গাজীপুরে একের পর এক কারখানা বন্ধ হওয়ার প্রভাব পড়েছে রাজধানীর উত্তরায়। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিদিন দোকান থেকে চুরি হচ্ছে, পথচারীরা ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন।স্থানীয় ব্যবসায়ী কামরুল হাসান বলেন, ‘গাজীপুরে যখন কারখানা বন্ধ হচ্ছিল, তখনই আমরা বুঝেছিলাম এর প্রভাব উত্তরায় পড়বে। এখন দোকান থেকে চুরি হচ্ছে, পথচারীরা ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন। পুলিশ আছে, কিন্তু অপরাধীদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়েছে।’অন্য বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম মনে করেন, গাজীপুরে বেকারত্ব বেড়ে যাওয়ায় রাজধানীতে অপরাধী প্রবাহ বাড়ছে। তার ভাষ্যে, ‘উত্তরায় প্রচুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও নগদ অর্থের লেনদেন হয়। তাই অপরাধীরা এখানে সক্রিয় হচ্ছে।’রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিষয়টি সাময়িক নয়। শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর আবু তালহা বিন রেদওয়ান বলেন, ‘দেশে হঠাৎ বেকারের সংখ্যা বেড়ে গেলে তা সমাজে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করে। উত্তরা এখন তার প্রকট উদাহরণ। সমাধান করতে হলে দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে।’এদিকে উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মহিদুল ইসলাম (অতিরিক্ত ডিআইজি) জানান, ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশের বিশেষ টিম ও টহল দল নিয়মিত কাজ করছে। তাঁর ভাষ্যে, ‘বেকারত্ব ও মাদকাসক্তি এই দুটি কারণে বেশিরভাগ যুবক ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। প্রতিদিনই একাধিক ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। উত্তরায় ছিনতাই এখন নিয়ন্ত্রণে আছে, তবে মোকাবিলায় পুলিশকে বিভিন্ন কৌশল নিতে হচ্ছে।’এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
