মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘদিন বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন বনশ্রী। তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ বাদ আসর মাদারীপুরে তাকে দাফন করা হবে। মাদবরের চর ইউনিয়নের শিকদারকান্দি গ্রামের মেয়ে বনশ্রী সাত বছর বয়সে পরিবারসহ ঢাকায় পাড়ি জমান। বাবা মজিবুর রহমান মজনু শিকদার ও মা সবুরজান রিনা’র তিন সন্তানের মধ্যে তিনি বড়। ১৯৯৪ সালে ‘সোহরাব রুস্তম’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে বনশ্রীর। ইলিয়াস কাঞ্চনের বিপরীতে অভিনীত এ ছবি ব্যবসা সফল হয় এবং তাকে এনে দেয় পরিচিতি। পরবর্তীতে নায়ক মান্না, আমিন খান ও রুবেলের বিপরীতেও নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন তিনি। তবে খুব বেশি দিন রুপালি জগতে টিকে থাকতে পারেননি বনশ্রী। ভাগ্যের পরিহাসে সিনেমা থেকে ছিটকে পড়েন এবং জীবনের শেষ সময়টুকু কাটে দারিদ্র্য আর অবহেলায়। জনপ্রিয় নায়িকা হয়েও বস্তিতে বাস করেছেন তিনি। দুই সন্তানের মধ্যে মেয়েটি ছিনতাই হয়ে যায়। রেখে গেছেন শুধু এক পুত্রসন্তানকে। চলচ্চিত্রপ্রেমীরা বনশ্রীর এই করুণ পরিণতিকে ‘ঢাকাই সিনেমার এক বেদনাদায়ক অধ্যায়’ হিসেবে দেখছেন।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
