পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ভাউলাগঞ্জ দারুসসালাম নেসারিয়া আলিম মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্য ও নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে অধ্যক্ষ মাওলানা আজিবুর রহমান ও তার ছেলে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাহমুদ হাসান মাসুদের বিরুদ্ধে।অভিযোগে বলা হয়েছে, ভুয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজ ব্যবহার করে ছেলে মাসুদকে সভাপতি বানানোর পর এনটিআরসি নিবন্ধন ছাড়াই পূর্বের তারিখ দেখিয়ে প্রায় ১০ জন শিক্ষক ও অনিয়ম করে ৫ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাসুদের শিক্ষাগত সনদপত্রও ভূয়া বলে দাবি করা হয়েছে।এছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বাবা-ছেলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মাদ্রাসার ভবনের নকশা পরিবর্তন করে শ্রেণিকক্ষের জানালা বন্ধ করে সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ করেছেন, যা অবৈধ ও মাদ্রাসার স্বার্থবিরোধী।চলতি বছরের ৪ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে আরো বলা হয়, ইতোমধ্যে ৫ জন শিক্ষকের এমপিও অনুমোদনের জন্যও ভুয়া কাগজপত্র প্রেরণের চেষ্টা চলছে। এসব অনিয়মে দেবীগঞ্জ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সহযোগিতা রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অভিযোগকারী মামুন মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘ছেলেকে সভাপতি বানিয়ে বাবা অনিয়মের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ করেছেন। আমরা চাই সঠিক তদন্ত হোক এবং এই ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসার সুনাম নষ্ট না হোক।’এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আজিবুর রহমান বলেন, ‘আমার ছেলের বিষয়ে আপনার আপত্তি কোথায়। আমিতো আপনার সব কথার উত্তর দিতে পারবোনা। একটা তদন্ত হচ্ছে সেটা হোক। ঠিক আছে ভাল থাকবেন।’সম্প্রতি তদন্তে মাদ্রাসাটি পরিদর্শন করেন দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, ‘আমি দায়িত্ব পেয়ে তদন্তে গিয়েছিলাম। তাদের কাছে কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা অফিসার জড়িতের যে অভিযোগ করা হয়েছে তাও দেখা হচ্ছে। সব কিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
