By: Daily Janakantha

২৬৫ কেমিক্যাল কন্টেনার ॥ চট্টগ্রাম বন্দরে বড় ঝুঁকির আশঙ্কা

প্রথম পাতা

12 Jun 2022
12 Jun 2022

Daily Janakantha

মোয়াজ্জেমুল হক ॥ বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি হয়ে থাকে। কিন্তু কিছু পণ্য নানা জটিলতার কারণে খালাস হয়নি। এমন প্রক্রিয়ায় এসব কেমিক্যাল একপর্যায়ে বাজেয়াফত হয়েছে। এর কিছু নিলামে বিক্রি হবে। আর কিছু ধ্বংস করা হবে। এমন কেমিক্যালবোঝাই ২৬৫ কন্টেনার চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে রয়েছে, যা একদিকে যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, অন্যদিকে বিপজ্জনকও বটে। যে কোন দৈব দুর্বিপাকে বা অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে এসব কেমিক্যালবোঝাই কন্টেনার। সীতাকুন্ডের বিএম কন্টেনার ডিপোতে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড বোঝাই কন্টেনারে আগুনের পর বিস্ফোরণের ঘটনায় যে ভয়াবহ পরিস্থিতি গত ৪ জুন রাতে সংঘটিত হয়েছে তার পরিণাম সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে উৎকণ্ঠিত করেছে। এ ঘটনা দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও ফলাও করে প্রচার পেয়েছে। শুধু তাই নয়, ইতোমধ্যে সিঙ্গাপুর বন্দর কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে, তারা বাংলাদেশে উৎপাদিত হাইড্রোজেন পার অক্সাইড বোঝাই কন্টেনার গ্রহণ করবে না। উল্লেখ্য, এসব কেমিক্যাল পণ্য ট্রান্সশিপমেন্ট প্রক্রিয়ায় রফতানির ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুর বন্দরকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল পণ্য নিয়মিত আমদানি হয়ে আসে। বিভিন্ন মিল কারখানায় বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনে এসব কেমিক্যাল ব্যবহার হয়ে থাকে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে বাজেয়াফত হওয়া বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যালবোঝাই ২৬৫ কন্টেনার নিলাম ও ধ্বংস করার অপেক্ষায় রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) সব ধরনের আমদানি পণ্যের কাস্টোডিয়ান। কিন্তু পণ্যের ছাড়করণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের।
যোগাযোগ করা হলে চবক সচিব মোঃ ওমর ফারুক জনকণ্ঠকে জানান, কেমিক্যালবোঝাই ২৬৫ কন্টেনারের তালিকা চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস থেকে দেয়া হয়েছে বহু আগে। প্রতিমাসে এ বিষয়ে নিষ্পত্তি করার জন্য তাগাদাও প্রদান করা হয়ে আসছে। এসব কেমিক্যালবোঝাই কন্টেনার বন্দর এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়ার অর্থাৎ নিলাম বা ধ্বংস করার জন্য সুপারিশও করা হয়েছে। জানা গেছে, সর্বোচ্চ আটাশ এবং সর্বনিম্ন দুই বছর আগে আমদানি করা কেমিক্যাল পণ্য সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকগণ ছাড় না করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বন্দরের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য খালাস না হলে তা নিলামের জন্য প্রদান করা হয়। নিলামের দায়িত্ব কাস্টমসের। আবার কাস্টমসের নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্যে এসব পণ্য ছাড়ানো না হলে এর কিছু অংশ ধ্বংস করা হয়, আর কিছু অংশ নিলামে বিক্রি করা হয়। বর্তমানে কেমিক্যালবোঝাই যে ২৬৫ কন্টেনার রয়েছে এর কিছু অংশ নিলামে তোলা হবে আর কিছু অংশ ধ্বংস করা হবে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার (নিলাম) আলী রেজা হায়দার জনকণ্ঠকে জানান, চবকের তালিকা আমরা পেয়েছি। কিন্তু এসব দাহ্য পদার্থের যথাযথ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল। ফলে এর বিহীত ব্যবস্থাটি বিলম্বিত প্রক্রিয়ায় রয়েছে। চেষ্টা করা হচ্ছে যতদ্রুত সময়ে এসব পণ্যের স্থানান্তর বা ধ্বংস প্রক্রিয়াটি যাতে সম্পন্ন করা যায়। তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল নানা ধরনের পণ্য ধ্বংসকরণ কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গৃহীত হবে।