কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড এলাকায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে পারেছা বেগম (২২) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৩) জুলাই ভোর ৫টার সময় উপরোক্ত গৃহবধূর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়।স্থানীয়রা জানান, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। তাদের মধ্যে সব সময় বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হত। ফলে আজ ভোর ৫টার সময় চকরিয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড এলাকায় ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।নিহত গৃহবধূর পিতা জানান, ‘আমার মেয়ে কী কারণে ফাঁসি খেয়ে মৃত্যুবরণ করেছে সেটা আমি জানি না। আমার মেয়ে ও মেয়ের স্বামীর মধ্যে কোনো বিভেদ হয়েছে কিনা সেটাও জানি না। অর্থাৎ আমার মেয়ে কী কারণে ফাঁসি খেয়ে মৃত্যুবরণ করেছে সেটা তদন্ত ছাড়া মন্তব্য করা সম্ভব নয়।’নিহত গৃহবধূর চাচাতো ভাই বলেন, ‘আমার চাচাতো বোন পারেছা বেগমের মৃত্যু কী কারণে হয়েছে তা আমি জানি না। তিনি ২/৩ দিন আগে বাবার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। তার একটা বড় ভাই বিদেশ থেকে বাড়িতে এসেছে। তাকে দেখার জন্য বাড়িতে গিয়েছিলেন। প্রবাস থেকে আসা ভাইকে দেখে আসার সময় সে ভাই তাকে একটা কম্বল দিয়েছিল। সে কম্বল নিয়ে চকরিয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড এলাকায় ভাড়া বাসায় আসেন। আজ সকালে শুনলাম আমার চাচাতো বোন পারেছা বেগম ফাঁসি খেয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। কী কারণে ফাঁসি খেয়েছেন তা আমি বলতে পারছি না।’নিহত গৃহবধূ পারেছা বেগম পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিনের স্ত্রী বলে জানা গেছে।চকরিয়া থানার পুলিশের সহকারী পুলিশ পরিদর্শক মহি উদ্দিন বলেন, ‘নিহত পারেছা বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের পরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
