ভারতে পাচারের সময় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে মোঃ আবদিন মিয়া (৩৫) নামে একজন আসামীসহ ২ কেজি ৪৪৯ গ্রাম ওজনের ২১টি স্বর্ণের বার জব্দ করেছে ৬ বিজিবি। জব্দকৃত সোনার বাজার মূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ টাকা।আটককৃত মোঃ আবদিন মিয়া চুয়াডাঙ্গার জীবনগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের আনার আলীর ছেলে।বৃহস্পতিবার (০৭ আগস্ট) রাত ৮ টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোঃ হায়দার আলী সংবাদকর্মীদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ নাজমুল হাসান বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানাধীন সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাকারবারী কর্তৃক স্বর্ণ চোরাচালান হবে।প্রাপ্ত সংবাদের পর অধিনায়কের দিকনির্দেশনায় বিজিবির একটি সশস্ত্র চৌকস আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার নম্বর ৭৫/৩-এস হতে আনুমানিক ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইশ্বরচন্দ্রপুর রাস্তার পার্শ্বে অ্যাম্বুশ করে। এদিন দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে আভিযানিক দল একটি মোটরসাইকেলযোগে দু’জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সীমান্তের দিকে যেতে দেখে। আভিযানিক দল তাদের থামার সংকেত দিলে মোটরসাইকেল আরোহীদের একজন মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও অন্যজন নেমে পার্শ্বের একটি ছোট পুকুরে লাফ দেয়। পরবর্তীতে টহলদল পানিতে নেমে তাকে আটক করে।আটকের সময় আটককৃত ব্যক্তি মোঃ আবদিন মিয়ার হেফাজতে থাকা একটি প্যাকেট সদৃশ বস্তু পুকুরে ছুড়ে ফেলে দেয়। বিজিবি আভিযানিক দল তার দেহ তল্লাশীকারে অভিনব কায়দায় লুকায়িত অবস্থায় স্কচটেপ দ্বারা মোড়ানো একটি প্যাকেট উদ্ধার করে।পরবর্তীতে বিজিবি আভিযানিক দলের সদস্যগণ পুকুর থেকে চোরাকারবারীর ফেলে দেওয়া অপর প্যাকেটটিও উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত দুটি প্যাকেট হতে ২১টি স্বর্ণের, ০২টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২০২ টাকা জব্দ করা হয়।জব্দকৃত স্বর্ণ এবং মোবাইলের আনুমানিক সিজার মূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ টাকা।দর্শনা থানায় মামলা দায়ের পূর্বক আটককৃত আসামীকে দর্শনা থানায় হস্তান্তর এবং উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বারসমূহ চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
