By: Daily Janakantha

পাতালরেলের বিকল্প কমিউটিং ব্যবস্থা

চতুরঙ্গ

10 May 2022
10 May 2022

Daily Janakantha

ঢাকার উন্নত ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে মেট্রোরেলের কাজ শেষ হতে না হতেই আরেক মেগা প্রকল্প পাতালরেল বা সাবওয়ে নির্মাণের আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা রচিত হবে আগামী এক থেকে দের বছরের মধ্যে। এই সময় ঢাকার মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, চট্টগ্রামে কর্ণফুলী টানেল, পদ্মা সেতু, দেশের মহাসড়কগুলো চার থেকে ছয় লেনে রূপান্তর, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুতকেন্দ্র এবং যমুনা নদীর ওপর বিশেষ রেলসেতু নির্মাণসহ দ্বৈত রেলপথ নির্মাণের কাজগুলো সম্পন্ন হবে। এর অধিকাংশ চালুও হয়ে যাবে। এরপর আর তেমন কোন মেগা প্রকল্প দৃশ্যত চলমান থাকবে না, যদি না নতুনভাবে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। ঠিক এই মুহূর্তে ঢাকা নগরীর কমিউটিং ব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল এবং আধুনিক করার লক্ষ্যে সরকার পাতালরেল নির্মাণের উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে এটাই স্বাভাবিক এবং এমনটাই হবার কথা। আগে অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে এ রকম দূরদৃষ্টিসম্পন্ন চিন্তাভাবনা করা হয়নি। যদি করা হতো তাহলে আজ ঢাকার ট্রাফিক এবং দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার এমন বেহাল দশা হবার কথা ছিল না। অনেক দেরিতে হলেও বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার আগামী পঞ্চাশ থেকে একশ’ বছরে বাংলাদেশ কোথায় যাবে সেই বিবেচনা মাথায় রেখে দেশে অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আর অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে এটাই হচ্ছে উত্তম ব্যবস্থা।
অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে একটি কথা প্রমাণিত সত্য যে দেশের অবকাঠামো যত বেশি উন্নত, সেই দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিও তত বেশি মজবুত। পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো এত বেশি উন্নত কারণ তারা সবচেয়ে উন্নতমানের অবকাঠামো নির্মাণ করেছে। সরকারের কাজ শুধু অবকাঠামো নির্মাণ এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা। বাকি উন্নতি বেসরকারী খাতের মাধ্যমে এমনিতেই ত্বরান্বিত হবে। পশ্চিমা বিশ্ব এই মন্ত্রটি অনেক আগেই উপলব্ধি করেছে এবং প্রয়োগ করে তার ফলও ভোগ করেছে। উন্নয়নশীল বিশ্ব এই বিষয়টি এখন পর্যন্ত সেভাবে রপ্তই করতে পারেনি। ফলে, তারা উন্নয়নের স্বাদ সেভাবে পায়নি। সম্প্রতি কিছু উন্নয়নশীল দেশ বিষয়টি বুঝতে পেরেছে এবং সে অনুযায়ী তারা অবকাঠামো নির্মাণের কাজ হাতে নিয়েছে। এই কাতারে বাংলাদেশ বেশ ভাল অগ্রগতি করেছে। বিগত দশ বছরে বাংলাদেশ যে মানের দীর্ঘমেয়াদী অবকাঠামো নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়ে তা বাস্তবায়নের কাজ শেষ করে এনেছে, তেমনটা কোন উন্নয়নশীল দেশে তো দেখা যায়নি, এমনকি উন্নত বিশ্বেও দেখা যায়নি। এরকম অবস্থায় একশ্রেণীর আলোচক এবং অর্থনীতিবিদ শ্রীলঙ্কায় ঘটে যাওয়া অনাকাক্সিক্ষত এক ঘটনাকে সামনে টেনে এনে বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনা করে অবকাঠামো নির্মাণ তথা অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। একটি কথা মনে রাখা প্রয়োজন যে, ঋণ নিয়ে ব্যাপক অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ধরে রাখব, নাকি ঋণ না নিয়ে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী চলে গরিব থাকব- এই সিদ্ধান্ত আগে নিতে হবে। অবকাঠামো নির্মাণ করতে হলে ঋণ নিতেই হবে। যারা ঋণ নেয়াটাকে সমস্যা মনে করছেন তারা যদি অনুগ্রহ করে আমেরিকাসহ উন্নত বিশ্বের ঋণের পরিমাণ এবং ঋণ ও জিডিপির অনুপাত লক্ষ্য করেন, তাহলে স্পষ্টই বুঝতে পারবেন যে ঋণ নিয়ে অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি ত্বরান্বিত করার কোন বিকল্প নেই। আসলে ঋণ নেয়া মোটেই সমস্যা নয়; যদি (১) ঋণের অর্থ সঠিকভাবে ম্যানেজ করা যায়, (২) বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ সর্বনিম্ন পর্যায়ে রেখে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহণ করা হয় এবং (৩) নিজস্ব সোর্স বিশেষ করে প্রবাসীদের মাঝে দীর্ঘমেয়াদী ডলার বন্ড বিক্রি করে ভাল অঙ্কের একটি বাফার রিজার্ভ গড়ে তোলা যায়। একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, দেশে দীর্ঘমেয়াদী অবকাঠামো নির্মাণ করতে হলে ঋণ নিতেই হবে এবং বিশ্বের সব দেশ তাই করে।
