কফি হাউজের সেই আড্ডাটা থাকুক আর না থাকুক, এই পানীয়ের প্রতি ভালোবাসা কিন্তু এখনও অটুট রয়েছে। তাই তো আমাদের মধ্যে অনেকেই দিনে একাধিকবার ধূমায়িত কফির কাপে চুমুক দিয়েই দিন কাটান। নইলে রাতে তাঁদের দুই চোখের পাতা এক হতে চায় না। তবে মনে রাখবেন, এই পানীয়ও কিন্তু সকলের জন্য উপাদেয় নয়। আর এই কারণেই কিছু ব্যক্তিকে কফি খেতে বারণ করেন বিশেষজ্ঞরা।তাহলে আর দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক, যাঁরা কফি খেলে ভয়াবহ শারীরিক সমস্যার খপ্পরে পড়তে পারেন। আর আপনার নামও যদি এই তালিকায় থাকে, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব এই পানীয় থেকে দূরে থাকুন। নয়তো কিছু ক্ষেত্রে কফি খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।তাহলে সুস্থ থাকতে দেখে নিন যাদের কফি এড়িয়ে চলা উচিত:অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক: অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা আছে যাদের, কফি পাকস্থলীর অ্যাসিড বাড়ায়। ফলে গ্যাস্ট্রিক, হার্টবার্ন, আলসার বেড়ে যেতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের রোগী: ক্যাফেইন রক্তচাপ হঠাৎ বাড়িয়ে দেয়। এতে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে।ঘুমের সমস্যা বা ইনসমনিয়া আছে যাদের: রাতে কি দুই চোখের পাতা এক করতে পারেন না? তাহলে আর সময় নষ্ট না করে আজই কফির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করুন। কারণ কফির ক্যাফেইন স্নায়ু উত্তেজিত করে, ঘুম আসতে দেরি হয় এবং ঘুমের মান খারাপ হয়। এমনকী, অত্যধিক পরিমাণে কফি খেলে বিগড়ে যেতে পারে ঘুমের সাইকেল। তাই তো বিশেষজ্ঞরা ইনসমনিয়ায় ভুক্তভোগীদের কফি খেতে বারণ করেন। এই নিয়মটা মেনে চললেই চোখে জড় হবে ঘুমপরীরা।গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারী: অতিরিক্ত ক্যাফেইন ভ্রূণের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করতে পারে এবং নবজাতকের ঘুমের সমস্যা তৈরি করতে পারে।হার্টের অনিয়মিত স্পন্দন বা পালপিটেশন যাদের হয়: কফি হৃদস্পন্দন দ্রুত করে তোলে, যা এই সমস্যাকে আরও বাড়াতে পারে। এই পানীতে উপস্থিত ক্যাফিন কিন্তু চট করে রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। আর সেই কারণেই বড়সড় বিপদের ফাঁদে পড়তে পারেন অ্যারিদমিয়ায় ভুক্তভোগীরা। যে কোনও ধরনের হৃদরোগ থাকলেই হিসেব কষে কফি খেতে হবে। এই নিয়মটা মেনে চললেই আপনার সুস্থ থাকার পথ প্রশস্ত হবে।সতর্কতা:১. দিনে ১–২ কাপের বেশি কফি না খাওয়াই ভালো।২. খালি পেটে কফি খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
