পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার রাজিব ভূঞার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরও টনক নড়েনি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। ঘটনার ৯ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো লিখিত অভিযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পঞ্চগড় ও দিনাজপুর কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ।এর আগে গত ১৯ আগস্ট উপজেলার বিভিন্নি অবৈধ মিনি তেল পাম্পে ফায়ার লাইসেন্স দেওয়ার কথা বলে বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। কিন্তু এরপরও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোন বিভাগীয় পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়নি। বরং নানান অযুহাতে অভিযুক্তের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।বুধবার (২৭ আগস্ট) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জেলা কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক ফরহাদ হোসেন বলেন, আমি উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন কেউ যদি প্রতারিত হয়ে থাকেন এবং লিখিত অভিযোগ দেন সেক্ষেত্রে বিষয়টি আমলে নেওয়া হবে।এইদিকে, অবৈধ মিনি পাম্পে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফায়ার লাইসেন্স প্রদানকে ঘিরে ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি সামনে আসায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সচেতন মহল।এভাবে মিনি পাম্পের মতো ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে ফায়ার লাইসেন্স প্রদানে ভবিষ্যতে বড় ধরণে বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে ফায়ার সার্ভিস তার দায় এড়াতে পারবে না বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর দেবীগঞ্জ উপজেলার সভাপতি হরিশ চন্দ্র রায়।বিষয়টি বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ের উপ পরিচালল আনোয়ারুল হক বিএফএম (সেবা) এর নজরে আনার পর তিনি বলেন, বিষয়টি আপনার কাছে শুনলাম এখন। যদি এমনটা হয়ে থাকে তাহলে আমি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব। আমাকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন। আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
