শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বার্ষিক সাধারণ সভা। এ সভায় উপস্থিত ছিলেন ২৫ সদস্য দেশের প্রতিনিধি। এছাড়াও অনলাইনে যোগ দেয় ভারত ও শ্রীলঙ্কা। কিন্তু যতটা আলোচনা এশিয়া কাপ নিয়ে হওয়ার কথা, তার স্পষ্ট রূপরেখা এখনও অধরা।ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে অনুষ্ঠিত এই সভা শেষে এসিসি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি জানান, ‘এশিয়া কাপের বিষয়ে এখনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি।’ তবে বিসিসিআইয়ের (ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড) সঙ্গে পরামর্শ শেষে দ্রুতই সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে আশাবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বিসিসিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। আশা করছি খুব দ্রুতই সূচি ঘোষণা করা যাবে।’এদিকে বেশ কয়েকটি ভারতীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে, এবারের এশিয়া কাপের আয়োজক দেশ ভারত হলেও, খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা সংযুক্ত আরব আমিরাতে। মূলত ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার চলমান কূটনৈতিক জটিলতার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে সভা শেষে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কিছু বলেননি নাকভি।এর আগে, ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ সভা বয়কটের ডাক দিয়েছিল ভারত, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। এতে কোরাম না মেলায় এই সভার পন্ড হওয়ার সম্ভাবনা জাগে। তবে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তৎপরতায় বৈঠকে যোগ দেয় ভারত, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। আর এজন্য বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে ধন্যবাদ দিতে ভোলেননি এসিসি চেয়ারম্যান নকভি। তিনি বলেন, ‘আমি বিসিবিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। অসাধারণ আতিথেয়তা ও সফল আয়োজনের জন্য আমিনুল ভাই এবং তাঁর টিমকে কৃতজ্ঞতা জানাই। সভায় উপস্থিত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ক্রিকবাজ জানিয়েছে, এখনও বিসিসিআই কিছু কমার্শিয়াল ইস্যু মেটাতে কাজ করছে, সেগুলো শেষ হলেই এশিয়া কাপ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে। আলোচনা ছিল আশাব্যঞ্জক, তবে এখনো চূড়ান্ত নয় কিছুই। টুর্নামেন্ট বাতিল বা স্থগিত—এই ধরনের কোনো প্রস্তাবও ওঠেনি।এশিয়া কাপ ছাড়াও ২০২৬ সালের জাপান এশিয়ান গেমস নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসিসি জানিয়েছে, সেই গেমসে র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে পুরুষদের ১০টি ও নারীদের ৮টি দল অংশ নেবে। এছাড়াও সদস্য দেশ হিসেবে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে মঙ্গোলিয়া, উজবেকিস্তান ও ফিলিপাইন।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
