কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় নারায়ণগঞ্জ-লাকসাম নতুন রেললাইন নির্মাণের প্রাথমিক জরিপে অন্তত ১৯টি গ্রাম ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। প্রস্তাবিত রুট বাস্তবায়িত হলে অসংখ্য বসতবাড়ি, ভিটেমাটি ও ফসলি জমি ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।রবিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে দুই দফায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ধাপে মেঘনা উপজেলা প্রেসক্লাবে এবং দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রামবাসী অংশ নেন।মানববন্ধনকারীরা জানান, তারা উন্নয়নের বিরোধী নন। তারা চান, ‘উন্নয়ন হোক’, তবে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। তারা সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন, রেললাইন স্থাপনের ক্ষেত্রে মানুষের ক্ষতি কমিয়ে বিকল্প রুট নির্ধারণ করা হোক। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। আবেদনে বলা হয়েছে, রেললাইন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় নির্মাণ হলে বহু পরিবার বাস্তুচ্যুত হবে এবং জীবিকা হারাবে।এদিকে মেঘনাবাসীর পক্ষে সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ দিদার আহমেদ আবেদনপত্র জমা দিয়ে বলেন, ‘আমরা আশা করি সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন এবং ক্ষতি কমিয়ে বিকল্প রুট নির্ধারণ করবেন।’এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হ্যাপি দাস সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, ‘আমার এখানে কিছু করার নেই। তবে দরখাস্তটি ডিসি মহোদয়ের বরাবর পাঠানো হবে। বাকিটা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যা সিদ্ধান্ত নেবে।’এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
