৪৪ ভারতীয় চোরাই মোবাইল কান্ডে ঝিকরগাছার থানার এসআই রাজু ও এএসআই ওয়ালিদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ করেছেন উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বুধবার (২০ আগস্ট) লিখিতভাবে এ নোটিশ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নাভারণ পুরাতন বাজারের ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে চোরাই মোবাইল ফোন ছেড়ে দেয়।জানা গেছে, গত ১৫ আগস্ট ঝিকরগাছার নাভারণ পুরাতন বাজারের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামের দোকানে অভিযান চালায় শার্শা ও ঝিকরগাছা থানা পুলিশ। এ সময় দোকানে তল্লাশি করে ৫৩টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় নেতা লেন্টু হাজীর মধ্যস্থতায় ঝিকরগাছা থানার এসআই রাজু ও এএসআই ওয়ালিদ মোটা অংকের টাকা ও দুইটি ফোন নিয়ে সাইফুলকে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে।পরে গত ১৭ আগস্ট দুপুরে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক সার্কেলের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ ঝিকরগাছার নাভারণ পুরাতন বাজারের সাইফুলের মোবাইলের দোকানে অভিযান চালান। এ সময় সাইফুল ইসলামকে আটক ও তার স্বীকারোক্তিতে বাড়ি থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৪৪টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আটক সাইফুল ইসলামকে আদালতে সোপর্দ করা হলে ভারতীয় চোরাই ফোন বিক্রির কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ গাজী জানান, ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ করা হয়েছে।যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যাড অপস.) আবুল বাসার জানান, ক্লোজ করার সংবাদ আমার কাছে নেই, তবে তাদের কারণ দর্শানো নোটিশ করা হয়েছে বলে শুনেছি।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
