রাজশাহীর বাগমারায় বিদেশ পাঠানোর প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ভালো বেতনে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে চার লক্ষ টাকা নিয়ে চাকরির ভিসা না দিয়ে ভ্রমণ ভিসা দিয়ে তাকে দুবাই পাঠিয়ে প্রতারণা করেছেন বলে দাবি করেছেন উপজেলার গণিপুর ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের আব্দুল মানিকের ছেলে সাগর আহম্মেদ।টাকা ফেরত পেতে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ ও মামলা করলে প্রতারণার মামলা থেকে বাঁচতে উল্টো তাকেই (সাগর আহম্মেদ) আদম ব্যাপারী আখ্যায়িত করে তার বিরুদ্ধে ভাড়াটিয়া লোক দ্বারা হয়রানীমূলক মামলা দিয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাগর আহম্মেদ দাবি করেন, ঢাকায় পিবিআই অফিসে কর্মরত এএসআই সাদ্দাম হোসেন বাগমারার গণিপুর গ্রামের সানাউল্লার ছেলে। উভয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা ও বাগমারা পাইলট স্কুলে পড়ালেখা করেছেন। এসআই সাদ্দাম হোসেন ঢাকায় চাকরি করেন অনেক বড় লেভেলে তার জানাশোনা। বন্ধুর (সাগর) বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে মানিকগঞ্জের জনৈক এক এমপির মাধ্যমে তাকে দুবাই পাঠিয়ে কর্মসংস্থান ব্যবস্থার কথা জানায় সাদ্দাম হোসেন।পরবর্তীতে সকল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চার লক্ষ টাকা নিয়ে দুবাই ‘নিদাহাদি প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস’ কোম্পানিতে ভালো বেতনে চাকরি দেয়ার নামে বিদেশ পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়। কিন্তু সে চাকরির ভিসা না দিয়ে ভ্রমণ ভিসা দিয়ে তাকে দুবাই পাঠানো হয়। সেখানে মাত্র পাঁচ মাস থাকার পর দেশে ফিরতে বাধ্য হয়। বিদেশে প্রতারণার বিষয় বার বার তাকে তাগিদ দিয়ে কোনো লাভ হয়নি। এ কারণে তিনি বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইনে এএসআই সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। কিন্তু মামলা করার পর থেকেই এএসআই সাদ্দাম হোসেন ও তার পক্ষের লোকজন মামলা তুলে নিতে তার পরিবারের সদস্যদের উপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে আসছে। তাছাড়া মামলা তুলে না নিলে তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়।এছাড়া এএসআই সাদ্দাম হোসেন প্রতারণার মামলা থেকে বাঁচতে উল্টো তাকেই (সাগর আহম্মেদ) আদম ব্যাপারী আখ্যায়িত করে তার বিরুদ্ধে ভাড়াটিয়া লোক দ্বারা হয়রানীমূলক মামলা দিয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
