বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীতে থেমে থেমে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। টানা ৩ দিনের বৃষ্টিতে জনজীবনে চরম ভোগান্তি নেমে এসেছে। নিম্নচাপ ও অমাবশ্যার জোয়ের প্রভাবে নদ-নদীর পানির উচ্চতা দুই থেকে তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত দু’দফা প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বেশ উত্তাল রয়েছে। গতকাল দু’দফা জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঢেউয়ের ঝাপটায় সৈকতের ঝাউ বাগান, জাতীয় উদ্যান, সৈকতে প্রবেশের সড়কে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। ভেঙে গেছে ঝাউ বাগান ও জাতীয় উদ্যানের অসংখ্য গাছপালা। জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন হোসেনপাড়া এলাকার সড়কের প্রায় ৩০ মিটার ভেঙে ওই গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। ডিসি পার্ক সংলগ্ন সৈকত সড়কে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। দীর্ঘ ২২ কিলোমিটার সৈকতের বিভিন্ন স্থানের অব্যাহত বালুক্ষয়ে মাটির স্তর বেরিয়ে এসেছে।ভাঙা বেঁড়িবাধ দিয়ে পানি প্রবেশ করে তলিয়ে গেছে রাঙ্গাবালী উপজেলার অন্তত ১০টি গ্রাম। ভেসে গেছে অসংখ্য মাছের ঘের ও পুকুর। তবে মৎস্যসহ অন্যান্য খাতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সেটি এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর।উপকূলীয় এলাকা দিয়ে এখনো ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পায়রাসহ দেশের সব সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। মাছধরা ট্রলারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
