পাবনার ভাঙ্গুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে চার দিনব্যাপী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টায় সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে প্রথম দিনের বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, পাবনা জেলার মধ্যে ভাঙ্গুড়া উপজেলায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার সবচেয়ে বেশি। তবে প্রথম দিনের পরীক্ষায় মোট ৬৭৬ জন নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১৬ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দীর্ঘ বিরতির পর এই পরীক্ষা পুনরায় চালু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।উল্লেখ্য, সবশেষ ২০০৮ সালে প্রাথমিকে আলাদাভাবে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০০৯ সাল থেকে পিইসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়া শুরু হয়। দীর্ঘ সময় পর পুনরায় এই পরীক্ষা পদ্ধতিতে ফিরে আসায় উপজেলার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোর শিক্ষার্থীরাও এতে অংশগ্রহণ করছে।পরীক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সেকেন্দার আলী জানান, যেসব শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল, তাদের অধিকাংশই বর্তমানে ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। নতুন শ্রেণির পড়াশোনার চাপ এবং পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাবই এই অনুপস্থিতির মূল কারণ বলে তিনি ধারণা করছেন।পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করে দেখা গেছে, উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে নকলমুক্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা নিশ্চিত করতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিভাবকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি হবে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