সেই বিবেচনায় ঢাকায় পাতালরেল নির্মাণ করা নিয়ে সরকার যে পরিকল্পনা করতে চলেছে তার যৌক্তিকতা নিশ্চয়ই আছে। এ ব্যাপারে যতটুকু জানা গেছে তাতে একটি কনসালটেন্সি ফার্ম ইতোমধ্যে ঢাকার তলদেশে ৮০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ১১টি রুটে ২৩৮ কিলোমিটার পাতালরেল নির্মাণের একটি খসড়া প্রকল্প প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সেই খসড়া প্রতিবেদনে স্পষ্ট করেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রস্তাবিত পাতালরেল প্রকল্পের যথেষ্ট কারিগরি এবং আর্থিক সম্ভাব্যতা রয়েছে। আমি এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নই। তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করার ধৃষ্টতা আমার নেই। তবে একজন পেশাদার ব্যাংকার হিসেবে বিশ্বের যেখানেই এই ধরনের বিশাল আকৃতির অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়, সেখান থেকেই কিছু জানার চেষ্টা করি। যদিও লক্ষ্য থাকে নির্মাণ ব্যয় এবং অর্থের জোগানের দিকে। বাস্তবে অনেক কিছুই সামনে চলে আসে। সম্প্রতি কানাডার টরেন্টো এবং চিলির রাজধানী সান্টিয়াগো শহরে সাবওয়ে নির্মিত হয়েছে। টরেন্টোতে পাতালরেলের একটি লাইনকে বর্ধিত করে তার সঙ্গে মাত্র ৮.৫ কিলোমিটার যোগ এবং ছয়টি নতুন স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। এই সামান্য রাস্তাটুকু নির্মাণ করতে সময় লেগেছে ১২ বছর এবং ব্যয় হয়েছে ৩.২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রতি কিলোমিটার পাতালরেলের নির্মাণ ব্যয় ৩৮০ মিলিয়ন ডলার, তাও আজ থেকে দশ বছর আগের খরচ। পক্ষান্তরে চিলির সান্টিয়াগো শহরে নতুন একটি সাবওয়ে লাইন স্থাপনের কাজ চলছে, যার দৈর্ঘ্য ২৫ কিলোমিটার ১৯ টি স্টেশন দ্বারা সংযুক্ত। নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২.৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ সেখানকার প্রতি কিলোমিটার সাবওয়ে নির্মাণ ব্যয় মাত্র ১১৬ মিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, এই উভয় ক্ষেত্রেই জমি অধিগ্রহণের মতো অন্যান্য ব্যয় নেই। অর্থাৎ শুধুই নির্মাণ ব্যয়। এই দুই শহরের সাবওয়ে নির্মাণ ব্যয়ের মধ্যে এত তারতম্য কেন? তা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কাছে মোটেই বোধগম্য নয়। তবে একটি বিষয় খুবই পরিষ্কার যে, টরেন্টো উন্নত বিশ্বের একটি শহর; যেখানে প্রতিঘণ্টা সর্বনিম্ন মজুির ১৩ ডলার এবং আরেকটি উন্নয়নশীল দেশের একটি শহর যেখানে সর্বনিম্ন মজুরি ৬ ডলার। ঢাকার প্রস্তাবিত ২৩৮ কিলোমিটার পাতালরেলের নির্মাণ ব্যয়, জমি অধিগ্রহণসহ ধরা হয়েছে ৮০ বিলিয়ন ডলার যা টরন্টোর তুলনায় খুবই কম, আর চিলির তুলনায় অনেক বেশি। এর গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা নিশ্চয়ই খসড়া প্রতিবেদনে আছে এবং এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা আরও ভাল বলতে পারবেন।
পাতালরেলের মতো একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং বিশাল প্রকল্পের ক্ষেত্রে শুধু কারিগরি এবং আর্থিক সম্ভাব্যতাই একমাত্র বিবেচ্য বিষয় হতে পারে না। সামাজিক ব্যয়, বাস্তবতা, শহরের কাঠামো, জনগণের জীবনযাত্রার ধরন এবং সর্বোপরি বিকল্প ব্যবস্থার ব্যয় বা অপরচুনিটি কস্টও প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। নির্মাণ ব্যয় এবং কারিগরি সক্ষমতার চেয়ে এসব বিষয়ের গুরুত্ব অনেক। সাবওয়ে সম্পর্কে এখন একটা কথা বেশ প্রচলিত যে- আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে সাবওয়েকে শহরে যোগাযোগের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এখন কিলোমিটার প্রতি নির্মাণ ব্যয়, এর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়, নিরাপত্তা বা উদ্ধার ব্যবস্থা এবং অপারেটিং কস্ট এত বেশি যে তাতে এই ব্যবস্থা আর তেমন জনপ্রিয় নেই। এই কারণে টরেন্টোতে ব্যয়বহুল ৮.