ফ্রান্সের জাতীয় সংসদে আস্থা ভোটে পরাজিত হয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া বাইরু। সোমবার(৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে তাঁর বিরুদ্ধে ৩৬৪টি ভোট পড়ে, যেখানে তাঁর পক্ষে ভোট দেন মাত্র ১৯৪ জন সংসদ সদস্য। এছাড়া ২৫ জন সদস্য ভোটদানে বিরত থাকেন।আস্থা ভোটে পরাজয়ের ফলে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৯ মাসের মাথায় পদ ছাড়তে হচ্ছে বাইরুকে। এর মাধ্যমে ফ্রান্সের চলমান রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর রূপ নিল। এখন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁকে দুই বছরেরও কম সময়ের ব্যবধানে পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিতে হবে।আস্থা ভোটের আহ্বান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী বাইরু নিজেই। সরকারের জাতীয় ঋণ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনার পক্ষে সমর্থন আদায়ের লক্ষ্য ছিল তাঁর।ভোটের আগে পার্লামেন্টে দেওয়া এক বক্তব্যে বাইরু বলেন, ‘সরকারকে টেনে নামানোর ক্ষমতা আপনাদের আছে। তবে বাস্তবতাকে মুছে ফেলার ক্ষমতা নেই। খরচ বেড়েই চলবে। আর ইতিমধ্যে অসহনীয় হয়ে ওঠা ঋণের বোঝা আরও ভারী হবে। ফ্রান্সের অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে পড়েছে।’তাঁর এমন বক্তব্যও সংসদ সদস্যদের মন পরিবর্তনে যথেষ্ট ছিল না। রাজনৈতিক সংকটে প্রেসিডেন্ট মাখোঁ প্রধানমন্ত্রীর পদচ্যুতি কেবল সরকারের পতন নয়, এটি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর রাজনৈতিক অবস্থানেও চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এখন তাঁকে নতুন করে একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনের চেষ্টা করতে হবে।বিগত দুই বছরে ফ্রান্সে একের পর এক সরকার ও মন্ত্রীসভার রদবদল চললেও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এবারের আস্থা ভোটে পরাজয় সেই অস্থিরতাকেই আরও প্রকট করে তুলল।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
