ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো এএফসি নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এ টুর্নামেন্ট। যেখানে ‘বি গ্রুপে’ পড়েছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী টুর্নামেন্টের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন চীন, উত্তর কোরিয়া এবং উজবেকিস্তান। এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জনের পর নারী ফুটবল দলের কোচিং স্টাফ আরো শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। ইংলিশ কোচ পিটার বাটলারের নেতৃত্বে আফঈদা খন্দকার-ঋতুপর্ণা চাকমাদের অনুশীলনের জন্য কোচিং স্টাফে আরো তিনজন বিদেশি যোগ হবেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাফুফের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ। তিনি জানান, বিদেশ থেকে একজন গোলরক্ষক কোচ, একজন নারী সহকারী কোচ ও ফিজিক্যাল ফিটনেসের জন্য ট্রেনার নারী ফুটবল দলে যুক্ত হবেন। যা সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সাথে কথা বলে নিজেই খোজ নিচ্ছেন কিরণ। তবে নতুন তিন বিদেশি কোচ নিয়োগ করা হলেও বর্তমান কোচিং স্টাফের কেউই বাদ পড়ছেন না। কিরণ বলেন, ‘এখন যারা আছেন, তাদের কাউকেই বাদ দেওয়া হবে না। কোচিং স্টাফে নতুন করে বিদেশি যোগ হবেন। এদের রেখেই নতুন তিনজন নিয়োগ দেওয়ার জন্য একমাস আগেই সভাপতিকে প্রস্তাব দিয়েছি।’এদিকে নারী এশিয়ান কাপের আগে বাংলাদেশ দলের সর্বোচ্চ প্রস্তুতির পরিকল্পনাও করছে বাফুফে। এজন্য দেশের বাইরেও ক্যাম্প এবং প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার চিন্তা করছে দেশের ফুটবলের সর্বেোচ্চ নিয়ন্ত্রক এই সংস্থা। এরই মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়াকে প্রস্তাব পাঠিয়েছে তারা। তবে সেই প্রস্তাবে রাজি হয়নি দেশটি। এখন জাপান এবং স্পেনের সাথে আলোচনায় বসার চিন্তা করছে বাফুফে কিরণ আরও বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে প্রস্তাব দিয়েছি সেখানে মাসখানেক ক্যাম্প ও ম্যাচ খেলা যায় কিনা। তবে কোরিয়া আমাদেরকে জানিয়েছে এশিয়ান কাপের প্রস্তুতির জন্য তাদের টিম পাঠাবে ইউরোপে। যে কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে আমাদের খেলা হচ্ছে না। এখন আমি জাপান ও স্পেনের সাথে কথা বলবো।’উল্লেখ্য, এএফসি নারী এশিয়ান কাপকে সামনে রেখে আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই জাতীয় নারী ফুটবল দলের অনুশীলন শুরু হবে। টানা ৬ মাস দলের নিরবিচ্ছিন্ন অনুশীলনের জন্য যা যা করার তাই করবে বাফুফে। কোচ পিটার বাটলার সৌদি আরবে ক্যাম্প করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এখন মেয়েরা বড় দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায় কি না সেটাই দেখার বিষয়। আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
