মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরাইলের অভ্যন্তরে নতুন করে বড় ধরনের হামলার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির শক্তিশালী সামরিক শাখা ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর’ (IRGC) এই অভিযানের কথা নিশ্চিত করেছে। ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’-এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ইসরাইল ও মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলোতে এটি তাদের ‘৭৭তম’ পর্যায়ের হামলা।বিবৃতি অনুযায়ী, ইসরাইলের উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ অংশে একযোগে এই অভিযান চালানো হয়েছে। হামলায় ইরানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ‘সুপার-হেভি’ এবং ‘পয়েন্ট-অ্যান্ড-শুট’ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া শক্তিশালী ‘খাইবার শেকান’ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ঝাঁকে ঝাঁকে ধ্বংসাত্মক ড্রোন ব্যবহার করে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।ইসরাইলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি কৌশলগত সামরিক ঘাঁটিকেও হামলার লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করেছে ইরান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটি।সৌদি আরব: প্রিন্স সুলতান সামরিক ঘাঁটি। সংযুক্ত আরব আমিরাত: আল-দাফরা বিমান ঘাঁটি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করে বিবৃতিতে বলা হয়, “ট্রাম্পের পরস্পরবিরোধী আচরণ আমাদের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরিয়ে নিতে পারবে না। লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।” মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক তৎপরতার পাল্টা জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি তেহরানের।ইরানের এই আকস্মিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ইসরাইল ও মার্কিন পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো না হলেও এই ঘটনা অঞ্চলটিকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের কিনারে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
