‘স্বামী-সন্তান হারিয়ে ছোট মেয়েকে নিয়ে দিশেহারা মনোয়ারা’ শিরোনামে সময়ের কণ্ঠস্বরে সংবাদ প্রকাশের পর পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কুমার দেবনাথ।মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে মনোয়ারা বেগম ও তার ছোট মেয়ে মুন্নি আক্তারকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে চাল ও নগদ অর্থ সহযোগিতা করেন।ইউএনও পলাশ কুমার দেবনাথ বলেন, ‘সময়য়ের কণ্ঠস্বরে প্রকাশিত মানবিক সংবাদটি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসার পর মনোয়ারা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে স্বামী-সন্তানকে হারিয়ে তিনি শোকাহত এবং সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়েছেন। আমরা চেষ্টা করেছি পাশে দাঁড়ানোর। সমাজের আরও বৃত্তবান রয়েছেন, তারাও পাশে দাঁড়াবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।’এর আগে সোমবার বিকালে জনপ্রিয় অনলাইন গণমাধ্যম সময়ের কণ্ঠস্বর ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ভানোর ইউনিয়নের বিশ্রামপুর গ্রামের মনোয়ারা বেগমের অসহায়ত্বের গল্প তুলে ধরে।সেখানে বলা হয়, রাজমিস্ত্রির কাজ করতো ছেলে। তার উপার্জন দিয়ে চলতো সংসার। প্রেমে ব্যর্থ হয়ে দুমাস আগে আত্মহননের পথ বেছে নেন একমাত্র ছেলে মুন্না হোসেন (২০)। ছেলের শোকে স্বামী নুর ইসলাম (৪২) মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রতিবেশীদের নিকট সহযোগিতা তুলে চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে যাওয়ার আগের দিন গলায় ফাঁস দেন তার স্বামীও।দুই মাসের ব্যবধানে স্বামী-সন্তানকে হারিয়ে এখন অসহায় ও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মনোয়ারা বেগম। স্বামীর রেখে যাওয়ার ভিটেমাটি আর ছেলের ১টি ছোট গরু ছাড়া সম্বল বলতে কিছুই নেই। ১০ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে কী খাবে, কীভাবে চলবে সংসার সেই দুশ্চিন্তায় বাকরুদ্ধ তিনি। সংবাদে মনোয়ারা বেগমের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান প্রতিবেশীরা।সহযোগিতা পেয়ে মনোয়ারা বেগম জানান, ‘ইউএনও সাহেব দুই বস্তা চাল ও নগদ ৫ হাজার টাকা সহযোগিতা দিয়েছেন। অনেকেই আমাদের খবর নিচ্ছেন। এজন্য সময়ের কণ্ঠস্বরকে ধন্যবাদ জানান তিনি।’এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
