মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে ৫৩২ বছরের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী মা রক্ষা কালীপূজা সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার (২২ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার শেখরনগর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন মন্দির প্রাঙ্গণে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছরের মতো এবারও কয়েক লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম প্রত্যাশিত। শুধুমাত্র দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নয়, এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকেও হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তরা পূজায় অংশ নিতে আসেন।বিশাল জনসমাগমের জন্য নেওয়া হয়েছে ছয় স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে প্রমাসন। এতে যৌথ বাহিনী, পুলিশ, সেনাবাহিনী, র্যাব ও ডিবি পুলিশ সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।শেখরনগর ঋষি সমিতির উদ্যোগে বাংলা ৯০১ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। আগামী ২৪ মার্চ মূল পূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজার অন্যতম আকর্ষণ হলো ভক্তদের মান্নত পূর্ণ করা, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ভক্তরা পাঠা ও কবুতর উৎসর্গ করে ইচ্ছা পূরণের প্রার্থনা করেন। সারারাতব্যাপী পূজা-অর্চনার পর ভোরে পাঠা বলির মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি ক্যাপ্টেন সাদমান শাকিব, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির, সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ, শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাসিবুর রহমান, সিরাজদিখান সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আনোয়ার পারভেজ, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল হান্নান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. হায়দার আলী, হিন্দু-বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিমল চন্দ্র দাস, এবং শেখরনগর মা রক্ষা কালী মন্দিরের পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি রতন দাসসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।প্রস্তুতি সভায় বক্তারা বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের অন্যতম বৃহৎ এই ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।পিএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
