সিঙ্গাপুর প্রবাস থেকে মেয়ের মোবাইলে কুপ্রস্তাব দেয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের কলহের জেরে প্রতিবেশীদের চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে দিয়েছেন আলম মিয়া নামে এক ব্যক্তি। ফলে হুমায়ুন কবিরসহ চার পরিবারের সদস্যরা কাঁদা পানি মাড়িয়ে বাড়ির পেছন দিয়ে চলাচল করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের অষ্টমুনসিয়া গ্রামে।সরেজমিনে জানা যায়, আলম মিয়া ও তার লোকজন হুমায়ুন কবিরের বাড়ির তিন পাশে বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়েছেন। যার কারণে বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না চারটি পরিবার। ভুক্তভোগী কবিরের বাড়ির তিন পাশে বেড়া দিয়ে আটকিয়ে পথ বন্ধ করে দেয়ার জন্য গত ২৪ সেপ্টেম্বর মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।আলম মিয়া বলেন, তার মেয়ের মোবাইল ফোনে হুমায়ুন কবিরের ছেলে সেলিম সিঙ্গাপুর থেকে আপত্তিকর মেসেজ পাঠায়। এ বিষয়ে তার স্ত্রী ও মেয়ে সেলিমের পরিবারকে জানাতে গেলে কয়েকজন মিলে তার স্ত্রী ও মেয়েকে মারধর করেছে। এ কারণে তিনি তার নিজের জায়গায় বাঁশের বেড়া দিয়েছেন।হুমায়ুন কবির বলেন, আমার ছেলে সিঙ্গাপুর প্রবাসী, সে বিবাহিত এবং তার একটি সন্তান রয়েছে। কে বা কারা তার মেয়ের মোবাইলে মেসেজ পাঠায় তা আমাদের জানা নেই। মেসেজ দেখাতে বলেছি কিন্তু দেখায় না। সেই মেসেজের সূত্রধরে প্রতিনিয়ত আমাদের সাথে ঝগড়া করে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরদিন সকালে আলম ও তার লোকজন আমাদের বাড়ির তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছে।ভাতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম বলেন, বেড়া দিয়ে চলাচলের পথ বন্ধ করার খবর পেয়ে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যকে পাঠিয়ে আলম মিয়াকে বেড়া খুলে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু বেড়া এখন পর্যন্ত খুলে নাই। বিষয়টি অমানবিক।অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা মির্জাপুর থানার এসআই রমিজ রায়হান জানান, এক পক্ষ পূর্ব বিরোধের জের ধরে চলাচলের পথে বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়েছে। দুপক্ষই থানায় অভিযোগ করেছেন। দুপক্ষকে থানায় আসার জন্য ডেকেছিলাম কিন্তু তারা আসে নাই।পিএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