৫ কিলোমিটার সাবওয়ে নির্মাণের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম লাইনে সাবওয়ে নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে লাইট রেল ট্রানজিট স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং পুরো কাজ প্রায় শেষ করে নিয়ে এসেছে। তাছাড়া সাবওয়ে কখনই গণমানুষের যোগাযোগ মাধ্যম নয় এবং প্রচুর ভর্তুকি দিয়ে এই ব্যবস্থা চালাতে হয়। এ বিষয়গুলো বিবেচনায় নিলে ঢাকা শহরে এখনই সাবওয়ে নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত কতটা বাস্তবসম্মত তা যথেষ্ট ভেবে দেখার দাবি রাখে। তাছাড়া ঢাকা শহর যেভাবে গড়ে উঠেছে এবং যেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভবন নিয়ম মেনে নির্মিত হয়নি, সে রকম শহরের তলদেশ দিয়ে পাতালরেলের নির্মাণ কাজ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে তাও ভেবে দেখার প্রয়োজন আছে।
সবচেয়ে বড় কথা সাবওয়ে নির্মাণের উদ্দেশ্য যদি হয় ঢাকার যানজট সমস্যার নিরসন, তাহলে এক কথায় বলা যায় সে উদ্দেশ্য খুব একটা সফল হবে না। ঢাকার যানজট নিরসনের একমাত্র উপায় হচ্ছে ঢাকার ওপর থেকে জনসংখ্যার চাপ কমানো। ঢাকার জনসংখ্যা এক কোটির নিচে নিয়ে আসার কোন বিকল্প নেই। অনেক প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে এই কাজটি করতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিভাবে এটি করা সম্ভব তা আমি আমার পূর্বের একটি লেখায় বিস্তারিত তুলে ধরেছিলাম। সাবওয়ে নির্মাণের বিকল্প হিসেবে ঢাকার আশপাশের শহরের সঙ্গে ডেইলি কমিউটিং ব্যবস্থার উন্নতি করার উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। এজন্য প্রতিটা শহরের সঙ্গে ইলেকট্রিক দ্বৈত রেললাইন স্থাপনের মাধ্যমে সেসব শহর থেকে মানুষের সকালে ঢাকায় এসে অফিসসহ অন্যান্য কাজ করে বিকেলে বাসায় ফিরে যাবার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। এ রকম ডেইলি কমিউটিং নিশ্চিত করা গেলে মানুষ ঢাকায় না থেকে সেসব নিকটবর্তী শহরে অল্প খরচে স্বাচ্ছন্দ্যে থেকে ভাল অর্থ সাশ্রয় করতে পারবে। সম্ভব হলে মেট্রোরেলকে টঙ্গী পর্যন্ত বর্ধিত করে টঙ্গী জংশনকে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে হাব বানিয়ে খুব সহজেই এই কাজটি করা সম্ভব। আর সেই সঙ্গে বর্তমান টঙ্গী-কমলাপুর যে দ্বৈত ল্যান্ড রেললাইন আছে, তাকে কমিউটিং রেল যোগাযোগে রূপান্তর করতে পারলে কাজটি আরও সহজ হয়ে যাবে। অর্থাৎ দূরপাল্লা এবং ঢাকার নিকটবর্তী শহরগুলোর সঙ্গে রেল যোগাযোগ এমনভাবে নির্মাণ করতে হবে যে, ঢাকাগামী সব মানুষ টঙ্গী জংশনে নেমে সেখান থেকে মেট্রো বা ল্যান্ড রেলের মাধ্যমে ঢাকার নির্ধারিত গন্তব্যে খুব সহজেই পৌঁছাতে পারে। ঠিকমতো দ্বৈত ইলেকট্রিক রেললাইন নির্মাণ করতে পারলে মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, নোয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ এবং ভাংগা পর্যন্ত এলাকায় যারা থাকবেন তারা দেড় থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা চলে আসতে পারবেন। তখন এমনিতেই ঢাকার ওপর থেকে জনসংখ্যার চাপ কমে যাবে। আমার ধারণা, সাবওয়ের থেকে অনেক কম খরচে এবং যথাযথ উদ্যোগ নিতে পারলে দশ বছরের মধ্যেই এই ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। আর একবার এই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে তা হবে শতবছর স্থায়ী এক ডেইলি কমিউটিং ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থা কিভাবে কাজ করবে তা বিস্তারিত তুলে ধরতে হলে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন, যার সুযোগ এখানে নেই। এরপর যদি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকে এবং দেশ এক সময় উন্নত দেশের কাতারে চলে যায় তখন সাবওয়ে নির্মাণ করা যেতেই পারে। আপাতত এই সাবওয়ে প্রকল্প সরিয়ে রেখে এর বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনই হতে পারে সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।

