শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর দাবিকে কেন্দ্র করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও নাটোর থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিকপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে আজ শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।এতে শত শত যাত্রী টিকিট কাউন্টারে এসে গন্তব্যে যেতে না পেরে ফিরে যাচ্ছেন। কাউন্টার থেকে টিকিটের টাকা ফেরত দেয়া হলেও যাতায়াতে হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন তারা। সামনে ছুটির দিন থাকায় যাত্রীর চাপ বৃদ্ধি পেলেও পর্যাপ্ত পরিবহন পাচ্ছেন না যাত্রীরা।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে রাজশাহী-ঢাকা রুটে চালক প্রতিটি ট্রিপে ১ হাজার ২৫০ টাকা, সুপারভাইজার ৫০০ টাকা এবং সহকারী ৪০০ টাকা পান। শ্রমিকদের আন্দোলনের পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মালিক-শ্রমিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, শুক্রবার থেকে চালককে ১ হাজার ৭৫০ টাকা, সুপারভাইজারকে ৭৫০ টাকা ও সহকারীকে ৭০০ টাকা দেওয়া হবে। কিন্তু নির্ধারিত দিন বাস্তবায়নের আগে মালিকপক্ষ বেশি টাকা দেওয়া সম্ভব নয় জানিয়ে হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়।মালিকপক্ষের দাবি, শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। এরপরও তারা অযৌক্তিক দাবি সামনে আনছেন যা মেনে নেওয়া সম্ভব না। শ্রমিকদের সঙ্গে না পেরে তারা নিজেরাই এবার বাস বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর রাতে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ঐ তিন জেলা থেকে দূরপাল্লার বাস চালানো বন্ধ করে দেন শ্রমিকরা। দুদিন পর মালিকপক্ষের আশ্বাসে তারা ফের বাস চালানো শুরু করেন। আশ্বাস অনুযায়ী, বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করা না হলে ২২ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে ফের কর্মবিরতি শুরু করেন তারা। ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেল পর্যন্ত একতা ছাড়া বাকি সব বাস চলাচল বন্ধ ছিল।এমআর-২
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
