টি-টোয়েন্টিতে এখন দুর্দান্ত ছন্দে আছে বাংলাদেশ। টানা চারটি সিরিজ জয় আত্মবিশ্বাসের পরিমাণ বাড়িয়েছে বহুগুণে। অন্যদিকে, নেপালের বিপক্ষে হেরে মান-সম্মান হারিয়ে এসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই দলের সাম্প্রতিক ফর্মে ব্যবধান থাকলেও, লক্ষ্য কিন্তু একই—আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সেরা দলটা গড়ে তোলা।আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) চট্টগ্রামের শুরু হবে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথমটি। এই সিরিজ থেকেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতির শেষ ধাপ শুরু করছে টাইগাররা। ক্যারিবীয়দের পর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ খেলেই তারা বিশ্বকাপ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করবে।এশিয়ার উইকেট ও আবহাওয়া মানিয়ে নিতে বেশ কিছুদিন আগে বাংলাদেশে এসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। চট্টগ্রামে লম্বা সময় অনুশীলন করে তারা উইকেটের চরিত্র বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। বিশ্বকাপের আগে এই সিরিজ তাদের জন্যও পরীক্ষার মঞ্চ।এদিকে এ ম্যাচে ইনজুরি কাটিয়ে ফিরছেন বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের নিয়মিত অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। টাইগার ব্যাটিং অর্ডারের মূল ভরসা তিনিই। ওয়েস্ট ইন্জিজের বিপক্ষে এ ম্যাচে ওপেন করতে দেখা যেতে পারে দুই তরুণ জুটি তানজিদ হাসান তামিম এবং পারভেজ হোসেন ইমনকে। সেক্ষত্রে তিন নম্বরে ব্যাট করবেন অধিনায়ক লিটন দাস। আর মিডল অর্ডারে হাল ধরতে পারেন সাইফ হাসান। আজ মিডেল অর্ডার সামলাতে পারেন তাওহীদ হৃদয়ও। এক্ষেত্রে কপাল পুড়বে জাকের আলী অনিকের। ব্যাটিং অর্ডারে শামীম হোসেন পাটোয়ারি ও নুরুল হাসান সোহানও আছেন টিম ম্যানেজমেন্টের ভাবনায়।মিরপুরের তুলনায় চট্টগ্রামের উইকেট কিছুটা ব্যাটিং বান্ধব হওয়ায় অতিরিক্ত ব্যাটার হিসেবে অল রাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান থাকতে পারেন টিম ম্যানেজমেন্টের ভাবনায়। আর স্পিন ডিপার্টমেন্টে রিশাদ হোসেনের জায়গা প্রায় চূড়ান্ত। তার সাথে দেখা যেতে পারে নাসুম আহমেদকে। এদিকে আজ মাত্র একজন পেসার নিয়ে বাংলাদেশের একাদশ সাজানোর সম্ভাবনা আছে। সেক্ষেত্রে এ জায়গাটা মোটামুটি নির্ধারিত থাকবে মুস্তাফিজুর রহমানের জন্যই। তবে যদি দুই পেসার নিয়ে বাংলাদেশ খেলতে চাই সেক্ষেত্রে বাদ পড়তে পারেন শেখ মেহেদী হাসান। এক্ষেত্রে দলে জায়গা হতে পারে তানজিম হাসান তামিমের। বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ:লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী হাসান/তানজিম হাসান সাকিব, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
