যশোর সদর উপজেলার শানতলার ‘যশোর ফিলিং স্টেশন’ থেকে যুবদলের নাম ভাঙিয়ে জোর করে খোলা তেল নিয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে নিজেই ওই পাম্প পরিদর্শনে গিয়ে ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করেন। পরে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হন।প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন যুবদলের নাম ভাঙিয়ে পাম্প থেকে জোরপূর্বক তেল সংগ্রহ করে তা খোলা বাজারে বেশি দামে বিক্রি করছিল। এতে সাধারণ ক্রেতারা প্রতারিত হওয়ার পাশাপাশি বাজারে কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছিল।এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পাম্পের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যায়। ফুটেজে দেখা যায়, যুবদলের নাম ভাঙিয়ে ওয়াসিম, নাহিদসহ আরও কয়েকজন ব্যক্তি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াসিম জানান, পাম্প থেকে খোলা তেল নিয়ে বেশি দামে বিক্রির সাথে তিনি জড়িত নন। একটি পক্ষ তাকে ফাঁসানোর জন্য দলীয় হাইকমান্ডে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের যুবদলের সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ জানান, যুবদলের নাম ভাঙিয়ে কেউ অন্যায় করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দলীয় হাইকমান্ডও তাদের সোচ্চার থাকতে বলেছেন। এফএস
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
