রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার কৃষি ও পরিবেশের উন্নয়ন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান খাল খনন কর্মসূচি পরিদর্শন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় তিনি রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ও কুতুকছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন অংশে এই খনন কাজ সরজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ও জেলা প্রশাসক মানিকছড়ি ছড়া ব্রীজ এলাকা থেকে শুরু করে বড় পাড়া নালা পর্যন্ত খননকৃত অংশের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন।এসময় মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিজমির সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ী ঢলের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে এই খাল খনন কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজের মান বজায় রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই কর্মসূচি সম্পন্ন করতে হবে যাতে স্থানীয় মানুষ এর সুফল পেতে পারে।রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানান, সরকারের এই উদ্যোগের ফলে স্থানীয় চাষাবাদে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা আরও সচল হবে।এসময় সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রবীন কুমার ভাগ্য বলেন, খাল খনন কর্মসূচির আজ আমাদের পঞ্চম দিন চলছে, খাল খনন কর্মসূচিতে চারটি দলে ৪৭০ জন কাজ করছে। প্রত্যেককে দৈনিক ৫০০ টাকা করে বেতন দেওয়া হয়। আমাদের এখানে শ্রমিকদের মধ্যে ২০ শতাংশ নারী এবং ৮০ শতাংশ পুরুষ রয়েছে। এই খালটি খনন হওয়াতে আমাদের এলাকার নানাবিধ সুবিধা হয়েছে।আমি বর্তমান সরকারকে এবং মন্ত্রী মহোদয়কে এজন্য ধন্যবাদ দিতে চাই। স্থানীয় কৃষক সঞ্জিত চাকমা বলেন,শুকনো মৌসুমে আমরা এখানে সেচের এর জন্য পানি পেতাম না,এখন খার খনন হওয়াতে আমরা সারা বছর এখানে কৃষি জমিতে সেচ দিতে পারবো।এতে করে আমাদের কৃষি উৎপাদন বাড়বে।পরিদর্শনকালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন। খাল খননের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এটি সম্পন্ন হলে ওই এলাকার দীর্ঘদিনের সেচ সমস্যার সমাধান হবে।ইখা
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
