By: Daily Janakantha

বাজেট জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী

উপ-সম্পাদকীয়

16 Jun 2022
16 Jun 2022

Daily Janakantha

গত ৯ জুন জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট পেশ করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের এটি ৫২তম জাতীয় বাজেট। বাজেটে ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয় ৬৭৮,০৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৫.১৮%। বিভিন্ন কারণেই এবারের বাজেট ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। করোনা মহামারীর কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দাবস্থা থেকে দেশকে উত্তরণের পাথেয় হিসেবে কাজ করতে পারে এবারের জাতীয় বাজেট। বাজেটের বিভিন্ন গণমুখী উদ্যোগের দিকে খেয়াল করলে বিষয়টি অনুধাবন করা যায়। এবারের বাজেটের সবচেয়ে বড় চমক সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালুর ঘোষণা, যা জনগণের মধ্যে বাড়তি আশার সঞ্চার করেছে। বাংলাদেশ সরকার ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকেই সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করার ঘোষণা দিয়েছে এবং এ লক্ষ্যে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা ২০২২ নীতিমালা প্রণয়নের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও আয়ের বৈষম্য দূর করার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ ব্যাপক অবদান রাখবে আশা করা যায়। এবারের বাজেটকে বলা হচ্ছে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিতকরণের বাজেট। দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ৫০০০ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে। ভর্তুকির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮২৭৪৫ কোটি টাকা যা গ্রাহক পর্যায়ে জ্বালানি প্রাকৃতিক গ্যাস, বিদ্যুত ও সারের মূল্যবৃদ্ধি প্রশমনে কার্যকর হবে। পূর্বেই বলা হয়েছে, এবারের বাজেট অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ, এর পিছনে সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপট। বিগত দুই বছর বাংলাদেশের অর্থনীতিকে করোনা মহামারীর ধকল সামলাতে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে, বিগত বাজেট দুটিকে বলা যেতে পারে সঙ্কটকালীন বাজেট। মানুষের জীবন ও জীবিকার মধ্যে ভারসাম্য সাধনের ক্ষেত্রে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো যথেষ্ট কাজে দিয়েছে, যার ফলাফল এখন প্রতীয়মান। পুরো বিশ্বেই করোনা মহামারী মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। এক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে ধরা হচ্ছে আদর্শ। দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষকে ইতোমধ্যেই করোনার ভ্যাকসিন প্রদান করেছে সরকার। টিকা সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারের তৎপরতা ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ যথেষ্ট প্রশংসার দাবি রাখে। সেই সঙ্গে করোনা মহামারী নিয়ে আসে মানুষের অর্থনৈতিক দুর্গতি যা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার ব্যাপকভিত্তিক ত্রাণ কার্যক্রম গ্রহণ করে। দেশের প্রায় ১.৫ কোটি মানুষকে সরাসরি খাদ্য সহযোগিতা প্রদান করা হয়। সেইসঙ্গে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় প্রায় ৫৬ লাখ পরিবারকে।
করোনা মহামারীর সময় সরকার মানুষের জীবন রক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করায় লকডাউনের মতো কার্যক্রম দিতে সরকার বাধ্য হয়, যার ফলস্বরূপ ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি স্তিমিত হয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও সৃষ্টি হয় সঙ্কট। দেশের সবচেয়ে বড় রফতানি খাত পোশাকশিল্পের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ধাক্কা ছিল ২০২০ এর শুরুতে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের অর্ডার প্রত্যাহার। এমন অবস্থায় ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি স্বাভাবিক করতে ৭৩ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়, যা পরবর্তীতে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। সেই সঙ্গে লকডাউন চলাকালীন ব্যবসায়িক ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বিলম্বের সুযোগ দেয়া হয়। গৃহীত এসব পদক্ষেপের ফলস্বরূপ ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত আগের গতিতে ফেরা শুরু করে। ২০২০-২১ অর্থবছরে যেখানে রফতানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৩৯ বিলিয়ন ডলার, যা এর বিগত সময়ের চেয়ে প্রায় ১৫% বেশি, প্রবাসীদের প্রদত্ত রেমিটেন্সের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার, যা বিগত সময়ের চেয়ে ৩৬% বেশি। অর্থনীতি যে দ্রুত আগের ধারায় ফিরছে তা এখন দৃশ্যমান। করোনা সঙ্কটের সময় সবচেয়ে বেশি স্থিতিস্থাপক ছিল দেশের কৃষিখাত। সরকারের কৃষি অনুকূল নীতি ও কৌশল গ্রহণের ফলে কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। দেশজ কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কৃষকদের সহায়তা প্রদানের জন্য সার ও অন্যান্য কৃষিকার্যক্রমের জন্য ভর্তুকি বাবদ বিগত বাজেটে ৯৫০০ কোটি বরাদ্দ রাখা হয়। কৃষি গবেষণা কাউন্সিলকে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করার মাধ্যমে কৃষি গবেষণাকে মূল্যায়ন ও উৎসাহ প্রদান করা হয়। সঙ্কট উত্তরণের মাধ্যমে খুব দ্রুত দেশকে ৬.৯৪% জিডিপির প্রবৃদ্ধির ধারায় ফেরাতে সক্ষম হয় সরকার। সময় এখন ঘুরে দাঁড়ানোর এবং এগিয়ে যাওয়ার। এই এগিয়ে যাওয়ার ধারার প্রথম বাজেট ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট। এই বাজেটে গণমুখী বিভিন্ন বিষয়ে বরাদ্দ রাখার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীতে এবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৭.