পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নে ভয়াবহ নদীভাঙনের কবলে পড়েছে গলাচিপা-পটুয়াখালী মহাসড়ক। ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লঞ্চঘাটসংলগ্ন এলাকায় জোয়ারের পানিতে গাইড ওয়াল ধসে সড়কের বড় একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। যে কোনো মুহূর্তে জেলা সদরের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।সরেজমিনে দেখা গেছে, গলাচিপা-পটুয়াখালী মহাসড়কের আমখোলা লঞ্চঘাট অংশে নির্মিত গাইড ওয়ালের একাংশ ইতোমধ্যে ধসে গেছে। ভাঙনের কারণে পাকা সড়কের নিচের মাটি সরে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে গভীর ফাটল। রাস্তার একটি অংশ এখন বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। হালকা যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও ভারী যানবাহনের চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও রোগী এই সড়ক ব্যবহার করেন। এটি গলাচিপা সদরসহ আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষকে জেলা শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করে রেখেছে। সড়কটি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে জনজীবনে নেমে আসবে চরম ভোগান্তি।স্থানীয় বাসিন্দা মো. সজিব মিয়া বলেন, নদীর জোয়ারের চাপের কারণে যেভাবে রাস্তায় ফাটল ধরেছে, তাতে মনে হচ্ছে কয়েক দিনের মধ্যেই চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। ধসে পড়া গাইড ওয়ালে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও টেকসই কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।তিনি আরও বলেন, অবিলম্বে ভাঙন রোধে কার্যকর ও স্থায়ী সমাধান নিতে হবে। তা না হলে গলাচিপার একটি বড় অংশ জেলা সদর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে এলাকার আর্থ-সামাজিক জীবনে।এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান বলেন, গাইড ওয়াল ধসে পড়ার পরে সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ) জিও ব্যাগ ফেলেছিল। তবে সেটিও এখন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়েছি এবং তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
