বর্তমানে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ফরম্যাট টি-টোয়েন্টি। যেখানে প্রতিটি বলেই বদলে যেতে পারে ম্যাচের গতিপথ। আর এই গতিময় ফরম্যাটে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। সেই কঠিন কাজটিই অবিশ্বাস্যভাবে করে যাচ্ছেন আফগানিস্তানের লেগস্পিনার রশিদ খান।মাত্র এক দশকের মধ্যে তিনি করে ফেলেছেন এমন এক কীর্তি, যা বহু অভিজ্ঞ তারকা পুরো ক্যারিয়ারে পারেননি। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড এখন রশিদের দখলে। ক্যারিয়ারে তিনি নিয়েছেন ৬৫১ উইকেট!সাম্প্রতিক ইংলিশ ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘দ্য হানড্রেড’-এ লন্ডন স্পিরিটের বিপক্ষে বল হাতে ৩টি উইকেট নিয়ে এই মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। যদিও ‘দ্য হানড্রেড’ ১০০ বলের খেলা, তবে পরিসংখ্যানে এটি টি-টোয়েন্টির মধ্যেই ধরা হয়।এ তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ডোয়াইন ব্রাভো। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে মাঠ কাঁপানো এই অলরাউন্ডার ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ৬৩১ উইকেট নিয়ে। তবে এখন তার মূল ব্যস্ততা কোচিং পেশায়।তৃতীয় স্থানে রয়েছেন আরেক ক্যারিবীয় স্পিনার সুনীল নারাইন, যার সংগ্রহে রয়েছে ৫৮৯ উইকেট। ১৪ বছরের পেশাদার ক্যারিয়ারে এখনো তিনি বিশ্বের নানা লিগে খেলছেন নিয়মিত।চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির (৫৪৭ উইকেট) ও বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান (৪৯৮ উইকেট)। যদিও তারা দুজনই এখন ফর্মে কিছুটা পিছিয়ে, তবে নিয়মিতই অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে।এখানে বিবেচ্য বিষয় হলো এ মাইলফলক অর্জন করতে রশিদ সময় নিয়েছেন মাত্র ১০ বছর। যেখানে অন্যরা ১৪–১৫ বছরের ক্যারিয়ারে এসব অর্জন করেছেন। আইপিএলে এখন পর্যন্ত রশিদের উইকেট সংখ্যা ১৫৮টি, বিগ ব্যাশে ৯৮টি। এছাড়া আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের জার্সিতে ১৬১ উইকেট নিয়েছেন তিনি। তার সামনেই এখন কেবল টিম সাউদি, যার সংগ্রহ ১৬৪ উইকেট। তবে সাউদি অবসর নেওয়ায় রশিদের সামনে সুযোগ আছে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হওয়ার।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
