গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান কমান্ডার ইসমাইল কানির একটি বিবৃতি ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে। ‘অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স’ বা ইরানের মিত্র ও প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর নেতাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এই বিবৃতিতে কানি এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন।বিবৃতিতে ইসমাইল কানি যুক্তি দিয়েছেন যে, আন্দোলনের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের অনুপস্থিতি এই সংগ্রামকে দুর্বল করে না। তিনি উল্লেখ করেন, “প্রতিরোধের শহীদদের নেতা” (সম্ভবত আলী খামেনি বা কাসেম সোলেমানিকে ইঙ্গিত করে) সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি ও প্রয়াত আলী খামেনির আদর্শিক পথ বর্তমান সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে পূর্ণ শক্তি ও কর্তৃত্বের সাথে অব্যাহত থাকবে।ইরানে বর্তমানে শীর্ষ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে সশরীরে উপস্থিত না হয়ে কেবল লিখিত বার্তা প্রকাশের একটি নতুন প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে, আজ ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের উপস্থাপক মোজতবা খামেনির একটি লিখিত বার্তা পড়ে শোনান। এটি তাঁর পিতা প্রয়াত আলী খামেনির ঐতিহ্যের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আলী খামেনি সাধারণত প্রতি বছর নওরোজ (পারস্য নববর্ষ) উপলক্ষে ক্যামেরার সামনে এসে ভাষণ দিতেন।চলতি মাসের শুরুতে উত্তরাধিকারী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনিকে এখনো জনসমক্ষে দেখা যায়নি। এমনকি তাঁর কোনো নতুন ছবি বা ভিডিওচিত্রও প্রকাশিত হয়নি। এখন পর্যন্ত তাঁর পক্ষ থেকে কেবল বেশ কিছু লিখিত বার্তা ইরানি গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও জল্পনার সৃষ্টি করেছে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
