অটিজমের শিকার বাচ্চাদের অনেককেই ছোটবেলা দেখে বোঝার উপায় থাকে না যে অটিজমের শিকার। কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যখন কথা না বলতে পারা, অস্থিরতা, ভায়োলেন্ট হওয়াসহ অন্যান্য লক্ষণ প্রকাশিত হতে থাকে, তখন বাবা–মা এই শিশুকে নিয়ে একা হয়ে পড়েন। তখন এই বাচ্চার যথাযথ থেরাপি, স্পেশাল স্কুল, বিহেভিয়র থেরাপি নেওয়ার মতো সচেতনতা বা সাহস বাবা–মায়ের থাকে না। সচেতনতার অভাবে সঠিক গাইডেন্সও পান না। “অটিজম ও মানবতা–প্রতিটি জীবনেরই মূল্য আছে” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দেশে পালিত হচ্ছে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। তবে এখনো অটিজম শব্দটির সঙ্গে একধরনের সামাজিক জড়তা বা নেতিবাচক ধারণা জড়িয়ে আছে।অটিজমে আক্রান্ত মানুষদের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত থেরাপি সেন্টার, স্পিচ থেরাপি এবং বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সরকারকেই এসব উদ্যোগ নিতে হবে। অটিজম বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং স্নায়ুবৈচিত্র্যের অগ্রগতির মাধ্যমে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে।দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা।এ উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সামাজিক সংগঠন নানা সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করেছে। এসব উদ্যোগ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি শিশুদের একসঙ্গে মেলামেশা ও নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দিচ্ছে।অটিজমে আক্রান্ত শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনমান উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে ২ এপ্রিলকে ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে প্রতি বছর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
