সবশেষ ২০২৪ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। তবে রাজনৈতিক কারণে এ টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতে। তা স্বত্বেও বড় অংকের আয় করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দেশের দুই ভেন্যু শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম থেকে ম্যাচ স্থানান্তরিত হলেও স্বাগতিক হিসেবে ইভেন্ট হোস্ট ফি’র পুরোটা পেয়েছে বিসিবি।ঘরের মাঠে আইসিসির এই মেগা আসরে টিকিট বিক্রির একক সত্ব থেকে মোটা অঙ্ক আয়ের সুযোগ ছিল বিসিবির। তবে ভেন্যু সরে যাওয়ায় তা ব্যাহত হয়েছে। ফলে টিকিট বিক্রি থেকে প্রত্যাশিত আয় করতে পারেনি বিসিবি।স্বাগতিক মর্যাদার সুবাদে টিকিট বিক্রি থেকে আয়ের বড় একটা অংশ পেয়েছে বিসিবি। ইমিরেটস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) এক্ষেত্রে বড় ছাড় দিয়েছে। তাদের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনা করে আইসিসির এই মেগা ইভেন্টের টিকিট বিক্রি থেকে আয়ের ৫৫% বুঝে পেয়েছে বিসিবি। আইসিসির দেয়া হিসাব অনুযায়ী এই ইভেন্টে মোট টিকিট বিক্রি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুদ্রায় ৬ লাখ ৫৯৫.১৮ দিরহাম। যার মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী বিসিবির ভাগে পড়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৩২৭.৩৫ দিরহাম। অর্থাৎ ৭৩ হাজার ৬৪২ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশী মুদ্রায় ১ কোটি ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৫০০ টাকা)। গত ৩০ জুন বিসিবির পরিচালনা পরিষদের সভার তা অবহিত করা হয়েছে।স্বাগতিক মর্যাদা পাওয়ার সুবাদে ইভেন্ট হোস্ট ফি খাতে আইসিসি থেকে বিসিবিকে দেয়া হয়েছে ৮ কোটি ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৫০০ টাকা।এ ছাড়া গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়েও বাংলাদেশ নারী দল প্রাইজমানি হিসেবে পেয়েছে ৬৭ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র জয়ে যোগ হয়েছে আরও ৩১ হাজার ১৫৪ মার্কিন ডলার। সব মিলে আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে বিসিবির কোষাগারে জমা পড়েছে ১০ কোটি ৩৭ লাখ ১২ হাজার ১৪২ টাকা।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