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস নিলাম ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পক্ষে জানানো হয়েছে কেমিক্যাল বা দাহ্য পদার্থ নিলামের জন্য তোলা হলেও এ প্রক্রিয়ায় জটিল বেশকিছু ব্যাপার রয়েছে। ফলে এসব পণ্য নিলামে অবিক্রীত রয়ে যায়। তিনি জানান, যারা এসব পণ্য আমদানি করেছেন তাদের আমদানির লাইসেন্স রয়েছে। কিন্তু কেমিক্যাল পণ্য নিলাম থেকে কেনার লাইসেন্স থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এতে করে এ প্রক্রিয়াটি সহজে নিষ্পত্তি হয় না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে আমদানির কেমিক্যাল পণ্যের খালাস কাজ নিয়মিত একটি বিষয়। আমদানিকারকরা অন্যান্য পণ্যের মতো কেমিক্যাল পণ্যও আমদানি করে থাকেন। আবার ছাড়িয়েও নিচ্ছেন। কিন্তু নানা জটিলতায় কিছু কেমিক্যাল পণ্য যে ছাড় হয়নি ২৬৫ কন্টেনার তারই অংশ। বন্দরের ইয়ার্ডসমূহে এগুলো সংরক্ষিত রয়েছে বলে চবকের দাবি। কিন্তু কাস্টমসের পক্ষে বলা হয়েছে, সব কন্টেনার ইনভেন্ট্রি করা দুরূহ একটি কাজ। এরপরও প্রক্রিয়াটি চলমান। এসব কেমিক্যাল পণ্য অবশ্যই দাহ্য পদার্থ। আগুন বা অন্য কোন দুর্যোগে এগুলো বিস্ফোরকে পরিণত হতে পারে। এ কারণে এসব পণ্য সাবধানতার সঙ্গে আমদানি, খালাস এবং গুদামজাত করে রাখার নির্দেশনা রয়েছে। সে অনুযায়ী তা পালন হয়েও থাকে। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে এর ব্যত্যয় যে হয় না তা নয়।
গত আটাশ বছর আগের এ ধরনের কেমিক্যালবোঝাই কন্টেনার কোন কোন ক্ষেত্রে খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর। ইয়ার্ডসমূহে হাজারো কন্টেনার স্তূপের মধ্যে এ জাতীয় কেমিক্যাল বোঝাই পণ্যের কোথায় অবস্থান নির্ণয় করা কঠিন একটি বিষয়। কাস্টমসের পক্ষে স্বীকার করা হয়েছে, বিগত সর্বোচ্চ আটাশ বছর এবং সর্বনিম্ন দুই বছর আগে আমদানির এসব কেমিক্যাল বোঝাই কন্টেনার বন্দরে পড়ে আছে রীতিমত অবহেলায়। আটাশ বছর আগে যেসব কর্মকর্তা এসব কন্টেনার নিয়ে অবহিত ছিলেন তাদের অনেকে এখন অবসরে চলে গেছেন। ফলে নতুন কর্মকর্তারা এসে এসব কেমিক্যাল পণ্যের ধ্বংস বা নিলামযোগ্য কন্টেনারগুলোর খুঁজে বের করার প্রক্রিয়াটিতে দ্রুত এগিয়ে যেতে পারেন না। এতে করে বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিলামে তোলার ক্ষেত্রে বিলম্বের ঘটনা ঘটে থাকে। এছাড়া ধ্বংস বা নিলামে বিক্রি করে দেয়ার প্রক্রিয়াটি খুব একটা সহজও নয়। নিলামে কমদামে বিক্রি করার ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রণীত বিভিন্ন নীতিমালা অনুসরণ করে চলতে হয়। এক্ষেত্রে এসব প্রক্রিয়া সহজীকরণের দাবি রয়েছে। বিশেষ করে দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরিত হতে পারে এমন সব পণ্যের ব্যাপারে নীতিমালা সাধারণ পণ্যের চাইতে আলাদা হওয়া প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২০ সালে লেবাননের বৈরুত বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের ওই ঘটনায় প্রায় দেড়শ’ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ছিল কয়েক হাজার। ঘটনার পর নিখোঁজ অনেকের খবর এ পর্যন্ত মেলেনি। ওই বিস্ফোরণে পুরো বৈরুত নগরী কেঁপে উঠেছিল। বৈরুত বন্দরের একটি ওয়্যার হাউসে বিপুল পরিমাণ এ্যামোনিয়াম নাইট্রেড মজুদ ছিল। সেখান থেকে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে।
সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরে কেমিক্যালবোঝাই যে ২৬৫ কন্টেনার রয়েছে সেগুলো বিস্ফোরক দ্রব্য। ফলে বিপজ্জনক ও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে দেশের এ প্রধান বন্দর। এসব কন্টেনার ছাড়াও প্রায় সাড়ে ৩শ’ মেট্রিক টন আলাদা ধ্বংসযজ্ঞ কেমিক্যাল রয়েছে বন্দরের শেডে। গত ১৩ মে ভোরে এ বন্দরের সিসিটি ইয়ার্ডে কেমিক্যালবোঝাই একটি কন্টেনারে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট দ্রুত চেষ্টা চালিয়ে আধাঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
চবক সর্বশেষ যে তালিকা তৈরি করেছে সে অনুযায়ী বন্দরের টি শেডেই ১ হাজার ৮১৮টি প্যাকেজের বিপরীতে ৩৪২ টন কেমিক্যাল ও দাহ্য পদার্থ রয়েছে। দিনের পর দিন এসব পণ্য পড়ে থাকে রাসায়নিক বিষক্রিয়া হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার জন্ম দিতে পারে। ২৬৫ কন্টেনারের মধ্যে সালফিউরিট এসিড, নাইট্রিক এসিড, রঙের কাজে ব্যবহৃত থিনার, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, ইথাইল ইত্যাদিসহ বহু ধরনের কেমিক্যাল পণ্য রয়েছে। সীতাকু-ের দুর্ঘটনার পর ৫০ টন হাইড্রোজেন পার অক্সাইড তিনটি নিলামে কাস্টমস কর্তৃক নামমাত্র মূল্যে জরুরী প্রক্রিয়ায় বিক্রি করে দিয়েছে।
কাস্টম সূত্র জানায়, এসব কন্টেনারের মধ্যে ৩৪টি লটে ৪১টি টেন্ডার সেলে উঠানো হয়েছে। ইনভেন্ট্রি করা ৫৭টি কন্টেনারের মধ্যে ২২টির কিপডাউন হয়নি। ২৬টির তথ্য এখনও মেলেনি। গত ৩১ মে ক্রাশ প্রোগ্রামে ইনভেন্ট্রির জন্য দেয়া হয়েছে ৫৫টি কন্টেনার। এ জাতীয় পণ্য ধ্বংস বা নিলামে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানানো হয় কাস্টমস সূত্রে।
বন্দর সচিব ওমর ফারুক আরও জানিয়েছেন, এসব কন্টেনারবোঝাই কেমিক্যাল পণ্য পৃথক করে শেডে রাখা হয়েছে। দীর্ঘসূত্রতার কবলে পড়ে বছরের পর বছর কিছু কেমিক্যাল পণ্যের কোন বিহীত ব্যবস্থা হয়নি। অর্থাৎ নিলামে বিক্রি করা হয়নি। আবার ধ্বংসও করা হয়নি। সীতাকুন্ডের বিএম কন্টেনার ডিপোতে কেমিক্যালবোঝাই পণ্যবাহী কন্টেনারে আগুন ও বিস্ফোরণের ঘটনার পর এখন সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে কেমিক্যাল পণ্য আমদানি, ছাড়করণ ও পরিবহন প্রক্রিয়ায় অধিকতর সচেতনতা এসেছে। কিন্তু বিগত আটাশ বছর ধরে কেমিক্যালবোঝাই পণ্য পড়ে থাকার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে সচিব জানান, আমদানির পর কোন পণ্য ছাড় না হলে তা চূড়ান্তকরণ প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল। কাস্টমসের যে নীতিমালা তা অনুসরণ করতে গিয়ে দিনের পর দিন গড়িয়ে যায়। এছাড়া এক কর্মকর্তা আসেন আবার বদলি হয়ে চলে যান। ফলে প্রক্রিয়াটি অনিষ্পত্তি অবস্থায় থেকে যায়।
সীতাকুন্ডের দুর্ঘটনার পর আমদানি ও রফতানিকারক এবং সিএ্যান্ডএফ এজেন্টদের পক্ষে ইতোমধ্যে দাবি তোলা হয়েছে, কেমিক্যাল পণ্য বলতে গেলে প্রায় সবই দাহ্য পদার্থ। কোন কোন কেমিক্যাল পণ্য নিজেই রাসায়নিক বিষক্রিয়ায় জ্বলে উঠে। আবার কোন কোন পণ্য আগুনের সংস্পর্শে এলে বিস্ফোরিত হয়। সীতাকুন্ডের ঘটনাটি অনুরূপ। সুতরাং কেমিক্যাল পণ্য যেহেতু নিয়মিত আমদানি হয়ে আসছে এবং আগামীতেও হতে থাকবে। দেশে বিভিন্ন ধরনের শিল্পের প্রয়োজনে এসব কেমিক্যাল আমদানি হয়ে থাকে। কিন্তু আমদানি, খালাসকরণ এবং জব্ধ হওয়া কেমিক্যাল পণ্যের নিষ্পত্তিকরণ প্রক্রিয়াটি সহজতর করা গেলে ঝুঁকি নিয়ে বন্দর বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষকে দিনের পর দিন উৎকণ্ঠায় থাকতে হবে না।

