টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম খানকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বদলির আদেশ জারি হলেও তিনি এখনো একই কর্মস্থলে বহাল থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এলজিইডি সদর দপ্তরের এক অফিস আদেশে তাকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় পদায়ন করা হয়েছিল। ওই আদেশে দ্রুত বর্তমান কর্মস্থল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশও দেওয়া হয়। তবে স্থানীয়দের দাবি, তদবিরের মাধ্যমে তিনি বদলির আদেশ স্থগিত রেখে নাগরপুরেই থেকে গেছেন।স্থানীয় ঠিকাদারদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ঠিকাদার জানান, বিল অনুমোদন বা ফাইল ছাড় করতে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন দিতে হতো। তা না দিলে ফাইল আটকে রাখা বা নানা ধরনের হয়রানি করা হতো।এছাড়া কাজ সম্পূর্ণ না হলেও বিল উত্তোলনের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এতে কয়েকটি প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সংবলিত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম খান কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এলজিইডি সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করে তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলছেন, বদলির আদেশের পরও একই কর্মস্থলে বহাল থাকা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তারা অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।ইখা
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
