কুষ্টিয়ার মিরপুরে শিশুদের খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক বিএনপি কর্মী অভিভাবক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২১ জনকে আটক করেছে।শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আমলা ইউনিয়নের বুড়ামারা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় আটককৃতদের বসতবাড়ি হতে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থক বলে জানা গেছে। তবে কোন রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে আটক করা হয়নি বলে জানায় পুলিশ।এদিকে আটককৃরদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন নামাজের সময় তাদেরকে আটক করে নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় তারা জড়িত নয়।মিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলাম আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিরপুর উপজেলার বুড়ামারা গ্রামে গতকাল বৃহস্পতিবার দুই শিশুর মধ্যে খেলাধুলা নিয়ে মারামারি হয়। এ ঘটনায় এক শিশুর অভিভাবক অপর পক্ষের কাছে বিষয়টি জানতে গেলে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষরা ওই অভিভাবকের ওপর হামলা চালায় এবং তাকে গুরুত্বর জখম করে। আহত ব্যক্তিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, খেলাধুলা কে কেন্দ্র করে বুড়াপাড়া গ্রামে দুজন বাচ্চা মারামারি করে। পরবর্তীতে বাচ্চার মারামারিকে কেন্দ্র করে বয়স্ক লোকদের মধ্যে ঘটনাটি চলে যায়। এটা নিয়ে গ্রামে দুটি পক্ষ হয়ে যায়। দুটি পক্ষ মধ্যে একজনকে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় এক পক্ষ মামলা দিয়েছে অপরপক্ষ এখনো মামলা দেয়নি। যে পক্ষ মামলা দিয়েছে এ মামলায় আমরা ২১ জনকে আটক করেছি। যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।নামাজের সময় আটক করার বিষয়ে ওসি বলেন, এটা আসলে সত্য নয়। তাও আমরা যাচাই-বাছাই করবো। ঘটনার সাথে জড়িত কিনা।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
