চলনবিলে বর্ষার পানি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই ইতিমধ্যে জমতে শুরু করেছে হাট বাজারগুলোতে ডিঙ্গি নৌকা কেনা-বেচা। ছোট ছোট কাঠ ও পে-ন-শীটের তৈরি এসব ডিঙ্গি নৌকা তৈরি করতে ব্যস্ত কারিগররা।সরেজমিন চলনবিল অঞ্চলের তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ হাটে গিয়ে দেখা গেছে, কাঠপট্টি এলাকার ‘স’ মিল ও ফার্নিচার মালিকরা অন্যান্য আসবাবপত্র তৈরীর পাশাপাশিই প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও কাঠ ও পে-ন-শীটের ডিঙ্গি নৌকা তৈরি করে বিক্রি করছেন। পরিবহন সুবিধার জন্য নদীর পাশেই এসব নৌকা তৈরি ও বিক্রি করছেন তারা।কথা হয় নৌকা তৈরির কারিগর মহাতাব উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই বিভিন্ন ধরনের ডিঙ্গি তৈরীর কাজ করে বাড়তি অর্থ উপার্জন করে থাকেন তারা। বর্ষার পানি আসার অনেক পূর্বেই জেলেরা মাছ ধরার নৌকা তৈরির অর্ডার দিয়ে থাকেন। পাশাপাশি অবসর সময়ে ডিঙ্গি নৌকা তৈরি করে হাটে বিক্রি করেন তারা।ফার্নিচার কর্মচারী আবুল হোসেন জানান, বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই তারা শিমুল, বাটুল, আম, জাম, কাঠাল, পাইকর, কোড়ই, এন্টিকোড়ই, কাঠ ছাড়াও পে-ন-শীট দিয়ে বিভিন্ন মাপের ডিঙ্গি নৌকা তৈরি করেন। তিনি আরো জানান, কাঠের ডিঙ্গিগুলো আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা এবং পে-ন-শীটের ডিঙ্গিগুলো ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেচাকেনা হয়। তবে এখানকার তৈরি ডিঙ্গি নৌকাগুলোর চাহিদা বেশি হওয়ায় প্রতিবারের তুলনায় এবার দাম ও কেনাবেচা অনেক বেশি হবে বলে ধারণা করছেন তারা।তবে হাটে ডিঙ্গি নৌকা কিনতে আসা আব্দুর রহিম, তরিকুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, তৈরি নৌকাগুলো গুণগত মানের তুলনায় দামটা তাদের কাছে একটু বেশি মনে হচ্ছে।উল্লেখ্য: প্রতি বৃহস্পতিবার চলনবিলের অঞ্চলের তাড়াশ উপজেলার নওগাঁতে এ হাট বসে। এ ছাড়াও বর্ষা মৌসুমে সপ্তাহের প্রতিদিনই এ ডিঙ্গি নৌকা কেনা-বেচা হয়ে থাকে। সংশ্লিষ্ট হাট ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন হাট ও বাজারে এ সময় ডিঙ্গি নৌকা কেনা-বেচা হয়ে থাকে।এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
