By: Daily Janakantha

বিশ্বকাপ ক্রিকেট শিরোপা ও অলিম্পিকে স্বর্ণপদকের অপেক্ষা

খেলার ফিচার

15 Jun 2022
15 Jun 2022

Daily Janakantha

স্বাধীনতা পরবর্তি বাংলাদেশের খেলাধুলার যাত্রা শুরু হয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন শূন্য থেকে শুরু করে পূর্ণতা পায় তার প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায়। পরবর্তীতে এই অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করে তোলেন তার সুযোগ্য কন্যা ‘খেলাধুলার মাতা’ খ্যাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে প্রত্যাশা- প্রাপ্তি ও ভবিষ্যত সম্পর্কে দৈনিক জনকণ্ঠের সঙ্গে কথা বলেছেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, এমপি। দেশের খেলাধুলা নিয়ে তার অনেক স্বপ্ন, আছে তৃপ্তির পাশাপাশি হতাশা। প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো তার মনের অব্যক্ত বাসনা আর পাওয়া না পাওয়ার কিছু খ-চিত্র।
অনেক ফেডারেশন কর্মকর্তা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেন না। তাদের সামনে কোন লক্ষ্য নেই। স্বপ্ন দেখতে ভয় পান তারা। কারণ স্বপ্ন দেখলে তো কাজ করতে হবে। পরিশ্রম করতে হবে প্রত্যাশা পূরণে। ফেডারেশনে এলাম, গেলাম। বছরে দুই একটা প্রতিযোগিতা আয়োজন করলাম। ব্যাস, দায়িত্ব শেষ। এই যদি হয় মনমানসিকতা তাহলে খেলাধুলার উন্নতি হবে কিভাবে? সরকার বা মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সবকিছু করে দেয়া সম্ভব না। ‘ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।’ এই প্রবণতাটা অনেক ফেডারেশন কর্মকর্তার মধ্যে নেই। এ ধরনের মন-মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন। তা না হলে খেলাধুলায় আমরা কোনদিনই এগোতে পারব না।
স্বাধীনতার ৫১ বছরেও অলিম্পিক গেমস থেকে একটা স্বর্ণপদক জিততে পারেনি বাংলাদেশ। কারণ প্রসঙ্গে উল্লিখিত কথাগুলো বলেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। উদাহরণ টানতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বললেন, ইথিওপিয়া, সুদান, কেনিয়ার মতো ভুখা-নাঙ্গা বিশ্বের অনেক গরিব দেশ আছে, যারা তিন বেলা খাবার পায় না। ক্রীড়া সরঞ্জাম কেনার পয়সা থাকে না। অথচ তারাই বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদার অলিম্পিক গেমস থেকে স্বর্ণপদক জিতে চমক সৃষ্টি করছে। আমরা পারি না কেবল সদিচ্ছার অভাবে। সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য, সহযোগিতার কোন কমতি নেই। আমরা এমন একজন ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি, ’যার কাছে চাইতে দেরি-পাইতে দেরি হয় না’। এই সুযোগ যদি আমরা কাজে লাগাতে না পরি তাহলে কিভাবে উন্নতি হবে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের? যখন যা প্রয়োজন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাই দিচ্ছেন। আমি বলবো প্রত্যাশার বাইরেও তার কাছ থেকে অনেক কিছু আমরা পাচ্ছি। ফেডারেশনগুলো সচ্ছল রাখার জন্য অর্থ, দেশে ভাল প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশী কোচ, ক্রীড়াবিদরা ভাল রেজাল্ট করলেই অর্থ পুরস্কার, কোটি টাকা মূল্যের ফ্ল্যাট-কি দিচ্ছেন না আমাদের প্রধানমন্ত্রী? উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশে পাঠাতেও কাপণ্য নেই। তারপরও প্রত্যাশিত রেজাল্ট না আসার অন্যতম কারন লক্ষ্য স্থির করতে না পারা।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি রাজনীতিবিদ। আমারও লক্ষ্য আছে। স্বপ্ন, প্রত্যাশা আছে। ছোটকাল থেকে খেলাধুলার সঙ্গে আছি। নিজে খেলোয়াড় ছিলাম। মন্ত্রী হওয়ার আগে যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি ছিলাম দশ বছর। এখন আমি মন্ত্রী, এসব তো এমনি এমনি আসেনি। প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে। এখনও পরিশ্রম করে যাচ্ছি। যার পুরস্কারও পাচ্ছি। আমি যদি মন্ত্রণালয়ের স্টাফদের মতো ৯টা, ৫টা অফিস করি তাহলে আমার লক্ষ্য পূরণ হবে না। মন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়। প্রয়োজনে অনেক রাত জেগেও কাজ করি। চেষ্টার কোন কমতি নেই। অপেশাদার কর্মকর্তাদের সতর্ক করা বা পরামর্শ দেয়া হয় কিনা? উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই-তিন মাস পরপরই ফেডারেশন কর্মকর্তাদের নিয়ে মিটিং করি। কার কি সমস্যা আছে জানার চেষ্টা করা হয়। সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনে তাগাদা দেয়া হয়। কিন্তু