্যা। এবারের বন্যাটা একটু বেশিই ব্যাপক হারে এসেছে। যার প্রতিনিয়ত খবর রাখছি।
বন্যায় ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী থেকে শুরু করে আমাদের অন্য সকল প্রতিষ্ঠাকেই মানুষকে উদ্ধার করা, তাদের ত্রাণ দেয়া থেকে শুরু করে সব সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত করেছেন। সেইসঙ্গে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ প্রতিটি সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও বিভিন্ন এলাকায় সহযোগিতা করছেন। খাবার বিতরণ থেকে শুরু করে উদ্ধার কাজে অংশ নিচ্ছেন। এর পাশাপাশি স্যালাইনের ব্যবস্থা, সুপেয় পানির ব্যবস্থাসহ অন্যান্য যা যা দরকার হতে পারে তার জন্য প্রস্তুতিও সরকার নিয়েছে।
পানিটা নামার সময় দেশের দক্ষিণাঞ্চল প্লাবিত হয়ে যায় দেশের বন্যার এই চিত্র ছোটবেলা থেকেই দেখে এসেছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পানিটা আজকে থেকে একটু নামতে শুরু করেছে সুনামগঞ্জ থেকে। কিন্তু পানিটা যখন নামবে তখন আমাদের অন্যান্য অঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করবে। এটা আমাদের প্রাকৃতিক নিয়ম। কাজেই আমাদের বিশেষ করে ময়মনসিংহ বিভাগ, রংপুর বিভাগেও সে সম্ভাবনা রয়েছে। সেটা আগে থেকেই সতর্কতা আমরা নিচ্ছি এবং সেই ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। পানি নিষ্কাশনের জন্য যা যা করণীয় আমরা সেটাও করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, আবার এই পানি যখন নামবে কোন না কোন অঞ্চল যখন প্লাবিত হবে। ঠিক শ্রাবণ মাস পর্যন্ত থাকবে আবার শ্রাবণ থেকে ভাদ্র পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চল প্লাবিত হবে। বাংলাদেশের যদি আমরা প্রাকৃতিক পরিবেশটা দীর্ঘদিন থেকে দেখি এটাই হচ্ছে নিয়ম, এটা হবে। যখন এ রকম বন্যা আসে পানি এভাবে প্লাবিত করে। তাই মানুষের যাতে কষ্ট না হয় তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা তাঁর সরকার নিচ্ছে।
বিশ্বের অন্যতম খরস্রোতা নদী পদ্মায় সেতু নির্মাণ করতে গিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আসা নানা বাধা ও সেগুলো সফলভাবে মোকাবেলা করার কথাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকটা নিজে সিদ্ধান্ত নিয়েই বলেছি যে আমরা নিজেদের টাকায় এই সেতু করব। অর্থাৎ বাংলাদেশ যে পারে, কারও কাছে হাত পেতে নয়, ভিক্ষা চেয়ে নয়, নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে। সেটা আমরা করে দেখিয়েছি। কাজেই আমরা মাথা উঁচু করে বিশ্ব দরবারে চলব। কারণ আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি। আমরা বিজয়ী জাতি এবং বিজয়ী জাতি হিসেবেই বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলব।
করোনা এবং দেশের বন্যা পরিস্থিতির জন্য বর্তমান সময়কে একটু অস্বাভাবিক উল্লেখ করে কৃতী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা দিতে পারার বিষয়টা সব সময়ই আনন্দের বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্যায় নদীগুলো আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠলে প্লাবিত দক্ষিণাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাঁর সরকার উত্তরাঞ্চল থেকে সুবিধাটা পায়। যার ফলে বন্যাটা সফলভাবে মোকাবেলা সম্ভব হয়।
প্রধানমন্ত্রী অতীতের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে বলেন, সে সময় বিবিসি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রচার ছিল- সে বন্যায় প্রায় দুই কোটি লোক না খেতে পেয়ে মারা যাবে। কিন্তু তাঁর সরকার বলেছিল, ‘একজন মানুষকেও তাঁর সরকার না খেয়ে মরতে দেবে না’ এবং সেটা সম্ভব হয়েছিল। আর এই কাজে সেই সেতুটা (বঙ্গবন্ধু সেতু) তখন বিরাট কাজে এসেছিল।
খেলাধুলাকে এগিয়ে নেয়ার মাধ্যমে দেশে বিশ্বমানের ক্রীড়াবিদ তৈরিতে তাঁর সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্যাও আমরা মোকাবেলা করব এবং খেলাধুলাও আমাদের চলবে। সবই আমাদের চলবে। এটাই আমাদের জীবন, এটাকেই মেনে নিতে হবে। এটাই বাস্তব এবং বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়েই আমাদের চলতে হবে এবং বিশ্ব সভায় আমরা মাথা উঁচু করেই চলব। তিনি বলেন, খেলার মাঠে সব সময় চিন্তায় রাখতে হবে আমরা যুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি আমরা বিজয়ী জাতি। হার-জিত খেলায় আছে এটা ঠিক, কিন্তু মাথায় এটা রাখতে হবে যে আমাকে জিততে হবে।
প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শিল্প প্রতিষ্ঠানকে খেলাধুলার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের নানারকম স্পন্সরশিপ, স্কলারশিপ এবং চাকরির সুযোগ করে দেয়ার মাধ্যমে খেলাধুলায় পৃষ্ঠপোষকতায় সরকারের পাশাপাশি তাদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, খালি ব্যবসা করবেন আর ইন্ডাস্ট্রি করবেন আর পয়সা বানাবেন সেটা তো হয় না। দেশের জন্য তো করতে হবে। এটাই আমি চাই। আমার মনে হয় এই মেসেজটা আমাদের ব্যবসায়ীদের দিয়ে দেয়া উচিত।
শেখ হাসিনা বলেন, তাদের (খেলোয়াড়) যদি তারা একটা এ্যাপয়েনমেন্ট দিয়ে রেখে দেয় তাহলে খেলাধুলার দিকে সম্পূর্ণভাবে মনোযোগ দিতে পারে। জীবন-জীবিকার কথা চিন্তা করার প্রয়োজন হয় না। বেসরকারী খাতে সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, যত আমরা সহযোগিতা করব তত উৎকর্ষতা বাড়বে। যারা খেলবে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে তাদের জীবন-জীবিকার সুযোগটাও আমাদের করে দিতে হবে। আমি এটাই বিশ্বাস করি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলোয়াড়রা কেবল খেলাধুলাই করবে এবং দেশে যত বেশি ক্লাব হবে, যত বেশি প্রতিযোগিতা হবে খেলাধুলায় তত বেশি উৎকর্ষতা বাড়বে। সেই ধরনের পরিবেশ আমাদের গড়ে তুলতে হবে। গ্রামীণ খেলাধুলার প্রচার এবং প্রসারে আরও জোর দেয়ার জন্য তাঁর সরকার ইতোমধ্যে বাংলাদেশ কান্ট্রি গেমস এ্যাসোসিয়েশনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। তিনি এ সময় সারাদেশের উপজেলা পর্যায়ে নির্মাণাধীন মিনি স্টেডিয়ামের কাজ আরও দ্রুত সম্পন্ন করার জন্যও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন। যেসব জায়গায় স্টেডিয়াম নির্মাণে জমি পাওয়া যাবে না সেখানে জমি কিনেও প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে বলেন তিনি।
শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের জন্য বয়ে আনা বিভিন্ন সাফল্যের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধীদের এক সময় বোঝা মনে করা হলেও তাঁরা সুযোগ পেলে যে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে পারে তারা আজকে তা প্রমাণ করেছেন। তারা প্রমাণ করেছেন যে, তারা আমাদের সম্পদ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতি ঘরে বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে এবং তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে তাঁর সরকার দেশকে এদিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। দেশের একজন মানুষও যেন আর গৃহহীন না থাকে সেজন্য সকল গৃহহীন-ভূমিহীনকে ঘর করে দিচ্ছে। উন্নয়নের এই গতি করোনাভাইরাসকালীন কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়, কেননা সমগ্র বিশ্বেই এর প্রভাব পড়ে। কিন্তু বাংলাদেশ থেমে থাকেনি, এগিয়ে গেছে। জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণের সেই অমোঘ মন্ত্র ‘আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবানা’ স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, কেউ আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারেনি এবং পারবেও না।

