গাজার উদ্দেশে যাত্রা করা গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় আছেন বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম। বুধবার (১ অক্টোবর) রাতে এই নৌবহরে হানা দিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। ইতোমধ্যেই ১৩টি জাহাজ থেকে গ্রেটা থানবার্গসহ দুই শতাধিক কর্মী ও সমাজসেবীকে আটক করেছে ইসরায়েল।জানা গেছে, শহিদুল আলম বর্তমানে কনসায়েন্স নামে একটি বড় জাহাজে রয়েছেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেটি আটক হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে তার নিরাপত্তা নিয়ে দেশে-বিদেশে উদ্বেগ বেড়েছে।ফেসবুকে শহিদুল আলমের সর্বশেষ পোস্ট পাওয়া গেছে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আগে। সেখানে ইসরায়েলকে ইঙ্গিত করে তিনি লেখেন- ‘আমরা বারবার যাত্রা করবো। কারণ এই জলসীমা তোমাদের নয়, ওই ভূখণ্ডও তোমাদের নয়; যতক্ষণ না ফিলিস্তিন স্বাধীন হচ্ছে।’এর আগে একাধিক ভিডিও বার্তায় তিনি নৌবহরের ভেতরের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। বুধবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে শহিদুল আলম জানান, আমরা এখন ওসেনে আছি। এইমাত্র সংবাদ আসলো যে আলমার ওপর আক্রমণ হয়েছে। কিছুক্ষণ পরে সেখান থেকে সিগনালে আসা বন্ধ হয়ে যায়। এখন আমরা সবাই একসঙ্গে জড়ো হয়েছি। আমরা সবাই উদ্বিগ্ন। বিভিন্ন জায়গায় আমরা রিপোর্ট দিতে চেষ্টা করছি। আলমা সবার প্রথমে ছিল। আমাদের জাহাজ সবচেয়ে বড় এবং নৌবহরের শেষের দিকে আছে। কাজেই আলমার সঙ্গে যা হচ্ছে, সেটা আমাদের ওপর হবে সেটা অনুমান করা যায়। সে কারণে এটা আমাদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। অনেক দেশের মানুষ রয়েছে যে যার মতো তাদের নিজ দেশে জানানোর চেষ্টা করছে।এর ২ ঘণ্টা পর আরেক ভিডিও বার্তায় বলেন, আজ সন্ধ্যায় সমুদ্র উত্তপ্ত হয়ে যায়, বজ্রপাত শুরু হয়। এই উত্তপ্ত সাগরের মধ্যে যতো দ্রুত সম্ভব চেষ্টা করছে এগিয়ে যেতে। আমরা সবচেয়ে পেছনে আছি। আমাদের ওপর কী আসবে সেটা এখনো বোঝা যাচ্ছে না।তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল চেষ্টা করছে অন্যদের ওপর আক্রমণ করে আমাদেরকে সাবধান করার। তারা আমাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। আমরা সবাই এই ঝড়ের মধ্যে বাইরে এসে একসঙ্গে তাদের সাথে সহমর্মিতা জানাচ্ছি। আপনারাও যে তাদের সঙ্গে আছেন, আমাদের সঙ্গে আছেন এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, সেটা আমাদের জানাবেন। আমরা তাদেরকে তা পৌঁছে দেবো।এসকে/আরআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