এতেও কাজ হয় না। মিটিং শেষ হওয়ার কয়েকদিন পরই ‘যে লাউ সেই কদু’। আমি মনে করি যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্বটা সঠিকভাবে পালন করলে দেশের খেলাধুলাকে এগিয়ে নেয়া অসম্ভব কিছু নয়। তিনি বলেন, সাফল্য এমনিতেই আসে না। পরিশ্রম করতে হবে, টার্গেট থাকতে হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করবেন। সেটা করে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন। এখন ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত আয়ের দেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর অদম্য ইচ্ছা আছে বিধায় গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি এ কাজেও তিনি সফল হবেন। খেলাধুলার অভিভাবক হিসেবে দায়িত্বটা কেমন উপভোগ করছেন? উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার সঙ্গে আছি। দুই টার্ম সংসদীয় কমিটির সভাপতি ছিলাম। পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকায় দায়িত্ব পালন সহজ হচ্ছে। তার চেয়েও বড় কথা অভিভাবক হিসেবে পেয়েছি ক্রীড়াপ্রেমী প্রধানমন্ত্রী। ভাল যে কোন কাজের প্রস্তাব নিয়ে গেলে তিনি সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে দেন। কখনই না করেন না। এতে দায়িত্ব পালন অনেক সহজ হয়ে যায়। আমি গর্ব অনুভব করি একজন উদার মনের প্রধানমন্ত্রী পাশে পেয়ে। তার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।
সাড়ে তিন বছরের দায়িত্বে দেশের খেলাধুলায় কি ধরনের অগ্রগতি হয়েছে? উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই উন্নতি হয়েছে, আমি হ্যাপি। তবে আরও এগিয়ে যেতে পারতাম, যদি কোভিডের কারণে দুই বছর নষ্ট না হতো। করোনা বেশ ক্ষতি করে দিয়েছে। তারপরও শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে আন্তঃবিশ্বদ্যিালয় ক্রীড়া চালু করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা অনুর্ধ-১৭ ফুটবল (ছেলেমেয়ে) খেলোয়াড় তৈরির পাইপ লাইন হিসেবে কাজ করছে। দেশে ও বিদেশে উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনুর্ধ-১৭ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। গত সাউথ এশিয়ান গেমসে চারটি স্বর্ণপদক এসেছে। আন্তর্জাতিক আরচারিতে আমরা নিয়মিত স্বর্ণপদক পাচ্ছি। জাতীয় ক্রিকেট দলের সাফল্যের পাশাপাশি হকিতেও শিরোপা জয় করেছি। আমি মনে করি অর্জন একেবারে খারাপ না।
এক প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বললেন, জনপ্রিয় তিন দলীয় খেলার মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে ক্রিকেটের সাফল্য অনেক বেশি। তবে আমি মনে করি দর্শক জনপ্রিয়তায় ফুটবল অনেক এগিয়ে। জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটাররা যে আসরে খেলে সেগুলো আগ্রহ নিয়ে দেখে দর্শক। কিন্তু ফুটবলের সাধারণ একটা ম্যাচ থাকলে স্টেডিয়ামে জায়গা দেয়া যায় না। এই চিত্র অবশ্য ঢাকার বাইরের। রাজধানীর বাইরে যে কোন জায়গায় ফুটবল খেলা হলে দর্শকে ভরে যায় স্টেডিয়াম। ক্রিকেটে এই দৃশ্য দেখা যায় না। যদিও সাফল্যের নিরিখে ক্রিকেট দেশকে অনেক কিছু উপহার দিয়েছে। বয়ে এনেছে অনেক সম্মান। এদিক থেকে ফুটবল অনেক পিছিয়ে। ফুটবলে চোখে পড়ার মতো সাফল্য নেই বললেই চলে। তবে বয়সভিত্তিক ফুটবলে আমাদের মেয়েরা অনেক ভাল খেলছে। অনেক শিরোপা জিতেছে। নিঃসন্দেহে যা প্রশংসার দাবি রাখে। এই অগ্রযাত্রা পুঁজি করে জাতীয় দল পর্যায়ের আসরেও তারা প্রত্যাশিত সাফল্য বয়ে আনতে সক্ষত হবে বলে আমি আশা করি। কিন্তু র‌্যাংঙ্কিং বাড়াতে মেয়েদের সাফল্য যথেষ্ট নয়। একটা দেশের সাফল্য বা অগ্রগতি বিচার করা হয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুরুষ ফুটবলের সাফল্য দিয়ে। এখানে আমরা পুরোপুরি ব্যর্থ।
তিনি বলেন, পুরুষ ফুটবলের উন্নতি বা মান বাড়তে ফেডারেশন কর্মকর্তাদের আরও পরিশ্রম করতে হবে। বেশি সময় দেয়ার পাশাপাশি একটা লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। সেটা মুখে বললে হবে না। মাঠে, ময়দানে কাজের মাধ্যমে প্রমান করে দেখাতে পারলে সাফল্য অবশ্যই ধরা দেবে। সারা দেশে অবকাঠমো নির্মাণ ও বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট চালুর মাধ্যমে মন্ত্রণালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে অনেক কাজ এগিয়ে দেয়া হয়েছে। এগুলো পুঁজি করে তারা যদি উন্নতি করতে না পারে সেটা খুবই কষ্টের, দুঃখজনক।