লেখক : ব্যাংকার
টরেন্টো, কানাডা
Nironjankumar_roy@yahoo.com

The Daily Janakantha website developed by BIKIRAN.COM

Source: জনকন্ঠ

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!
সম্পর্কিত সংবাদ
একগুচ্ছ প্রণোদনায় ঘুরে দাঁড়াল শেয়ারবাজার

একগুচ্ছ প্রণোদনায় ঘুরে দাঁড়াল শেয়ারবাজার প্রথম পাতা 23 May 2022 23 May 2022 Daily Janakantha অপূর্ব কুমার ॥ সরকারের এক Read more

উপকার পাচ্ছে না কৃষক

উপকার পাচ্ছে না কৃষক দেশের খবর 23 May 2022 23 May 2022 Daily Janakantha স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ কৃষি আবহাওয়ার Read more

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সাগর 24 May 2022 24 May 2022 Daily Janakantha সিনিয়র শিক্ষক কলেজিয়েট হাই স্কুল, চট্টগ্রাম Read more

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের দিন

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের দিন প্রথম পাতা 23 May 2022 23 May 2022 Daily Janakantha মোঃ মামুন রশীদ ॥ Read more

সাঁতারু আঁখির স্বপ্নভঙ্গ

সাঁতারু আঁখির স্বপ্নভঙ্গ অপরাজিতা 24 May 2022 24 May 2022 Daily Janakantha স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনার দীর্ঘশ্বাস নিয়ে আজকের যাত্রা শুরু Read more

আঞ্চলিক সঙ্কট মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব

আঞ্চলিক সঙ্কট মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব প্রথম পাতা 23 May 2022 23 May 2022 Daily Janakantha বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রী Read more

আমরা নিরপেক্ষ নই ,    জনতার পক্ষে - অন্যায়ের বিপক্ষে ।    গণমাধ্যমের এ সংগ্রামে -    প্রকাশ্যে বলি ও লিখি ।   

NewsClub.in আমাদের ভারতীয় সহযোগী মাধ্যমটি দেখুন