টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় মো. মেহেদী হাসান (২২) নামের এক কলেজপড়ুয়া ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের সোনামুই এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। মেধাবী এই শিক্ষার্থীর অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।নিহত মেহেদী হাসান সোনামুই গ্রামের মো. লালমাহমুদের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরিবারের একমাত্র ছেলে হিসেবে তাঁকে নিয়ে স্বজনদের অনেক স্বপ্ন ছিল বলে জানা গেছে।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে নিজ বাড়িতে মেহেদী হাসানকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার আগেই তাঁর মৃত্যু ঘটে। খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।ঘটনাস্থল থেকে নিহতের নিজ হাতে লেখা একটি চিঠি (সুইসাইড নোট) উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই চিঠিতে তিনি তাঁর মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করার কথা উল্লেখ করেছেন। প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মেহেদী হাসান গত কয়েকদিন ধরে মানসিকভাবে কিছুটা অস্থির ও চাপের মধ্যে ছিলেন। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এমন চরম পথ বেছে নিয়েছেন, তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে।গোপালপুর থানা পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। উদ্ধারকৃত চিরকুটটি তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।একজন শান্ত ও মেধাবী ছাত্রের এমন আকস্মিক বিদায়ে সোনামুই গ্রামে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে। সহপাঠী ও এলাকাবাসী মেহেদীর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
