যশোরের শানতলার ‘যশোর ফিলিং স্টেশন’ থেকে জোরপূর্বক তেল নিয়ে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগে বহিষ্কৃত দুই যুবদল নেতার বহিষ্কারাদেশ একদিন পরই প্রত্যাহার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) যশোর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ ও সদস্য সচিব আনছারুল হক রানা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই আদেশ প্রত্যাহার করা হয়।বিবৃতিতে জানানো হয়, সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম কবির ওয়াসিম ও ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য জাকির হোসেন জিকো দফাদারকে গত ৩০ মার্চ সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে ওই বহিষ্কার প্রক্রিয়া সঠিক নিয়মে সম্পন্ন না হওয়ায় তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্তের জন্য সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর রহমান তুহিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁকে আগামী তিন দিনের মধ্যে সঠিক তদন্ত করে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের কাছে লিখিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তেলকাণ্ডের বিষয়ে অভিযুক্ত শামীম কবির ওয়াসিম জানান, “আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে একটি পক্ষ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আমি এই ঘটনার সাথে জড়িত না থাকলেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দোষ চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তারা দলীয় হাইকমান্ডকে ভুল বুঝিয়ে স্বার্থ হাসিল করতে চেয়েছিল। সঠিক তদন্তে সত্য বেরিয়ে আসবে।”প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ রাতে ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে শানতলা এলাকার যশোর ফিলিং স্টেশনে প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক জ্বালানি তেল নিয়ে খোলাবাজারে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে ২৯ মার্চ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে তিনি সাংগঠনিক ব্যবস্থার নির্দেশ দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ মার্চ তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছিল।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
