ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে টানা ৭ দিন বন্ধের পর মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেনাপোল স্থলবন্দর আবার সচল হয়েছে। তবে কাস্টমস ও বন্দরে লোকজনের উপস্থিতি অকেটা কম। জরুরী ছাড়া অনেকে পণ্য খালাস নিতে আগ্রহী নই। তবে বন্দরে পুরোপুরি কর্মচাঞ্চল্য ফিরতে আরও কয়েকদিন লাগবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।মঙ্গলবার সকাল থেকে বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে বলে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের চেকপোস্ট কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিউর রহমান।শফিউর রহমান বলেন, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৭ দিন বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হলেও ঢিমেতালে চলছে। বুধবার (২৫ মার্চ) অফিস হয়ে আবারো স্বাধীনতা দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটিতে দুই দিন বন্ধ থাকবে। আগামী শনিবার (২৮ মার্চ) থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, দেশের ৭৫ ভাগ শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাঁচামালের পাশাপাশি বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য আসে এই বন্দর দিয়ে। আমদানিকারকরা গ্রামে ঈদ করতে যাওয়ায় এখনও ঢাকায় তাদের অফিস খোলেনি। তাই বন্দর থেকে পণ্য খালাসও তেমন নেওয়া হচ্ছে না। পুরোপুরি কাজ শুরু হতে আগামী রবিবার লেগে যাবে বলে তিনি মনে করেন।এদিকে ঈদের ছুটিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে টানা ৭ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় ওপারের পেট্রাপোল বন্দর এলাকায় ট্রাক জটের সৃষ্টি হয়েছে। বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় শত শত পণ্যবাহী ট্রাক বন্দর এলাকা, বন্দরের ট্রাক টার্মিনাল, পেট্রাপোল পার্কিং ও বনগাঁ পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জানান।বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন বলেন, বন্দর থেকে অনেকে পণ্য খালাস নিচ্ছেন। তবে আগের চেয়ে অনেকাংশে কম। বন্দরে পণ্যজট কমাতে দ্রæত পণ্য খালাসের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পিএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
