পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার রাখাইন রাজ্য দখলে নেওয়া বিদ্রোহী গোষ্ঠি আরাকান আর্মির সদস্যরা মাদক পাচারে জড়িত ১১ জন বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেছে। এসময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমান গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছে। উক্ত অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, বিদ্রোহী গোষ্ঠি আরাকান আর্মির আওতাধীন পরিচালিত ”আরাকান প্রিন্সেস মিডিয়া” নামে একটি ফেইসবুক ফেইস। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকালের দিকে আরাকান প্রিন্সেস মিডিয়া নামে ফেইসবুক ফেইস থেকে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া তথ্য সংগ্রহ করে দেখা যায়, ২৪শে এপ্রিল আরাকানবাংলাদেশ জলসীমা অতিক্রম করে মিয়ানমার জলসীমা প্রবেশ করার সময় গাঁজার চালান বহনকারী ২টি নৌকাসহ ১১ জন বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করেছে। তাদের দাবী মিয়ানমার সিওয়েত এলাকা সংলগ্ন সাগরের জলসীমা থেকে গাঁজা বোঝাই ২টি নৌকাসহ ১১ জন বাংলাদেশী নাগরিককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে তারা।তারা উক্ত তথ্যে প্রকাশ করেছেন, মিয়ানমার ২৪ এপ্রিল বিকালের দিকে মিয়ানমার সশস্ত্র বিদ্রোহী বাহিনীর কোস্ট গার্ড (এমএপি) ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে রাঠেডং টাউনশিপের ডনপাইক ও শিলখালি এলাকা সংলগ্ন সাগরের মধ্যবর্তী স্থানে নোঙর করা অবস্থায় ১টি নৌকা তল্লাশি করে বাংলাদেশ থেকে সিত্তওয়েত’র উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়া গাঁজার চালান বহনকারী ৬ পুরুষ ও ১ জন মহিলাকে গ্রেপ্তার করে।এসময় শুকনো,কাঁচা সর্বমোট ২৩টি প্যাকেট, ২ ব্যাগ birth control pill, ৪টি ফোন ও নগদ টাকা জব্দ করেছে প্রকাশ করে।অপর দিকে একই দিন ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে থেমে থাকা ১টি নৌকা মিয়ানমার থেকে মাদকের চালান নিতে আসা ৪ জন বাংলাদেশী নাগরিক আটক করেছে।পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক পাচারে জড়িত ১১ জন বাংলাদেশী নাগরিককের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও উক্ত তথ্যের মধ্যে উল্লেখ করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমামুল হাফিজ নাদিম সময়ের কন্ঠস্বরকে বলেন বিষয়টি অবগত হয়েছি। ওপার সীমান্তে আটক হওয়া ১১ জন বাংলাদেশী নাগরিকের তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিহিত করা হয়েছে। তথ্য সংগ্রহ করার পর পরবর্তী প্রদক্ষেপ গ্রহন করা হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