খেলাধুলার উন্নয়নে আর্থিক সীমাবদ্ধতা আছে, এ কথা মানতে রাজি নন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তার কথায় বিশ্বের কোন খেলা সরকারের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। স্পন্সরের মাধ্যমে খরচ বহন করা হয়। উদাহরণ টানতে গিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট সরকারের সহযোগিতায় পরিচালিত হয় না। বোর্ডের নিজস্ব আয়ের অর্থে সুন্দরভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ক্রিকেট। এই অর্থ তারা স্পন্সরের মাধ্যমেই সংগ্রহ করে থাকে। অতীতে যখন সাফল্য ছিল না তখন সরকারের টাকার অপেক্ষায় থাকতো। নিজেদের খেলা নিখুঁতভাবে পরিচালনার পাশাপাশি এখন অন্য অনেক ফেডারেশনকেও আর্থিক সহযোগিতা করে ক্রিকেট বোর্ড। আমি মনে করি মাঠে সাফল্য থাকলে অর্থ কোন সমস্যা নয়। স্পন্সর প্রতিষ্ঠান নিজেদের উদ্যোগেই এগিয়ে আসবে। আরচারির প্রচলন অন্য অনেক খেলার চেয়ে বাংলাদেশে পরে হলেও তারা এগিয়ে গেছে অনেক দূর। আরচারির রয়েছে স্থায়ী স্পন্সর। সাফল্য আছে বলেই স্পন্সর আছে, টাকার অভাব নেই। বর্তমান অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে পারলে হকিতেও এক সময় টাকার অভাব হবে না। কিন্তু এর বাইরে ফুটবলসহ অন্য অনেক খেলায় আন্তর্জাতিক কোন সাফল্য নেই। ফলে স্পন্সরও নেই। এতে তাদের ঘর থেকে অভারও দূর হয় না। আবারও বলছি আমাদের ফুটবল কর্মকর্তাদের আরও আন্তরিক হওয়া দরকার। একটা লক্ষ্য স্থির করে কাজ করা প্রয়োজন। তা না হলে অগ্রগতি দূরের কথা আরও পিছিয়ে পড়তে বাধ্য। ক্রীড়াবিদদের পাশাপাশি উৎসাহিত করতে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেয়া হয় সংগঠকদেরও। এতেও টনক নড়ে না অনেকের।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের আছে ক্রীড়া অন্তপ্রাণ একজন প্রধানমন্ত্রী। খেলাধুলার জন্য তিনি দুই হাত উজাড় করে টাকা দিচ্ছেন। তার এই উদারতা, আন্তরিকতাকে সম্মান জানিয়ে আমরা যদি কিছু করতে না পারি সেটা খুবই দুঃখজনক। এদেশের খেলাধুলা কোনদিনই অগ্রসর হবে না যদি কর্মকর্তাদের মধ্যে পেশাদারিত্ব না থাকে। করোনাকালে প্রধানমন্ত্রী অনুদান দিয়েছেন সাড়ে ৯ কোটি টাকা। বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠিত স্পোর্টস ট্রাস্টে দিয়েছেন ৪০ কোটি টাকা। ফান্ডে ছিল সাত কোটি। যার লভ্যাংশ দিয়ে দুস্থ ক্রীড়াবিদ, সংগঠকদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকি। এ ছাড়া সম্প্রতি বাংলাদেশ অলিম্পিক এ্যাসোসিয়েশনকে ২০ কোটি টাকা, মহিলা ক্রীড়া সংস্থাকে ১০ কোটি টাকা ও প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদদের জন্য বরাদ্দ দিয়েছেন ১০ কোটি টাকা। এমন উদারমনা প্রধানমন্ত্রী অতীতে কেউ ছিলেন বলে আমার জানা নেই। অনেক রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী তো অতীতে দেখেছি। কিন্তু ক্রীড়াঙ্গন বা দেশের খেলাধুলার মানুষের জন্য তাদের অবদান কি? কিছুই তো করেননি তারা। কোন দৃষ্টান্ত বা অবদান রেখে গেছেন বলে আমার জানা নেই।
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে কি স্বপ্ন দেখেন বা প্রত্যাশা করেন? প্রতিমন্ত্রীর সরল উত্তর। আমরা অনুর্ধ-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয় করেছি। এখন তাকিয়ে আছি জাতীয় দলের দিকে। তারা বিশ্বকাপ জিততে পারলে তা হবে সেরা অর্জন। খেলাধূলার অভিভাবক হিসেবে আমার জন্য হবে সবচেয়ে আনন্দের বিষয়। এ ছাড়া অলিম্পিক গেমসে থেকে স্বর্ণপদক প্রত্যাশা করছি। আমাদের ফেডারেশন কর্মকর্তাদের চিন্তাধারা সাউথ এশিয়ার মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। টার্গেট নিয়ে কাজ করতে পারলে অলিম্পিক থেকে স্বর্ণপদক জেতা খুব কঠিক বলে মনে করি না।
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জাহিদ আহসান বলেন, এই প্রতিষ্ঠান অনেক খেলোয়াড় প্রডিউস করে। ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, সাঁতার, শূটিং, এ্যাথলেটিক্সসহ অনেকে ইভেন্টে বিকেএসপির খেলোয়াড়রা অংশ নিয়ে থাকে।
অধিনায়ক আকবর আলিসহ অনর্ধ-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেট দলের আট খেলোয়াড় বিকেএসপির। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, বিকেএসপি থেকে বের হয়ে ফেডারেশন বা ক্লাবে চলে গেলে কেউ স্বীকার করতে চায় না তারা এই প্রতিষ্ঠানের ক্রীড়াবিদ। সবাই বলে তারা নিজেরা তৈরি করেছে। আর এ কারণে প্রত্যাশিত খেলোয়াড় তৈরি করলেও ফোকাস থাকে না বিকেএসপির ওপর। বিকেএসপির কার্যক্রমে আমি পুরোপুর সন্তুষ্ট।

