‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’ আজ সোমবার (৬ অক্টোবর)। মূলত নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করতে হবে। প্রতি বছরের মতো এবারও স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের উদ্যোগে দিবসটি পালিত হচ্ছে।১৮৭৩ সালের ২ জুলাই ব্রিটিশ সরকার অবিভক্ত বাংলায় জন্মনিবন্ধন সংক্রান্ত আইন জারি করেন। এরপর ২০০১-০৬ সালে ইউনিসেফ-বাংলাদেশের সহায়তায় পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে ২৮টি জেলায় ও ৪টি সিটি করপোরেশনে জন্মনিবন্ধনের কাজ নতুন করে শুরু হয়। তবে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০ শতাংশ জন্ম এবং মৃত্যু নিবন্ধন সম্পন্ন করতে ‘জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস’কে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।প্রতি বছর ৬ অক্টোবরকে ‘জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস’ এর পরিবর্তে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’ ঘোষণা এবং দিবসটি উদ্যাপনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এ বিষয়ের পরিপত্রের ‘গ’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্তিকরণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয় ২০২১ সালে।জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ এর ৮ ধারা অনুযায়ী, শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন এবং কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে মৃত্যু নিবন্ধন করতে হবে।জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০ ভাগ মানুষকে নিবন্ধনের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন আইনে সবাইকে জন্ম ও মৃত্যুর দেড় মাসের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
