টাঙ্গাইলে ট্রেন দুৃৃর্ঘটনায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নারী ও শিশুস নিহত ৫ জনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে নামাজে জানাজা শেষে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়। এর আগে শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল পৌনে ৮ টার দিকে একটি মিনি ট্রাকে করে নিহতের মরদেহ নিজ গ্রামে এসে পৌঁছে। এরপর শুরু স্থান নির্ধারণ ও কবর খনন কাজ। নিহত ৫ জনের মধ্যে ৩ জন একই পরিবারের সদস্য। এরা হলেন, নিজপাড়া গ্রামের হামিদুল ওরফে হাম্বুর স্ত্রী নার্গিস বেগম (৩৫), তার ছেলে নীরব (১১), নার্গিসের বিয়ান জাকির মিয়ার স্ত্রী দোলা (৩৫), আজিজার রহমানের ছেলে সুলতান মাহমুদ (৩০) ও আব্দুর রশিদের মেয়ে রিপা (২০)। এদের মধ্যে সুলতান ও রিপা চাচাতো ভাই-বোন।সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, নিহতদের বাড়িতে চলছে শোকের মতম। কান্নায় মুর্ছা যাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা। একসঙ্গে এলাকার ৫ জন নিহতের লাশ দেখে শোকে স্তব্ধ পুরো এলাকাবাসী। নিহতদের স্মৃতিচারণ করে কান্না করছেন স্বজনরা। পাশাপাশি চলে নিহতদের কবর খনন ও গোসলের আয়োজন। পরে পৃথক নাজাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।নিহতের বাবা হামিদুল জানান, ঈদের পরদিন বড় ছেলে নাঈমের বিয়ে দিয়ে ছোট ছেলে নীরব ও বড় ছেলে নাঈমের শাশুড়িসহ পোশাক কারখানার কাজে যোগ দিতে শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে বাড়ি ছাড়েন নার্গিস।পথে ঢাকায় যাওয়ার পথে টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে নার্গিসের পরিবারের তিনজনই প্রাণ হারান। তাদের প্রতিবেশি একই গ্রামের বাসিন্দা পোশাক কারখানার শ্রমিক সুলতান (২৮) এবং তার চাচাতো বোন রিপাও (২০) মারা যান ওই দুর্ঘটনায়।ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্যানেল চেয়ারম্যান শাহাদত হোসেন জানান, বাদ জোহর এবং তার আগে পৃথক নামাজে জানাজা শেষে নিহতের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।এর আগে শুক্রবার (২৭ মার্চ) দিনগত রাত ৮টার দিকে কালিহাতি উপজেলার ধলাটেংগর এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত হন তারা।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