৫%। বিভিন্ন খাতের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে কৃষি পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে ২০% ভর্তুকি প্রদান, জমি সেচের জন্য ব্যবহৃত বিদ্যুতের বিল ২০% হ্রাস, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব, যা একই সঙ্গে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। টেকসই উন্নয়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে সরকার পয়ঃনিষ্কাশন সামগ্রী আমদানির ওপর শুল্ক ২৫% থেকে কমিয়ে ৫% করেছে। সরকার এবারের বাজেটে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ এজেন্ডাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। এ লক্ষ্যে দেশজ লৌহ শিল্পের উৎপাদনকে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে লোহার পাত আমদানির ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মোটরগাড়ি আমদানি না করে উৎপাদনকে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। রফতানির ক্ষেত্রে বৈচিত্রায়ন উন্নয়নকে সবচেয়ে বেশি ত্বরান্বিত করতে পারে। পোশাকশিল্পের পাশাপাশি আরও কিছু পণ্যকে রফতানিমুখী করার জন্য এসব শিল্পপণ্যকে মূল্য সংযোজন করের আওতার বাইরে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে অটোমোবাইল খাত। অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডিংয়ে আরও সমৃদ্ধ করবে। দেশের অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধিকল্পে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ওপর ২.৫% আর্থিক প্রণোদনা দেয়া হয়েছে যাতে পাঠানো রেমিটেন্স বৈধ পথ দিয়ে আসে। রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিগত সময়ের চেয়ে আমদানি ব্যয় বহুগুণে বেড়েছে। যার চাপ কিছুটা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর পড়েছে। এক্ষেত্রে রেমিটেন্স বৃদ্ধির ওপর সর্বাধিক জোর দিতে হবে। বিশেষ করে বৈধ পথে রেমিটেন্সের প্রবাহ বৃদ্ধি করাটা জরুরী। এ লক্ষ্যে সরকার বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে। চলমান ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য হলো কর্মসংস্থান বৃদ্ধি। যা বাস্তবায়ন হলে রেমিটেন্স আহরণে বাংলাদেশ শীর্ষ তিনটি দেশের কাতারে চলে যাবে, এর ফলে দেশের মুদ্রামান বৃদ্ধি পাবে। সেই সঙ্গে সরকার বিদেশে পাচার হওয়া টাকা ও কালো টাকার বিষয়ে যথেষ্ট তৎপর হয়েছে। এক্ষেত্রে সাধারণ এ্যামনেস্টির বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। অতীতে কিছু দেশ পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে সাধারণ এ্যামনেস্টির মাধ্যমে বেশ লাভবান হয়েছে, এক্ষেত্রে তাদের দেশের ভিতরে মুদ্রার প্রবাহ বেড়েছে। এদেশের টাকার ওপর হক এদেশের মানুষের, কিছু অসৎ উদ্দেশ্য তাড়িত ব্যক্তির জন্য কিছু টাকা দেশের বাইরে পাচার হয়, যা ফেরত আনার ব্যাপারে বর্তমান সরকার শুরু থেকেই তৎপর ছিল, ইতোমধ্যে আরাফাত রহমান কোকো, গিয়াসউদ্দীন মামুনসহ বিভিন্ন ব্যক্তির দ্বারা পাচার হওয়া টাকা সরকার ফেরত আনতে সফল হয়েছে। বর্তমান বাজেটে বিষয়টিকে আরও জোর দেয়ার কারণে দেশের মুদ্রাবাজারে অর্থের প্রবাহ ব্যাপক গুণে বৃদ্ধি পাবে। দেশের জুয়েলারি শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির জন্য এবারের বাজেটে স্বর্ণ আমদানির ওপর পূর্বে যে ৫% অগ্রিম কর প্রদান করা লাগত তা উঠিয়ে নেয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, এর ফলে স্বর্ণ চোরাচালানের প্রবণতা ও পরিমাণ উভয়ই হ্রাস পাবে আশা করা যাচ্ছে। এই পদক্ষেপ জাতীয় রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধের দামামা বাজিয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেনের চলমান সংঘাত। বিশ্বের অন্যতম জ্বালানি রফতানিকারক দেশ রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে পুরো বিশ্বে জ্বালানিসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে মূল্যস্ফীতি গত ৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশ্বায়নের এই চেন রিএ্যাকশনের কারণে এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। এক্ষেত্রে সরকার যথেষ্ট সজাগ ও ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। জনগণকে কৃচ্ছ্রসাধনে উৎসাহ প্রদানের পাশাপাশি সরকারী ক্ষেত্রেও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদেশ ভ্রমণের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে, সেই বিলাসবহুল পণ্যসামগ্রী আমদানির ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ডলারের বিপরীতে টাকার মানের পতন এখন স্থিতিশীলতার পথে। গত কয়েক দিনে ডলারের বিপরীতে টাকার মান ০.৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এবারের জাতীয় বাজেটে চলমান বিষয়গুলোকে যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ভোগবিলাসের ক্ষেত্রে কৃচ্ছ্রসাধন। এক্ষেত্রে জনগণকেও সচেতন হতে হবে।
উন্নয়নের সঙ্গে সরকার টেকসই উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ইতোমধ্যেই সরকার ১২ বিলিয়ন ডলারের ১০টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত প্রকল্প নির্মাণের পরিকল্পনা বাদ দিয়েছে। বিনিয়োগ সৃষ্টি করতে হবে অবশ্যই পরিবেশকে সুরক্ষিত রেখেই। আগামী জাতীয় বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে। অর্থনীতির সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব খাত কৃষি খাতকে করতে হবে আরও বলিষ্ঠ। কৃষি খাতকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে পারে ‘গ্রাম পর্যটন’। অতএব কৃষিখাতে সরকার প্রদত্ত ভর্তুকি অব্যাহত রাখতে হবে। আগামী ২০২২-২৩ দেশের অর্থনীতিকে নতুনভাবে স্বপ্ন দেখাবে। এই আশা দেশের আপামর জনসাধারণের ইতোমধ্যে সরকার প্রমাণ করেছে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিদ্ধহস্ত। সেই প্রেরণাকে সঙ্গে নিয়ে সুষ্ঠু কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ এখন অবশ্যম্ভাবী।

