বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘১৯৮৪ সাল থেকে বাগেরহাট চারটি আসন নিয়ে গঠিত। এই ঐতিহ্যবাহী জেলাকে তিনটি আসনে রূপান্তরের প্রস্তাব শুধু নিন্দনীয় নয়, অপমানজনকও। সুন্দরবনের মতো বিশ্ব ঐতিহ্য যেখানে রয়েছে, সেই জেলাকে দুর্বল করতে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আপনি আগুন নিয়ে ছিনিবিনি খেলবেন না।’শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেল ৫টায় মোংলায় শ্রমিক দলের আয়োজনে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক (বাগেরহাট-৪) সংসদীয় আসন বিলুপ্তি করা এবং মোংলা-রামপাল পৃথক করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম এ হুঁশিয়ারি দেন।এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘বাগেরহাট দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলা ২য সামুদ্রিক বন্দর মোংলা, ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনসহ বিস্তীর্ণ জনপদের জন্য চারটি সংসদীয় আসন আছে সেটাকে কমিয়ে ৩টি আসন করার প্রস্তাবনা বাগেরহাটের সার্বিক উন্নয়ন বিরোধী কোন ষড়যন্ত্র। বাগেরহাটবাসী দলমতের ঊর্ধ্বে ঐক্যবদ্ধভাবে এ ষড়যন্ত্র রুখে দেবে। বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও মোংলা বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থাকা সত্ত্বেও বাগেরহাটকে অবহেলা করা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। শিগগিরই নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সিদ্ধান্ত থেকে সরে না এলে বাগেরহাটের ২০ লাখ মানুষ নিয়ে ঢাকায় ইসি ভবন ঘেরাও করারও হুঁশিয়ারি দেন বিএনপির এ কেন্দ্রীয় নেতা।’এর আগে পৌর শহরের শ্রমিক সংঘ চত্বর থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি প্রধান সড়ক ঘুরে পৌর মার্কেট চত্বর গিয়ে শেষ হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা এমরান হোসেন, বাবুল হোসেন রনি, শাহ আলম শেখ, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম, ইমান হোসেন রিপন, মহসিন পাটোয়ারী, শ্রমিক দল নেতা জামাল হোসেন ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নুর উদ্দিন টুটুল। এছাড়াও বিক্ষোভে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেয়।প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের বিশেষায়িত কারিগরি কমিটির প্রস্তাবে, সংবিধানের ১১৯-১২৪ ধারা অনুযায়ী জাতীয় সংসদের আসন সীমানা পুনর্নির্ধারণের অংশ হিসেবে বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট, মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর, কচুয়া ও রামপাল) এবং বাগেরহাট-৩ (মোংলা, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা) করা হয়েছে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