The Daily Janakantha website developed by BIKIRAN.COM

Source: জনকন্ঠ

সম্পর্কিত সংবাদ
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি -শ্রেণি : সপ্তম -অধ্যায় : প্রথম (প্রাত্যহিক জীবনে আইসিটি)

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি -শ্রেণি : সপ্তম -অধ্যায় : প্রথম (প্রাত্যহিক জীবনে আইসিটি) শিক্ষা সাগর 27 Jun 2022 27 Jun Read more

বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস ॥ স্বপ্নের পদ্মা সেতু পাড়ি দিতে ঢল

বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস ॥ স্বপ্নের পদ্মা সেতু পাড়ি দিতে ঢল প্রথম পাতা 26 Jun 2022 26 Jun 2022 Daily Janakantha জনকণ্ঠ Read more

নাচ-গানের যুগলবন্দীতে গীতিআলেখ্য উৎসব

নাচ-গানের যুগলবন্দীতে গীতিআলেখ্য উৎসব শেষের পাতা 26 Jun 2022 26 Jun 2022 Daily Janakantha সংস্কৃতি প্রতিবেদক ॥ বিকেলটা ছিল এক Read more

ইতিহাসের সাক্ষী: ইউক্রেনে ১৯৩০-এর দশকের যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে মারা যায় লক্ষ লক্ষ মানুষ

ইউক্রেনে ১৯৩৩ সালের বসন্তকালে এমন এক দুর্ভিক্ষ হয়েছিল যাতে মারা গিয়েছিল লক্ষ লক্ষ মানুষ। মারিয়া ভলকোভা সে সময় ছিলেন স্কুলের Read more

পদ্মা সেতুর প্রথম লেডি বাইকার রুবায়াত রুবা

পদ্মা সেতুর প্রথম লেডি বাইকার রুবায়াত রুবা প্রথম পাতা 26 Jun 2022 26 Jun 2022 Daily Janakantha জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ Read more

দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে তৈরি হও

দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে তৈরি হও প্রথম পাতা 26 Jun 2022 26 Jun 2022 Daily Janakantha বিশেষ প্রতিনিধি ॥ Read more

আমরা নিরপেক্ষ নই ,    জনতার পক্ষে - অন্যায়ের বিপক্ষে ।    গণমাধ্যমের এ সংগ্রামে -    প্রকাশ্যে বলি ও লিখি ।   

NewsClub.in আমাদের ভারতীয় সহযোগী মাধ্যমটি দেখুন