লেখক : ট্রেজারার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

The Daily Janakantha website developed by BIKIRAN.COM

Source: জনকন্ঠ

সম্পর্কিত সংবাদ
আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘ছিটমহল’

আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘ছিটমহল’ সংস্কৃতি অঙ্গন 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha সংস্কৃতি ডেস্ক ॥ উপমহাদেশের ৬৮ বছরের Read more

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের করিডর

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের করিডর উপ-সম্পাদকীয় 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha ২৫ জুন ২০২২ উদ্বোধনের পর চালু হবে বাঙালীর Read more

বানভাসিদের নিয়ে ফকির শাহাবুদ্দিনের গান

বানভাসিদের নিয়ে ফকির শাহাবুদ্দিনের গান সংস্কৃতি অঙ্গন 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha সংস্কৃতি প্রতিবেদক ॥ বানভাসিদের নিয়ে Read more

নকশীকাঁথার গানে পদ্মা সেতু

নকশীকাঁথার গানে পদ্মা সেতু সংস্কৃতি অঙ্গন 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha সংস্কৃতি প্রতিবেদক ॥ স্বপ্নের পদ্মা সেতু Read more

নানা আয়োজনে নজরুল জয়ন্তী উদ্যাপন

নানা আয়োজনে নজরুল জয়ন্তী উদ্যাপন সংস্কৃতি অঙ্গন 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha নিজস্ব সংবাদদাতা, শাহজাদপুর ॥ নানা Read more

ঈদের নাটকে শামীমা নাজনীন

ঈদের নাটকে শামীমা নাজনীন সংস্কৃতি অঙ্গন 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha সংস্কৃতি প্রতিবেদক ॥ হুমায়ূন আহমেদের ‘শ্রাবণ Read more

আমরা নিরপেক্ষ নই ,    জনতার পক্ষে - অন্যায়ের বিপক্ষে ।    গণমাধ্যমের এ সংগ্রামে -    প্রকাশ্যে বলি ও লিখি ।   

NewsClub.in আমাদের ভারতীয় সহযোগী মাধ্যমটি দেখুন