The Daily Janakantha website developed by BIKIRAN.COM

Source: জনকন্ঠ

সম্পর্কিত সংবাদ
ঈদের নাটকে শামীমা নাজনীন

ঈদের নাটকে শামীমা নাজনীন সংস্কৃতি অঙ্গন 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha সংস্কৃতি প্রতিবেদক ॥ হুমায়ূন আহমেদের ‘শ্রাবণ Read more

বানভাসিদের নিয়ে ফকির শাহাবুদ্দিনের গান

বানভাসিদের নিয়ে ফকির শাহাবুদ্দিনের গান সংস্কৃতি অঙ্গন 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha সংস্কৃতি প্রতিবেদক ॥ বানভাসিদের নিয়ে Read more

নানা আয়োজনে নজরুল জয়ন্তী উদ্যাপন

নানা আয়োজনে নজরুল জয়ন্তী উদ্যাপন সংস্কৃতি অঙ্গন 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha নিজস্ব সংবাদদাতা, শাহজাদপুর ॥ নানা Read more

খুলল পদ্মার দ্বার, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

খুলল পদ্মার দ্বার, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha অনলাইন ডেস্ক ॥ স্বপ্ন পুরণের Read more

পদ্মা সেতুর ডাক টিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পদ্মা সেতুর ডাক টিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha অনলাইন ডেস্ক ॥ প্রধানমন্ত্রী Read more

পদ্মা সেতুর টোল দিলেন শেখ হাসিনা

পদ্মা সেতুর টোল দিলেন শেখ হাসিনা জাতীয় 25 Jun 2022 25 Jun 2022 Daily Janakantha অনলাইন ডেস্ক ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ Read more

আমরা নিরপেক্ষ নই ,    জনতার পক্ষে - অন্যায়ের বিপক্ষে ।    গণমাধ্যমের এ সংগ্রামে -    প্রকাশ্যে বলি ও লিখি ।   

NewsClub.in আমাদের ভারতীয় সহযোগী মাধ্যমটি দেখুন