খাগড়াছড়ির রামগড়ে পুত্রের হাতে পিতা খুনের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই দিবাগত রাতে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস লাগানো মরদেহ উদ্ধার হয় স্থানীয় বাদাম বিক্রেতা মাখন চন্দ্র (৫৪) এর। মাখন চন্দ্র রামগড় পৌরসভার ০৩নং ওয়ার্ডস্থ উত্তর গর্জনতলীর বাসিন্দা।নিহত মাখন চন্দ্র নাথের মরদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন থাকায় সন্দেহ দেখা দেয় জনমনে। তারপর নিহতের ভাই রাখাল চন্দ্র নাথ (৭০), বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামী শুভ চন্দ্র নাথ (১৯), পিতা-মৃত মাখন চন্দ্র নাথ, মাতা-বন্ধনা রানী নাথ, সাং-উত্তর গর্জনতলী, ০৩নং ওয়ার্ড, রামগড় পৌরসভা, থানা-রামগড়, জেলা-খাগড়াছড়ি।গত ১৩ জুলাই সন্ধ্যা ০৭:৩০ ঘটিকা থেকে একই রাত্র ১৪/০৭/২০২৫ খ্রি. তারিখ রাত অনুমান ০১:৩০ ঘটিকার মধ্যে যে কোন সময় রামগড় থানাধীন রামগড় পৌরসভার ০৩নং ওয়ার্ডস্থ উত্তর গর্জনতলী সাকিনে ভিকটিমের নিজ বসতঘরে সামনের বারান্দায় বাদীর ভাই ভিকটিম মাখন চন্দ্র নাথ (৫৪) এর সহিত ঝগড়াঝাটির একপর্যায়ে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে কোদালের হাতল দিয়ে বাদীর ভাইয়ের মাথার বাম পাশে স্বজোরে আঘাত করে।এতে গুরুতর রক্তাক্ত হয়ে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে রাতেই মৃত্যুবরণ করে মাখন চন্দ্র। এদিকে আসামী শুভ বাদীর ভাইয়ের মৃত্যুর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বাদীর ভাতিজা তার মাকেও হত্যার হুমকি দেয়। বাদীর ভাই মাখন চন্দ্র নাথ গলায় রশি দিয়ে বর্ণিত ঘটনাস্থলে বাঁশের আড়ার সাথে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করার নাটকও সাজান।এ মর্মে প্রচার করতে এবং মিথ্যা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করে অপমৃত্যু মামলা করতে বাধ্য করে বাদিকে। রামগড় থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মইন উদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন পুলিশ অধিকতর তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় ২১ অক্টোবর নিজ বাড়ি থেকে হত্যাকারী নিজ ছেলে শুভ চন্দ্র নাথ (১৯) কে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছে। আসামী শুভ আদালতে স্বীকারোক্তিও প্রদান করেছে। এফএস
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