The Daily Janakantha website developed by BIKIRAN.COM

Source: জনকন্ঠ

সম্পর্কিত সংবাদ
পদ্মা সেতু উদ্বোধনে দেশবাসীর উচ্ছ্বাস

পদ্মা সেতু উদ্বোধনে দেশবাসীর উচ্ছ্বাস দেশের খবর 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ স্বপ্নের ‘পদ্মা Read more

পদ্মা সেতুর টোল দিলেন শেখ হাসিনা

পদ্মা সেতুর টোল দিলেন শেখ হাসিনা জাতীয় 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha অনলাইন ডেস্ক ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ Read more

ঈদের নাটকে শামীমা নাজনীন

ঈদের নাটকে শামীমা নাজনীন সংস্কৃতি অঙ্গন 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha সংস্কৃতি প্রতিবেদক ॥ হুমায়ূন আহমেদের ‘শ্রাবণ Read more

বানভাসিদের নিয়ে ফকির শাহাবুদ্দিনের গান

বানভাসিদের নিয়ে ফকির শাহাবুদ্দিনের গান সংস্কৃতি অঙ্গন 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha সংস্কৃতি প্রতিবেদক ॥ বানভাসিদের নিয়ে Read more

আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘ছিটমহল’

আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘ছিটমহল’ সংস্কৃতি অঙ্গন 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha সংস্কৃতি ডেস্ক ॥ উপমহাদেশের ৬৮ বছরের Read more

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের করিডর

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের করিডর উপ-সম্পাদকীয় 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha ২৫ জুন ২০২২ উদ্বোধনের পর চালু হবে বাঙালীর Read more

আমরা নিরপেক্ষ নই ,    জনতার পক্ষে - অন্যায়ের বিপক্ষে ।    গণমাধ্যমের এ সংগ্রামে -    প্রকাশ্যে বলি ও লিখি ।   

NewsClub.in আমাদের ভারতীয় সহযোগী মাধ্যমটি দেখুন