কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার প্রধান ব্যস্ততম সড়ক খানাখন্দে ভরপুর, জনদুর্ভোগের শেষ নেই। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকে। বৃষ্টি হলে সড়কের গর্তগুলো পানিতে ডুবে যায়, ফলে টমটম ও ইজিবাইক গর্তে পড়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনার ফলে প্রাণহানি হতে পারে।চকরিয়া উপজেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজ ও চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীরা এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। এই দুইটি প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে থাকে। এছাড়া চকরিয়া সেনাবাহিনীর ক্যাম্প ও পৌরসভার কার্যালয়ে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হচ্ছে এই সড়কটি।এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ছোট-বড় পরিবহন যাতায়াত করে। পথচারীদের দাবি হচ্ছে সড়কটি সংস্কার বা মেরামত করে যেকোন দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করা। কারণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ছোট ছোট অনেক ছেলে-মেয়ে বিভিন্ন কেজি স্কুল ও নুরানী মাদ্রাসায় যাতায়াত করে থাকে। তাই সরকারের প্রতি স্থানীয়দের দাবি হচ্ছে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সময়ে সড়কের সংস্কার বা মেরামত করা।চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জুবাইদুল হক বলেন, ‘এ সড়কটি হচ্ছে অনেক ব্যস্ততম। আমাদের কলেজের এটি প্রধান সড়ক, কিন্তু সড়কটি বিভিন্ন খানাখন্দে ভরপুর। তাই সরকারের প্রতি অনুরোধ করছি দ্রুত সময়ে সড়কটি সংস্কার করার জন্য। কারণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীসহ সকল পর্যায়ের পথচারীরা যাতায়াত করে থাকে এবং সকল ধরনের যানবাহনও চলাচল করে।’তিনি আরো বলেন, ‘চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজের সামনে একটি ময়লা রাখার ডাস্টবিন রয়েছে। সে ডাস্টবিন থেকে প্রতিনিয়ত ময়লার দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ফলে আমাদের কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এমতাবস্থায় ময়লার ডাস্টবিনটি এ জায়গা থেকে সরিয়ে অন্য জায়গায় হস্তান্তর করলে কলেজের শিক্ষার্থীরা অনন্তত বিভিন্ন রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাবে। তাই সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চকরিয়া পৌরসভার প্রশাসক মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে এই সড়কটির মেরামত করতে পারছি না। বৃষ্টি বন্ধ হলে দ্রুত সময়ে এ সড়কের সংস্কার বা মেরামত কাজ সম্পন্ন করা হবে।’তিনি আরো বলেন, ‘এ সড়কটি মেরামত বা সংস্কারের জন্য দরপত্রের মাধ্যমে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে। সড়কটি সংস্কার বা মেরামত হয়ে গেলে সকল শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা স্বাচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারবে।’এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
