উপকূলীয় অঞ্চল বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নেওয়ার জন্য একটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থাকলেও সেখানে রয়েছে চিকিৎসক সংকট। একজন দন্ত চিকিৎসক দিয়ে চলছে সকল চিকিৎসা সেবা। আবহাওয়া পরিবর্তনে ডেঙ্গুসহ বেড়েছে উপকূলীয় মানুষের বিভিন্ন রোগের সংখ্যা। রোগীদের সিবিসি, সিআরপি, এইচ বি এস এ জি, ডেঙ্গু ফর এন এস১ সহ ১৫ ধরনের পরীক্ষা করার জন্য ল্যাব প্রস্তুত থাকলেও টেকনোলজিস্টের অভাবে পরীক্ষা করাতে পারছে না রোগী। এই সকল পরীক্ষা করার জন্য বাইরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুসারে, এবছর জুন মাস পর্যন্ত বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগ থেকে চিকিৎসা নিয়েছে প্রায় ২৭ হাজার রোগী। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন প্রায় ৪ হাজার জন রোগী। প্রতিদিন গড়ে ১৮০ থেকে ২০০ জন রোগীকে চিকিৎসা দিচ্ছে এই সীমিত চিকিৎসক।বর্তমানে এখানে ৩১ জন চিকিৎসকের বিপরীতে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও একজন সহকারী ডেন্টাল সার্জনসহ এখানে কর্মরত রয়েছে ৩ জন চিকিৎসক। ৩ জন চিকিৎসকের মাধ্যমে দুইজন প্রশিক্ষণের জন্য রয়েছে বিভিন্ন স্থানে, এখন বর্তমানে একজন দন্ত চিকিৎসক দিয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা।রাহাত আহমেদ নামের এক রোগী জানান, হাসপাতালে যে সকল টেস্ট ব্যবস্থা রয়েছে সেগুলোর মূল্য তালিকা লাগানো থাকলেও টেকনোলজিস্টের অভাবে বিভিন্ন রোগের টেস্ট করতে পারছে না রোগীরা। ১০০ থেকে ১৫০ টাকার টেস্ট বাইরের করতে গেলে হাজার হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। উপকূলীয় মানুষ অভাব অনটনের মধ্যে জীবনযাপন করলেও তাদের পক্ষে এত মূল্য দিয়ে টেস্ট করা সম্ভব নয়। অনেকে ধার দেনা করে যোগাতে হচ্ছে টেস্টের টাকা।রোগীরা আরও জানান, সকাল থেকে আমরা ৩ থেকে ৪ শত মানুষ চিকিৎসার জন্য এসেছে কিন্তু একজন ডাক্তার দিয়ে এই সকল রোগীদের চিকিৎসা করা সম্ভব নয়, তাই আমাদের এলাকায় চিকিৎসকের দরকার। হাসপাতালে একজন মাত্র ডাক্তার থাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ডাক্তারের দেখা না পেয়ে চিকিৎসা সেবা না নিয়েই চলে যাচ্ছে অনেকে।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী ডেন্টাল সার্জন মোঃ আল আমিন জানান, এখানে ৩১ জন চিকিৎসকের বিপরীতে এত কম সংখ্যক চিকিৎসক থাকায় সেবা প্রত্যাশীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। দুইজন চিকিৎসক ট্রেনিং এ অংশগ্রহণের জন্য বরিশালে রয়েছে। বর্তমানে আমি একাই সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছি। একজন চিকিৎসক পদায়ন করা হয়েছে, তিনি এখন পর্যন্ত যোগদান করেননি।সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, চিকিৎসক সংকটের ব্যাপার নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কথা হয়েছে, অতি দ্রুত এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নিবে। চিকিৎসক পদায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দেয়া হয়েছে।পাথরঘাটায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসক সংকট, ভোগান্তিতে ৩ লাখ মানুষমাহমুদুর রহমান রনি (বরগুনা) প্রতিনিধি: উপকূলীয় অঞ্চল বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নেওয়ার জন্য একটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থাকলেও সেখানে রয়েছে চিকিৎসক সংকট। একজন দন্ত চিকিৎসক দিয়ে চলছে সকল চিকিৎসা সেবা। আবহাওয়া পরিবর্তনে ডেঙ্গুসহ বেড়েছে উপকূলীয় মানুষের বিভিন্ন রোগের সংখ্যা। রোগীদের সিবিসি, সিআরপি, এইচ বি এস এ জি, ডেঙ্গু ফর এন এস১ সহ ১৫ ধরনের পরীক্ষা করার জন্য ল্যাব প্রস্তুত থাকলেও টেকনোলজিস্টের অভাবে পরীক্ষা করাতে পারছে না রোগী। এই সকল পরীক্ষা করার জন্য বাইরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুসারে, এবছর জুন মাস পর্যন্ত বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগ থেকে চিকিৎসা নিয়েছে প্রায় ২৭ হাজার রোগী। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন প্রায় ৪ হাজার জন রোগী। প্রতিদিন গড়ে ১৮০ থেকে ২০০ জন রোগীকে চিকিৎসা দিচ্ছে এই সীমিত চিকিৎসক।বর্তমানে এখানে ৩১ জন চিকিৎসকের বিপরীতে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও একজন সহকারী ডেন্টাল সার্জনসহ এখানে কর্মরত রয়েছে ৩ জন চিকিৎসক। ৩ জন চিকিৎসকের মাধ্যমে দুইজন প্রশিক্ষণের জন্য রয়েছে বিভিন্ন স্থানে, এখন বর্তমানে একজন দন্ত চিকিৎসক দিয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা।রাহাত আহমেদ নামের এক রোগী জানান, হাসপাতালে যে সকল টেস্ট ব্যবস্থা রয়েছে সেগুলোর মূল্য তালিকা লাগানো থাকলেও টেকনোলজিস্টের অভাবে বিভিন্ন রোগের টেস্ট করতে পারছে না রোগীরা। ১০০ থেকে ১৫০ টাকার টেস্ট বাইরের করতে গেলে হাজার হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। উপকূলীয় মানুষ অভাব অনটনের মধ্যে জীবনযাপন করলেও তাদের পক্ষে এত মূল্য দিয়ে টেস্ট করা সম্ভব নয়। অনেকে ধার দেনা করে যোগাতে হচ্ছে টেস্টের টাকা।রোগীরা আরও জানান, সকাল থেকে আমরা ৩ থেকে ৪ শত মানুষ চিকিৎসার জন্য এসেছে কিন্তু একজন ডাক্তার দিয়ে এই সকল রোগীদের চিকিৎসা করা সম্ভব নয়, তাই আমাদের এলাকায় চিকিৎসকের দরকার। হাসপাতালে একজন মাত্র ডাক্তার থাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ডাক্তারের দেখা না পেয়ে চিকিৎসা সেবা না নিয়েই চলে যাচ্ছে অনেকে।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী ডেন্টাল সার্জন মোঃ আল আমিন জানান, এখানে ৩১ জন চিকিৎসকের বিপরীতে এত কম সংখ্যক চিকিৎসক থাকায় সেবা প্রত্যাশীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। দুইজন চিকিৎসক ট্রেনিং এ অংশগ্রহণের জন্য বরিশালে রয়েছে। বর্তমানে আমি একাই সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছি। একজন চিকিৎসক পদায়ন করা হয়েছে, তিনি এখন পর্যন্ত যোগদান করেননি।সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, চিকিৎসক সংকটের ব্যাপার নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কথা হয়েছে, অতি দ্রুত এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নিবে। চিকিৎসক পদায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দেয়া হয়েছে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
